ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

ঘোড়াশালে রেলওয়ের উচ্ছেদ অভিযান

অরবিন্দ রায়, স্টাফ রিপোর্টার
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:৩৭:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / ০ বার পঠিত

অরবিন্দ রায়, স্টাফ রিপোর্টার:   নরসিংদীর পলাশে রেলওয়ের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্হাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন ধরে রেলওয়ের জমি দখল করে দোকানপাট, টিনশেড ঘর ও বিভিন্ন স্হাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল।

ঘোড়াশাল ফ্ল্যাগ রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন পোষ্ট অফিস রোডে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা রেলওয়ের উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে।
উচ্ছেদ অভিযানে প্রায় দুই শতাধিক বাড়িঘর দোকানপাট গুড়িয়ে দেওয়া হয়। এসময় শত শত মানুষকে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়তে দেখা যায়। অভিযানে রেলওয়ের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রচুর সংখ্যক আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিল।
২২ এপ্রিল কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ অভিযানে আসে। পরে এলাকাবাসী ও সাদ্দাম বাজারের দোকানদাররা সময় চায় তাদের মালামাল সরাতে। কর্তৃপক্ষ ৭ দিনের সময় দেয়। পাশাপাশি এলাকাবাসি রেলওয়ে থেকে সঠিক মাপেরও দাবী জানায়। এতে  কর্তৃপক্ষ নতুন করে মাপজোখ করে সীমানা নির্ধারন করে দেয়।
ঘোড়াশাল ফ্ল্যাগ স্টেশন সংলগ্ন সাদ্দাম বাজারের ব্যবসায়িরা তাদের পুনর্বাসন ও স্থায়ী একটি জায়গার ব্যবস্থা করার জন্য দাবী করে। এদিকে স্থানীয় লোকজন জানান, এখানে একটি ঈদ গাঁ, খেলার মাঠ, শতশত বাড়িঘর দোকানপাট,হাসপাতাল  রয়েছে যা এলাকাবাসীর রোজগারের কেন্দ্র। তাদের আক্ষেপ কদিন পর ঈদ আমরা কি করবো।।

উচ্ছেদ অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন জনাব শিমুল কুমার সাহা (উপ সচিব),বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা,আইন শৃঙ্খলা  রক্ষার্থে পলাশ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) -এক্ম্যাসিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রাকিন মাসরুর খান,রেলওয়ের সার্ভেয়ার, কানুনগো,রেলওয়ের নিরাপত্তা বাহিনী,  ও পুলিশ সদস্য।
উচ্ছেদ অভিযানের সময় এলাকায় কিছুটা উত্তেজনা দেখা দেখা দেয়। স্হানীয় সচেতন মহল সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। রেলওয়ের জমি উচ্ছেদের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ঘোড়াশালে রেলওয়ের উচ্ছেদ অভিযান

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:৩৭:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

অরবিন্দ রায়, স্টাফ রিপোর্টার:   নরসিংদীর পলাশে রেলওয়ের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্হাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন ধরে রেলওয়ের জমি দখল করে দোকানপাট, টিনশেড ঘর ও বিভিন্ন স্হাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল।

ঘোড়াশাল ফ্ল্যাগ রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন পোষ্ট অফিস রোডে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা রেলওয়ের উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে।
উচ্ছেদ অভিযানে প্রায় দুই শতাধিক বাড়িঘর দোকানপাট গুড়িয়ে দেওয়া হয়। এসময় শত শত মানুষকে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়তে দেখা যায়। অভিযানে রেলওয়ের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রচুর সংখ্যক আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিল।
২২ এপ্রিল কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ অভিযানে আসে। পরে এলাকাবাসী ও সাদ্দাম বাজারের দোকানদাররা সময় চায় তাদের মালামাল সরাতে। কর্তৃপক্ষ ৭ দিনের সময় দেয়। পাশাপাশি এলাকাবাসি রেলওয়ে থেকে সঠিক মাপেরও দাবী জানায়। এতে  কর্তৃপক্ষ নতুন করে মাপজোখ করে সীমানা নির্ধারন করে দেয়।
ঘোড়াশাল ফ্ল্যাগ স্টেশন সংলগ্ন সাদ্দাম বাজারের ব্যবসায়িরা তাদের পুনর্বাসন ও স্থায়ী একটি জায়গার ব্যবস্থা করার জন্য দাবী করে। এদিকে স্থানীয় লোকজন জানান, এখানে একটি ঈদ গাঁ, খেলার মাঠ, শতশত বাড়িঘর দোকানপাট,হাসপাতাল  রয়েছে যা এলাকাবাসীর রোজগারের কেন্দ্র। তাদের আক্ষেপ কদিন পর ঈদ আমরা কি করবো।।

উচ্ছেদ অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন জনাব শিমুল কুমার সাহা (উপ সচিব),বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা,আইন শৃঙ্খলা  রক্ষার্থে পলাশ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) -এক্ম্যাসিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রাকিন মাসরুর খান,রেলওয়ের সার্ভেয়ার, কানুনগো,রেলওয়ের নিরাপত্তা বাহিনী,  ও পুলিশ সদস্য।
উচ্ছেদ অভিযানের সময় এলাকায় কিছুটা উত্তেজনা দেখা দেখা দেয়। স্হানীয় সচেতন মহল সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। রেলওয়ের জমি উচ্ছেদের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।