ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

জামালপুর সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী মসিউর রহমান

সৈয়দ মুনিরুল হক নোবেল
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:১৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১ বার পঠিত
সৈয়দ মুনিরুল হক নোবেল:   জামালপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের জন্য সাবেক সফল ভাইস চেয়ারম্যান কাজী মসিউর রহমান একজন উপযুক্ত প্রার্থী বলে মনে করেন, জামালপুর সদর উপজেলাবাসী সুশীল সমাজের লোকজন। বিভিন্ন শ্রেণি পেশার সুশীল সমাজের লোকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপি নেতা কাজী মসিউর রহমান একজন বিশিষ্ট সমাজ সেবক, ত্যাগী ও কারা নির্যাতিত পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামালপুর সদর উপজেলাবাসী সাধারণ জনগণ। এদিকে বিএনপি নেতা কাজী মসিউর রহমান জনগণের ডাকে সাড়া দিয়ে সংশ্লিষ্ট সবার কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন । তাকে নিয়ে ইতোমধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আশার আলো দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে তিনি জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য এবং ওলামা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সদস্য হিসেবে দায়িত্বরত। এদিকে তিনি জামালপুর সদর উপজেলার জামতলা মির্জাপুর দাখিল মাদরাসার সুপার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি জামালপুর পৌর সভার ৬ ও ৮নং ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী)।
এদিকে বোদ্ধা মহলের ধারণা জামালপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করলে তিনি বিজয়ের লাল সূর্য ছিনিয়ে আনতে পারবেন। কেননা তিনি জামালপুর সদর উপজেলাবাসীর কাছে অত্যন্ত পরিচিত মুখ। শুধু তাই নয় তিনি শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোট জামালপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, জামালপুর জেলা জমিয়াতুল মোদার্রেসিন (মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতি) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় জমিয়াতুল মোদার্রেসিন (মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতি)র সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক, জামালপুর জেলা নিকাহ্ রেজিষ্টার (কাজী) সমিতির সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় নিকাহ্ রেজিষ্টার (কাজী) সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদেও দায়িত্ব পালন করছেন।
আরও জানা যায়, জামালপুর  সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা, দলকে শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে তিনি ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছেন।  এ ছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে ইতোমধ্যে তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গেও তার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে।রাজনীতির পাশাপাশি এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা, সামাজিক কার্যক্রম ও মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার কারণে তিনি ইতোমধ্যে একজন জনপ্রিয় জননেতা হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরাও মনে করেন, দল যদি তাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে তিনি ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন করে বিজয় ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হবেন। তাদের ভাষ্য, মাঠ পর্যায়ে তার জনপ্রিয়তা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা তাকে অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি এগিয়ে রেখেছে। ২০১৪ সালে তিনি বিপুল ভোটে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন।
রাজনৈতিক সুত্রে জানা যায়,  ১৯৮৭ সালে বেগম খালেদা জিয়া তিস্তা ব্যরেজ পরিদর্শনে আসলে সেই অনুষ্ঠানে দেওয়ানগঞ্জ আলিয়া মাদরাসা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ফুলের তোড়া দিয়ে ছাত্রদলে যোগদানের মধ্য দিয়ে রাজনীতির হাতে খড়ি হয় তার।  ১৯৮৭ সালে তিনি আলিয়া মাদরাসা ছাত্র সংসদের সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে জামালপুর সদর উপজেলার ৬নং নরুন্দি ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি, ১৯৯০ সালে সদর উপজেলা যুবদলের সহ-সভাপতি, ১৯৯৫ সালে উপজেলা যুবদলের আহবায়ক,২০০০ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত সদর উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন কমিটিতে সহ-সভাপতি, ২০০৬ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, ২০১৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত জেলা বিএনপির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।
এ ছাড়াও ২০০২ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত জাতীয়তাবাদী ওলামা দল জামালপুর জেলা শাখার  কখনো আহবায়ক আবার কখনো সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ২০০৫ সালে ওলামাদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।  এরপর ২০১২ সালে ওলামাদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ময়মনসিংহ বিভাগের সাংগঠনিক টিমের আহ্বায়ক,২০২৫ সালে রংপুর বিভাগে সাংগঠনিক টিমের আহ্বায়ক, ২০২৬ সালে ময়মনসিংহ বিভাগের সাংগঠনিক টিমের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।  দলের প্রত্যেকটি আন্দোলন- সংগ্রামে প্রথম সারিতে অবস্থান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছেন এই মাঠের নেতা। আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি আওয়ামীলীগ সরকারের সময়ে একাধিক বার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মামলায় গ্রেফতার হয়ে হাজত বাস করেছেন। অন্যায়ভাবে স্বৈরাচার সরকারের দায়েরকৃত ১০টি মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন তিনি।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে ঘিরে আলোচনা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। অনেকেই তাকে আগামী দিনে জামালপুর  সদর উপজেলার উন্নয়নে কার্যকর নেতৃত্ব দিতে সক্ষম বলে মত প্রকাশ করছেন। এ বিষয়ে জামালপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দোয়াপ্রার্থী কাজী মসিউর রহমান জানান, নির্বাচিত হলে তিনি জামালপুর সদর উপজেলাকে একটি মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত এলাকায় পরিণত করার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবেন। তিনি আরও বলেন, জনগণের সহযোগিতা ও সমর্থন পেলে জামালপুর সদর উপজেলাকে একটি আধুনিক ও মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা হবে, ইনশাআল্লাহ। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে দোয়া, সমর্থন এবং সহযোগিতা কামনা করেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

