ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
পুড়ল ১০ ঘর—নিঃস্ব বহু পরিবার

ঝালকাঠির শ্মশানঘাটে ভয়াবহ আগুন

আবু জাফর বিশ্বাস, ঝালকাঠি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:৩৮:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / ২৫ বার পঠিত
আবু জাফর বিশ্বাস, ঝালকাঠি:  ঝালকাঠি শহরের শ্মশানঘাট এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে দ্রুত আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে এবং একের পর এক ঘর গ্রাস করে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ঝালকাঠি স্টেশনের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। দমকল কর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও আগুন নেভাতে অংশ নেন। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো জানায়, আগুনে তাদের ঘরের আসবাবপত্র, নগদ অর্থ ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ সবকিছু পুড়ে গেছে। এতে তারা চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং অনেকেই খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক সেলিম মিয়া জানান, দমকল বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

পুড়ল ১০ ঘর—নিঃস্ব বহু পরিবার

ঝালকাঠির শ্মশানঘাটে ভয়াবহ আগুন

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:৩৮:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
আবু জাফর বিশ্বাস, ঝালকাঠি:  ঝালকাঠি শহরের শ্মশানঘাট এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে দ্রুত আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে এবং একের পর এক ঘর গ্রাস করে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ঝালকাঠি স্টেশনের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। দমকল কর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও আগুন নেভাতে অংশ নেন। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো জানায়, আগুনে তাদের ঘরের আসবাবপত্র, নগদ অর্থ ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ সবকিছু পুড়ে গেছে। এতে তারা চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং অনেকেই খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক সেলিম মিয়া জানান, দমকল বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।