ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
তাজা খবর
কক্সবাজারে গহীন বনে ‘রহস্যময় ঘর’ ঘিরে চাঞ্চল্য
কিশোর গ্যাং সৃষ্টি মাদকেই
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
কক্সবাজারে গহীন বনে ‘রহস্যময় ঘর’ ঘিরে চাঞ্চল্য

শ.ম.গফুর,কক্সবাজার
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:৫০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
- / ৭ বার পঠিত

শ.ম.গফুর,কক্সবাজার: কক্সবাজারের উখিয়ার রত্নাপালং ইউনিয়নের চাকবৈঠা-করইবনিয়া এলাকার গভীর জঙ্গলে একটি রহস্যময় ঘরের সন্ধান মিলেছে। স্থানীয়দের মধ্যে এ নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,উখিয়া-নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্তঘেঁষা গহীন অরণ্যের ভেতরে নির্মিত একটি বসতঘরে বসবাস করছেন রত্নাপালং ইউনিয়নের বাসিন্দা সোলায়মান বাদশার ছেলে ছৈয়দ হামজা। দুর্গম ও নির্জন এ স্থানে তার বসবাস নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে কৌতূহল ও সন্দেহ দেখা দিয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সীমান্তবর্তী এই জঙ্গলপথ ব্যবহার করে মায়ানমার থেকে আসা চোরাকারবারিরা বিভিন্ন মাদকদ্রব্য এনে মজুদ রাখেন।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ওই রহস্যময় ঘরের কাছাকাছি এলাকা থেকে প্রায় সময় ইয়াবা উদ্ধার করে গেছেন।এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঘরের মালিক ছৈয়দ হামজা দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন মায়ানমারের নারী জোবাইদাকে। তাদের আব্দুল্লাহ, সালামত উল্লাহ ও সাইফুল্লাহ নামের তিন সন্তান রয়েছে।জনশ্রুতি আছে, এসব পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমেই মাদক পরিবহন করা হয়।স্থানীয়রা আরও দাবি করেন, অল্প সময়ের ব্যবধানে ছৈয়দ হামজার আর্থিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে। তিনি এখন গরু-মহিষের বড় খামারের মালিক হয়েছেন বলে জানা যায়, যা নিয়ে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা প্রয়োজন। সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।এ বিষয়ে অভিযুক্ত ছৈয়দ হামজার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি চিকিৎসার কাজে এলাকার বাইরে আছে বলে জানান। তবে তার স্ত্রী রোহিঙ্গা নারী জোবাইদা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।এদিকে বনের জমিতে ছৈয়দ হামজার প্রভাব বা দখল কোন ভিত্তিতে বৈধতা পাচ্ছে, তা খতিয়ে দেখার তাগিদ দিয়েছেন গোয়েন্দা বিভাগের কয়েকজন সদস্য। তারা মনে করছেন, বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার করা জরুরি।
এ ব্যাপারে ভালুকিয়া বন বিট কর্মকর্তা মোজাম্মেল বলেন, বনের জায়গা দখল করে কেউ স্হাপনা করতে পারবে না। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্হাপনা উচ্ছেদ করা হবে।উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি’র) অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিএসসি জানান, চাকবৈটা-করইবনিয়াসহ সীমান্তের চোরাকারবারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারাতেই নয়, বরং মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


