জামালপুর সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী মসিউর রহমান

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:১৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সৈয়দ মুনিরুল হক নোবেল:   জামালপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের জন্য সাবেক সফল ভাইস চেয়ারম্যান কাজী মসিউর রহমান একজন উপযুক্ত প্রার্থী বলে মনে করেন, জামালপুর সদর উপজেলাবাসী সুশীল সমাজের লোকজন। বিভিন্ন শ্রেণি পেশার সুশীল সমাজের লোকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপি নেতা কাজী মসিউর রহমান একজন বিশিষ্ট সমাজ সেবক, ত্যাগী ও কারা নির্যাতিত পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামালপুর সদর উপজেলাবাসী সাধারণ জনগণ। এদিকে বিএনপি নেতা কাজী মসিউর রহমান জনগণের ডাকে সাড়া দিয়ে সংশ্লিষ্ট সবার কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন । তাকে নিয়ে ইতোমধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আশার আলো দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে তিনি জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য এবং ওলামা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সদস্য হিসেবে দায়িত্বরত। এদিকে তিনি জামালপুর সদর উপজেলার জামতলা মির্জাপুর দাখিল মাদরাসার সুপার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি জামালপুর পৌর সভার ৬ ও ৮নং ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী)।
এদিকে বোদ্ধা মহলের ধারণা জামালপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করলে তিনি বিজয়ের লাল সূর্য ছিনিয়ে আনতে পারবেন। কেননা তিনি জামালপুর সদর উপজেলাবাসীর কাছে অত্যন্ত পরিচিত মুখ। শুধু তাই নয় তিনি শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোট জামালপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, জামালপুর জেলা জমিয়াতুল মোদার্রেসিন (মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতি) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় জমিয়াতুল মোদার্রেসিন (মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতি)র সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক, জামালপুর জেলা নিকাহ্ রেজিষ্টার (কাজী) সমিতির সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় নিকাহ্ রেজিষ্টার (কাজী) সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদেও দায়িত্ব পালন করছেন।
আরও জানা যায়, জামালপুর  সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা, দলকে শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে তিনি ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছেন।  এ ছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে ইতোমধ্যে তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গেও তার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে।রাজনীতির পাশাপাশি এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা, সামাজিক কার্যক্রম ও মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার কারণে তিনি ইতোমধ্যে একজন জনপ্রিয় জননেতা হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরাও মনে করেন, দল যদি তাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে তিনি ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন করে বিজয় ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হবেন। তাদের ভাষ্য, মাঠ পর্যায়ে তার জনপ্রিয়তা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা তাকে অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি এগিয়ে রেখেছে। ২০১৪ সালে তিনি বিপুল ভোটে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন।
রাজনৈতিক সুত্রে জানা যায়,  ১৯৮৭ সালে বেগম খালেদা জিয়া তিস্তা ব্যরেজ পরিদর্শনে আসলে সেই অনুষ্ঠানে দেওয়ানগঞ্জ আলিয়া মাদরাসা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ফুলের তোড়া দিয়ে ছাত্রদলে যোগদানের মধ্য দিয়ে রাজনীতির হাতে খড়ি হয় তার।  ১৯৮৭ সালে তিনি আলিয়া মাদরাসা ছাত্র সংসদের সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে জামালপুর সদর উপজেলার ৬নং নরুন্দি ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি, ১৯৯০ সালে সদর উপজেলা যুবদলের সহ-সভাপতি, ১৯৯৫ সালে উপজেলা যুবদলের আহবায়ক,২০০০ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত সদর উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন কমিটিতে সহ-সভাপতি, ২০০৬ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, ২০১৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত জেলা বিএনপির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।
এ ছাড়াও ২০০২ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত জাতীয়তাবাদী ওলামা দল জামালপুর জেলা শাখার  কখনো আহবায়ক আবার কখনো সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ২০০৫ সালে ওলামাদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।  এরপর ২০১২ সালে ওলামাদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ময়মনসিংহ বিভাগের সাংগঠনিক টিমের আহ্বায়ক,২০২৫ সালে রংপুর বিভাগে সাংগঠনিক টিমের আহ্বায়ক, ২০২৬ সালে ময়মনসিংহ বিভাগের সাংগঠনিক টিমের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।  দলের প্রত্যেকটি আন্দোলন- সংগ্রামে প্রথম সারিতে অবস্থান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছেন এই মাঠের নেতা। আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি আওয়ামীলীগ সরকারের সময়ে একাধিক বার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মামলায় গ্রেফতার হয়ে হাজত বাস করেছেন। অন্যায়ভাবে স্বৈরাচার সরকারের দায়েরকৃত ১০টি মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন তিনি।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে ঘিরে আলোচনা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। অনেকেই তাকে আগামী দিনে জামালপুর  সদর উপজেলার উন্নয়নে কার্যকর নেতৃত্ব দিতে সক্ষম বলে মত প্রকাশ করছেন। এ বিষয়ে জামালপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দোয়াপ্রার্থী কাজী মসিউর রহমান জানান, নির্বাচিত হলে তিনি জামালপুর সদর উপজেলাকে একটি মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত এলাকায় পরিণত করার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবেন। তিনি আরও বলেন, জনগণের সহযোগিতা ও সমর্থন পেলে জামালপুর সদর উপজেলাকে একটি আধুনিক ও মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা হবে, ইনশাআল্লাহ। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে দোয়া, সমর্থন এবং সহযোগিতা কামনা করেছেন।