ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

জমি–বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগ

মোঃ সাদিকুল ইসলাম  জেলা প্রতিনিধি,বগুড়া
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:১৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২৮ বার পঠিত
বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া ইউনিয়নের শিকারপুর মধ্যপাড়ায় জমিজমা–সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক পরিবারের ওপর হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার ১০ জনকে আসামি করে সদর থানায় লিখিত অভিযোগ (এজাহার) দায়ের করেছে। ঘটনাটি ঘটে গত ২৩ নভেম্বর বিকেল চারটার দিকে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে আসামিরা প্রথমে ২১ নভেম্বর ভুক্তভোগী পরিবারের বাঁশঝাড়ে অনধিকার প্রবেশ করে প্রায় ৩০টি বাঁশ কেটে নেয়। এতে বাধা দিতে গেলে পরিবারের নারী সদস্যদের ওপর লাঠিপেটা চালানো হয়। এতে আহত হন আছিয়া বেগম (৪৮)। পরে তাঁকে শজিমেক হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়।
পরিবারটির অভিযোগ, ঘটনার দুই দিন পর ২৩ নভেম্বর বিকেলে আসামিরা লাঠি, বাটাম, ধারালো অস্ত্র ও কেরোসিন ভর্তি গ্যালন নিয়ে তাঁদের বসতবাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় ঘরের দরজা ভেঙে বিভিন্ন কক্ষে প্রবেশ করে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে পরিবারের সদস্যরা প্রাণে রক্ষা পেলেও পুড়ে যায় ঘরের আসবাবপত্র, পোশাক, চাল–ধানসহ বিভিন্ন মালামাল। পরিবারটির দাবি, অগ্নিসংযোগে প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, বিবাদীরা আগুন লাগানোর আগে তাদের কাঠের আলমারি ভেঙে ব্যবসার জন্য সংরক্ষিত ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, আরেক কক্ষ থেকে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। পাশাপাশি ভুক্তভোগীর দুই ছেলের বাড়িতে প্রবেশ করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগও করা হয়েছে। ঘটনার সময় প্রতিবেশী ফারুক পাইকার, আবু বক্কর পাইকার ও নূর ইসলাম পাইকারসহ কয়েকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে উল্লেখ রয়েছে।
স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, বিবাদী খোকন ও সোহেল আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং এর আগে জুলাই বিপ্লব মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন। খোকন বাংলাদেশ তথ্য প্রযুক্তি লীগ বগুড়া জেলা শাখার সহসভাপতি এবং সোহেল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপ–দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেছে, তাঁদের নেতৃত্বেই হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা সংঘটিত হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

জমি–বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:১৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া ইউনিয়নের শিকারপুর মধ্যপাড়ায় জমিজমা–সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক পরিবারের ওপর হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার ১০ জনকে আসামি করে সদর থানায় লিখিত অভিযোগ (এজাহার) দায়ের করেছে। ঘটনাটি ঘটে গত ২৩ নভেম্বর বিকেল চারটার দিকে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে আসামিরা প্রথমে ২১ নভেম্বর ভুক্তভোগী পরিবারের বাঁশঝাড়ে অনধিকার প্রবেশ করে প্রায় ৩০টি বাঁশ কেটে নেয়। এতে বাধা দিতে গেলে পরিবারের নারী সদস্যদের ওপর লাঠিপেটা চালানো হয়। এতে আহত হন আছিয়া বেগম (৪৮)। পরে তাঁকে শজিমেক হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়।
পরিবারটির অভিযোগ, ঘটনার দুই দিন পর ২৩ নভেম্বর বিকেলে আসামিরা লাঠি, বাটাম, ধারালো অস্ত্র ও কেরোসিন ভর্তি গ্যালন নিয়ে তাঁদের বসতবাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় ঘরের দরজা ভেঙে বিভিন্ন কক্ষে প্রবেশ করে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে পরিবারের সদস্যরা প্রাণে রক্ষা পেলেও পুড়ে যায় ঘরের আসবাবপত্র, পোশাক, চাল–ধানসহ বিভিন্ন মালামাল। পরিবারটির দাবি, অগ্নিসংযোগে প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, বিবাদীরা আগুন লাগানোর আগে তাদের কাঠের আলমারি ভেঙে ব্যবসার জন্য সংরক্ষিত ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, আরেক কক্ষ থেকে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। পাশাপাশি ভুক্তভোগীর দুই ছেলের বাড়িতে প্রবেশ করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগও করা হয়েছে। ঘটনার সময় প্রতিবেশী ফারুক পাইকার, আবু বক্কর পাইকার ও নূর ইসলাম পাইকারসহ কয়েকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে উল্লেখ রয়েছে।
স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, বিবাদী খোকন ও সোহেল আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং এর আগে জুলাই বিপ্লব মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন। খোকন বাংলাদেশ তথ্য প্রযুক্তি লীগ বগুড়া জেলা শাখার সহসভাপতি এবং সোহেল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপ–দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেছে, তাঁদের নেতৃত্বেই হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা সংঘটিত হয়।