ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
তাজা খবর
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
ঈদকে সামনে রেখে নাশকতার শঙ্কা
চন্দ্রিমা এলাকায় র্যাবের অভিযানে ককটেল,দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

অপু দাস, স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:১৯:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
- / ৫৬ বার পঠিত

অপু দাস, স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী: দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) শুরু থেকেই সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, অবৈধ অস্ত্র, মাদক, ছিনতাই, অপহরণসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ দমনে সংস্থাটি নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় রাজশাহী মহানগরীতে পরিচালিত এক অভিযানে বিপুল পরিমাণ ককটেল সদৃশ বস্তু ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব-৫, রাজশাহীর সদর কোম্পানির একটি বিশেষ অপারেশন দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ১৭ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ দিবাগত রাত প্রায় ১২টা ২০ মিনিটে নগরীর চন্দ্রিমা থানাধীন রেলওয়ে মাঠের উত্তর পাশের একটি লেবু বাগানে অভিযান চালায়। অভিযানকালে সেখানে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি প্লাস্টিকের বস্তা পড়ে থাকতে দেখা যায়। সন্দেহজনক হওয়ায় বস্তাগুলো জব্দ করা হয়।
পরবর্তীতে বস্তাগুলোর ভেতরে বিস্ফোরক জাতীয় কিছু থাকতে পারে বলে ধারণা করা হলে র্যাব-৫ এর বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটকে ঘটনাস্থলে ডাকা হয়। ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বস্তা দুটি থেকে মোট ২১টি ককটেল সদৃশ বস্তু শনাক্ত করেন। একইসঙ্গে একটি পৃথক সাদা প্লাস্টিকের বস্তা থেকে উদ্ধার করা হয় কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে ছিল একটি বড় কান্তা বা হাসুয়া (দৈর্ঘ্য প্রায় ৭২ সেন্টিমিটার), একটি বড় ছোরা (প্রায় ৬৫ সেন্টিমিটার), একটি ছোট ছোরা (প্রায় ৩৮ সেন্টিমিটার) এবং একটি চাকু (প্রায় ২৫ সেন্টিমিটার)।
উদ্ধারের পর আশপাশের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও কেউ এসব ককটেল বা অস্ত্রের মালিকানা কিংবা উৎস সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে পারেননি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো সন্ত্রাসী চক্র আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে নাশকতার উদ্দেশ্যে এগুলো ওই স্থানে মজুদ করে রেখেছিল।
র্যাব জানিয়েছে, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্তাধীন রয়েছে।
উদ্ধার হওয়া ককটেল সদৃশ বস্তু ও দেশীয় অস্ত্র পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাধারণ ডায়েরি (জিডি) মূলে রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


















