আতঙ্কে এলাকাবাসী
জলাতঙ্ক রোগ প্রতিষেধক ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:১২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
- / ২৬ বার পঠিত

চাটখিল (নোয়াখালী) প্রতিনিধি: নোয়াখালীর চাটখিল ও সোনাইমুড়ী উপজেলায় জলাতঙ্ক রোগ প্রতিষেধক ভ্যাকসিন রেবিক্স বিসি ও রেবিবেক্স নামক ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না। ভ্যাকসিনের অভাবে কুকুর, বিড়ালের আক্রমনের শিকার লোকজন ভ্যাকসিন না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। অনেকে ঢাকা ও চট্টগ্রামে ভ্যাকসিনের জন্য ছুটাছুটি করছে। প্রতিদিন কুকুর ও বিড়ালের আক্রমণের শিকার লোকজন সরকারি হাসপাতাল সহ বিভিন্ন ঔষধের দোকানে খোঁজাখুঁজি করেও ভ্যাকসিন পাচ্ছেন না।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চাটখিল পৌরসভার পল্লী চিকিৎসক নূর হোসেন পলাশের ছেলে রিজন হোসেন (১৪) গত ৩ জানুয়ারি কুকুরের আক্রমণের শিকার হয়। গত ৪ জানুয়ারি নোয়াখলা গ্রামের রিকশা চালক নুরুল আলম (৩০) কে কুকুর কামড় দেয়। এখনো তারা ভ্যাকসিন দিতে পারেনি। এছাড়া চাটখিল ও সোনাইমুড়ীতে আরো অনেকেই কুকুর ও বিড়ালের আক্রমণের শিকার হয়েছে। ভ্যাকসিন না পেয়ে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করছে।
ক্যামিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির চাটখিল উপজেলার সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন রিপন জানান, প্রতিদিন ১০/১২ জন ভ্যাকসিনের খোঁজে আসে। ভ্যাকসিন না পেয়ে নিরুপায় হয়ে চলে যাচ্ছে।
চাটখিল উপজেলার ইনসেপ্টা কোম্পানির এরিয়া ম্যানেজার নুরুল আমিন জানান, গত কয়েক মাস আগে তাদের কোম্পানির ৩ লাখ ভ্যাকসিন সরকারকে দিয়েছে। বাজারে সরবরাহ করার মতো ভ্যাকসিন মজুত নেই, তাই সংকট দেখা দিয়েছে। চাটখিল উপজেলার পপুলার কোম্পানির এরিয়া ম্যানেজার আবদুল আলীম জানান, প্রয়োজনীয় কাঁচামালের অভাবে তাদের কোম্পানির ভ্যাকসিন উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। তবে কিছুদিনের মধ্যে উৎপাদন শুরু করতে পারবে বলে আসা করা যাচ্ছে।
চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: খন্দকার মোশতাক আহমেদ ও সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: নুসরাত জাহান জানান, গত কয়েক মাস ধরে ভ্যাকসিন না আসার কারণে এই সংকট দেখা দিয়েছে।
নোয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন ডা: মরিয়ম সানি জানান, এই ব্যাপারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেছেন। তিনি আশাবাদী খুব তাড়াতাড়ি ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে।



















