ঢাকা, বাংলাদেশ। , বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

সশস্ত্র রোহিঙ্গা নেতা হালিম দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত, আহত-২

শ.ম.গফুর,কক্সবাজার
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:৫৮:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / ৪ বার পঠিত
শ.ম.গফুর,কক্সবাজার:   কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফের সশস্ত্র হামলার ঘটনায় আবদুল হালিম নামের এক সশস্ত্র রোহিঙ্গা নেতার মৃত্যু হয়েছে।মঙ্গলবার (৫ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ওই ক্যাম্পের নৌকারমাঠ পুলিশ ক্যাম্পের ৭ নং ক্যাম্প এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত কেফায়েত উল্লাহ হালিম কথিত ‘হালিম গ্রুপ’র প্রধান হিসেবে পরিচিত ছিলেন।আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৮ ইস্ট থেকে কয়েকজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে নিজ নিজ শেডে ফিরছিলেন। তারা ক্যাম্প-৮ ইস্টের এ-৩২ ব্লক ও ৭ নম্বর ক্যাম্পের মধ্যবর্তী তরজার ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকে ওৎপেতে থাকা অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে।হঠাৎ এই হামলায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এতে গুরুতর আহত হন কেফায়েত উল্লাহ হালিম। পরে তাকে উদ্ধার করে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি ৭ নম্বর ক্যাম্পের এফ-২ ব্লকের বাসিন্দা বাদশা মিয়ার ছেলে।এ ঘটনায় একই ক্যাম্পের এ-৪ ব্লকের তোফাইল আহমদের ছেলে মোহাম্মদ উল্লাহ (৩৭) এবং জি ব্লকের নুর মোহাম্মদ নামের দু’জন গুলিবিদ্ধ হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় প্রথমে তাদের ফ্রেন্ডশীপ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহত হালিমের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার প্রেরণের প্রস্তুতি চলছিল।১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ সিরাজ আমীন জানান, খবর পেয়ে নৌকারমাঠ পুলিশ ক্যাম্পের একটি মোবাইল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে সংশ্লিষ্ট ক্যাম্প এলাকায় অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।এ ঘটনার পর থেকে ক্যাম্পজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে, আতঙ্কে রয়েছেন সাধারণ রোহিঙ্গারা। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পুলিশি টীম সতর্ক নজরদারিতে রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

সশস্ত্র রোহিঙ্গা নেতা হালিম দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত, আহত-২

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:৫৮:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
শ.ম.গফুর,কক্সবাজার:   কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফের সশস্ত্র হামলার ঘটনায় আবদুল হালিম নামের এক সশস্ত্র রোহিঙ্গা নেতার মৃত্যু হয়েছে।মঙ্গলবার (৫ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ওই ক্যাম্পের নৌকারমাঠ পুলিশ ক্যাম্পের ৭ নং ক্যাম্প এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত কেফায়েত উল্লাহ হালিম কথিত ‘হালিম গ্রুপ’র প্রধান হিসেবে পরিচিত ছিলেন।আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৮ ইস্ট থেকে কয়েকজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে নিজ নিজ শেডে ফিরছিলেন। তারা ক্যাম্প-৮ ইস্টের এ-৩২ ব্লক ও ৭ নম্বর ক্যাম্পের মধ্যবর্তী তরজার ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকে ওৎপেতে থাকা অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে।হঠাৎ এই হামলায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এতে গুরুতর আহত হন কেফায়েত উল্লাহ হালিম। পরে তাকে উদ্ধার করে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি ৭ নম্বর ক্যাম্পের এফ-২ ব্লকের বাসিন্দা বাদশা মিয়ার ছেলে।এ ঘটনায় একই ক্যাম্পের এ-৪ ব্লকের তোফাইল আহমদের ছেলে মোহাম্মদ উল্লাহ (৩৭) এবং জি ব্লকের নুর মোহাম্মদ নামের দু’জন গুলিবিদ্ধ হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় প্রথমে তাদের ফ্রেন্ডশীপ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহত হালিমের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার প্রেরণের প্রস্তুতি চলছিল।১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ সিরাজ আমীন জানান, খবর পেয়ে নৌকারমাঠ পুলিশ ক্যাম্পের একটি মোবাইল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে সংশ্লিষ্ট ক্যাম্প এলাকায় অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।এ ঘটনার পর থেকে ক্যাম্পজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে, আতঙ্কে রয়েছেন সাধারণ রোহিঙ্গারা। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পুলিশি টীম সতর্ক নজরদারিতে রয়েছে।