ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ০২ মে ২০২৬

জামালপুরে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর ফাঁসি ও জরিমানা

আব্দুল আওয়াল, জামালপুর জেলা
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:২১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • / ৮৫ বার পঠিত
আব্দুল আওয়াল, জামালপুর জেলা:  জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বেলুয়ার চরে স্ত্রীকে হত্যা করার দায়ে স্বামী আমিনুল ইসলাম (২৭)-কে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৩০ মার্চ ২০২৬) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নিহত সুজনা আক্তার (২৩)-এর সঙ্গে ২০১৮ ইং এ পারিবারিক ভাবে আমিনুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় যৌতুক হিসেবে ৮০ হাজার টাকা দেওয়া হলেও পরবর্তীতে আরও ২০ হাজার টাকার দাবিতে সুজনাকে প্রায়ই শারীরিক নির্যাতন করা হতো।
ঘটনার দিন সুজনার বাবা সুরুজ মিয়া (৫৫) মোবাইল ফোনে খবর পান যে, তার মেয়েকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বকশীগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে শেরপুর সদর হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন।
২০২২ সালের ২৫ মার্চ শেরপুর সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে সুজনা আক্তার মারা যান।
তদন্তে উঠে আসে, স্বামী আমিনুল ইসলাম নিয়মিত মারধর করতেন এবং ঘটনার দিন পেটে লাথি মারলে সুজনা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন, যা শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যুর কারণ হয়।
এ ঘটনায় সুরুজ মিয়া বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি ও ১৩ জনের সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এই দণ্ড প্রদান করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি ফজলুল হক রায়কে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

জামালপুরে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর ফাঁসি ও জরিমানা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:২১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
আব্দুল আওয়াল, জামালপুর জেলা:  জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বেলুয়ার চরে স্ত্রীকে হত্যা করার দায়ে স্বামী আমিনুল ইসলাম (২৭)-কে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৩০ মার্চ ২০২৬) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নিহত সুজনা আক্তার (২৩)-এর সঙ্গে ২০১৮ ইং এ পারিবারিক ভাবে আমিনুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় যৌতুক হিসেবে ৮০ হাজার টাকা দেওয়া হলেও পরবর্তীতে আরও ২০ হাজার টাকার দাবিতে সুজনাকে প্রায়ই শারীরিক নির্যাতন করা হতো।
ঘটনার দিন সুজনার বাবা সুরুজ মিয়া (৫৫) মোবাইল ফোনে খবর পান যে, তার মেয়েকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বকশীগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে শেরপুর সদর হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন।
২০২২ সালের ২৫ মার্চ শেরপুর সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে সুজনা আক্তার মারা যান।
তদন্তে উঠে আসে, স্বামী আমিনুল ইসলাম নিয়মিত মারধর করতেন এবং ঘটনার দিন পেটে লাথি মারলে সুজনা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন, যা শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যুর কারণ হয়।
এ ঘটনায় সুরুজ মিয়া বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি ও ১৩ জনের সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এই দণ্ড প্রদান করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি ফজলুল হক রায়কে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।