ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
তাজা খবর
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
গ্রামীণ আবহ আর কারুপণ্যের সম্ভার নিয়ে চলছে বৈশাখী মেলা
কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে মারা গেছেন
বরেণ্য গীতিকবি,সুরকার,লেখক ও সংগীত গুরু ইউনুস আলী মোল্লার
স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে মাদারীপুরে ৩০ শিক্ষার্থী অসুস্থ
প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন
জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে সশস্ত্র হামলা

সাদিকুল ইসলাম, বগুড়া
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:২৪:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
- / ৪৮ বার পঠিত

সাদিকুল ইসলাম, বগুড়া: বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা শাহাদাতুজ্জামানের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে পূর্বপরিকল্পিত সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন জামায়াতের অন্তত তিনজন নেতাকর্মী। হামলার প্রতিবাদ ও দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বগুড়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক ইউনিয়নের উত্তর বেলাই গ্রামে অবস্থিত জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে একদল দাঙ্গাবাজ ও ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী কার্যক্রমে নিয়োজিত নেতাকর্মীদের ওপর বর্বরভাবে আক্রমণ করে।
এতে জামায়াতে ইসলামীর কিচক ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সভাপতি মো. শাহ জালাল, সমর্থক মো. রশিদুল ইসলাম ও মো. আবু তাহের গুরুতর আহত হন। তাদের মাথা, হাত ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক জখম করা হয়। একপর্যায়ে শাহ জালালকে গলা চেপে হত্যার চেষ্টা চালানো হয় বলেও অভিযোগ করা হয়।
এছাড়া হামলাকারীরা নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করে নগদ অর্থ ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।
ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনার পরপরই পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে অবহিত হন।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত নেতারা অভিযোগ করে বলেন, আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে শিবগঞ্জ থানায় এজাহার দায়ের করা হলেও এখন পর্যন্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। এতে জনমনে চরম উদ্বেগ ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন কোনো বিশেষ রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে কি না—সে প্রশ্নও তুলেছেন তারা।
নেতারা বলেন, এ ধরনের হামলা গণতন্ত্র, সুষ্ঠু নির্বাচন এবং আইনের শাসনের জন্য মারাত্মক হুমকি। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্ট করে পরিকল্পিতভাবে বিরোধী প্রার্থীর নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ এবং রাজনৈতিক সন্ত্রাসের নগ্ন বহিঃপ্রকাশ।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। একই সঙ্গে হামলার সঙ্গে জড়িত সকল আসামিকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার, আহতদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন মো. মোফাজ্জল হোসেন, বাদী ও আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, কিচক ইউনিয়ন, শিবগঞ্জ, বগুড়া।























