ঢাকা, বাংলাদেশ। , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
মৌলভীবাজার-৩ আসন

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে বাঁধায় অবরুদ্ধ

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:০৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৭৮ বার পঠিত
  নিজস্ব প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মন্নানকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করার জন্য তার নিজ বাড়িতে অবরুদ্ধ করা হয়েছে। রাজনগর উপজেলার দত্তগ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ওই আসনে ১০ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে খেলাফত মজলিসের আহমদ বেলালকে সম্প্রতি মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে এলাকার সাধারণ মানুষ এবং জামায়াতের তৃণমূল নেতা-কর্মীরা মঙ্গলবার সকাল থেকে আব্দুল মন্নানকে তার নিজ বাড়িতে আটকে রাখেন। এদের উদ্দেশ্য ছিল, প্রার্থী যাতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে না পারেন।
অবরুদ্ধকারীরা জানান,“আমরা দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল মন্নানের সঙ্গে কাজ করেছি। তিনি যদি এখন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন, তাহলে আমরা কাকে ভোট দেব? এজন্য তাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে আসতে দেওয়া হবে না।”
জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল মন্নানের ছেলে ডা. তানভীর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “আমার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকার বাসিন্দা ও কর্মীদের সঙ্গে কাজ করছেন। তাই সকাল থেকে সাধারণ মানুষ বাবাকে বাড়িতে আটকিয়ে রেখেছে। এখানে জামায়াতের কোনো নেতা উপস্থিত নেই, সবাই স্থানীয় বাসিন্দা এবং বাবার কর্মী।”
স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, ১০ দলীয় জোট থেকে আহমদ বেলালের মনোনয়ন ঘোষণার পর জামায়াতের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের বক্তব্য, দলের মনোনীত প্রার্থীকে সরিয়ে নতুন প্রার্থী আনায় জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ণ হয়েছে।
জানা গেছে, এলাকার মানুষ মনে করছেন, আব্দুল মন্নান দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কার্যক্রমে সক্রিয় এবং এলাকার উন্নয়নে অবদান রেখেছেন। তাই তারা চান, তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুন। এর সঙ্গে সঙ্গে তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, নির্বাচনে তার পাশে থাকবেন এবং তার কার্যক্রমকে সমর্থন জানাবেন।
ডা. তানভীর আরও বলেন,“এটি সম্পূর্ণ স্থানীয় উদ্যোগ। এলাকার মানুষ নিজের ইচ্ছা ও সমর্থনের জন্য এটি করেছে। নির্বাচনের আগে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার হওয়া উচিত নয়—এটি আমাদের জনগণের বক্তব্য।”
এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এলাকায় এমন অবরোধমূলক ঘটনা স্থানীয় রাজনৈতিক উত্তেজনা ও দলের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্যের প্রতিফলন। তারা বলেন, এটি নির্বাচনী পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে, তাই নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

মৌলভীবাজার-৩ আসন

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে বাঁধায় অবরুদ্ধ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:০৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  নিজস্ব প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মন্নানকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করার জন্য তার নিজ বাড়িতে অবরুদ্ধ করা হয়েছে। রাজনগর উপজেলার দত্তগ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ওই আসনে ১০ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে খেলাফত মজলিসের আহমদ বেলালকে সম্প্রতি মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে এলাকার সাধারণ মানুষ এবং জামায়াতের তৃণমূল নেতা-কর্মীরা মঙ্গলবার সকাল থেকে আব্দুল মন্নানকে তার নিজ বাড়িতে আটকে রাখেন। এদের উদ্দেশ্য ছিল, প্রার্থী যাতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে না পারেন।
অবরুদ্ধকারীরা জানান,“আমরা দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল মন্নানের সঙ্গে কাজ করেছি। তিনি যদি এখন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন, তাহলে আমরা কাকে ভোট দেব? এজন্য তাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে আসতে দেওয়া হবে না।”
জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল মন্নানের ছেলে ডা. তানভীর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “আমার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকার বাসিন্দা ও কর্মীদের সঙ্গে কাজ করছেন। তাই সকাল থেকে সাধারণ মানুষ বাবাকে বাড়িতে আটকিয়ে রেখেছে। এখানে জামায়াতের কোনো নেতা উপস্থিত নেই, সবাই স্থানীয় বাসিন্দা এবং বাবার কর্মী।”
স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, ১০ দলীয় জোট থেকে আহমদ বেলালের মনোনয়ন ঘোষণার পর জামায়াতের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের বক্তব্য, দলের মনোনীত প্রার্থীকে সরিয়ে নতুন প্রার্থী আনায় জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ণ হয়েছে।
জানা গেছে, এলাকার মানুষ মনে করছেন, আব্দুল মন্নান দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কার্যক্রমে সক্রিয় এবং এলাকার উন্নয়নে অবদান রেখেছেন। তাই তারা চান, তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুন। এর সঙ্গে সঙ্গে তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, নির্বাচনে তার পাশে থাকবেন এবং তার কার্যক্রমকে সমর্থন জানাবেন।
ডা. তানভীর আরও বলেন,“এটি সম্পূর্ণ স্থানীয় উদ্যোগ। এলাকার মানুষ নিজের ইচ্ছা ও সমর্থনের জন্য এটি করেছে। নির্বাচনের আগে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার হওয়া উচিত নয়—এটি আমাদের জনগণের বক্তব্য।”
এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এলাকায় এমন অবরোধমূলক ঘটনা স্থানীয় রাজনৈতিক উত্তেজনা ও দলের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্যের প্রতিফলন। তারা বলেন, এটি নির্বাচনী পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে, তাই নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।