ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
হামিদার বেঁচে থাকার লড়াইয়ে পাশে থাকুন 

 ট্রাক চাপায় , থেমে গেলো হামিদার  শৈশব 

নলছিটি(ঝালকাঠি)প্রতিনিধি মো.মাহবুব তালুকদার
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:৪৯:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫
  • / ৫০ বার পঠিত
চার বছরের হামিদার এখন খেলার কথা ছিল, কাঁদার নয়।নানা বাড়ি নলছিটি কান্ডপাশা এলাকায়। স্কুলে যাওয়ার স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলো, আর এখন হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছে জীবনের তীব্র যন্ত্রণায়। ঢাকার আশুলিয়ার নারী ও শিশু হাসপাতালে তার কচি শরীরটা যন্ত্রে জর্জরিত—ট্রাকচাপায় চূর্ণ হয়ে গেছে কোমর, পা, এমনকি প্রস্রাবের থলিও ফেটে গেছে। অপারেশন ছাড়া বাঁচার কোনো পথ নেই। কিন্তু সেই টাকার সন্ধান কে দেবে?
শিশুটি তার মা জ্যোৎস্না বেগমের সঙ্গে ঢাকায় এসেছিলো একটু ভালো থাকার আশায়। মা কাজ নিয়েছিলেন একটি গার্মেন্টসে—মাত্র দুইদিন আগে। সেই গার্মেন্টসেই খোঁজ নিতে গিয়ে, পেছন থেকে সেই কারখানারই একটি ট্রাক এসে পিষে দেয় ছোট্ট হামিদাকে।
পৃথিবীর সবচেয়ে নিষ্ঠুর দৃশ্য হতে পারে হয়তো, নিজের সন্তানকে রক্তাক্ত অবস্থায় কোলে তুলে হাসপাতালে দৌঁড়ানো। কিন্তু এই দৃশ্যটাই এখন হামিদার মায়ের জীবনের বাস্তবতা।
হামিদার বাবা বছর চারেক আগে পরিবারের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করে নিখোঁজ। হামিদা তখনও জন্মায়নি। এখন তিন সন্তান নিয়ে জ্যোৎস্নার কাঁধেই সব দায়িত্ব। নেই ভাই, নেই স্বামী, নেই কোনো ভরসার মানুষ। শুধু দুই হাতে বুক চাপড়ে মেয়ের জন্য সহায়তা চেয়ে যাচ্ছেন।
চিকিৎসার ব্যয় হাজারে নয়, লাখে। অথচ দায়িত্ব পালানোর জন্য গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষ ড্রাইভারের হাতে ধরিয়ে দিয়েছে মাত্র ১৫০০ টাকা। এরপর আর কেউ খোঁজ নেয়নি। এখন এক হাতে হাসপাতালে মেয়েকে আগলে রাখছেন মা, আর দুই ভাই—রমজান (৭) ও রবিউল (৬)—পাশের বাসা থেকে খাবার এনে ছোট বোন আর মায়ের মুখে তুলে দিচ্ছে। তারাও পথ হারানোর ঝুঁকিতে।
এই শিশুদের জীবন রক্ষা করা এখন আমাদের সকলের দায়িত্ব। একটা পা ভেঙেছে ঠিকই, কিন্তু একটা জীবন যেন না ভেঙে যায়! একটু মানবতা, সামান্য সহানুভূতিই পারে ছোট্ট হামিদার জীবন ফিরিয়ে দিতে।
 সাহায্য পাঠাতে ও খোঁজ নিতে যোগাযোগ করুন:
 জ্যোৎস্না বেগম (মা): 01319-609703 (নগদ একাউন্ট সহ)
 সার্বিক তথ্য: 01715-763140
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

হামিদার বেঁচে থাকার লড়াইয়ে পাশে থাকুন 

 ট্রাক চাপায় , থেমে গেলো হামিদার  শৈশব 

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:৪৯:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫
চার বছরের হামিদার এখন খেলার কথা ছিল, কাঁদার নয়।নানা বাড়ি নলছিটি কান্ডপাশা এলাকায়। স্কুলে যাওয়ার স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলো, আর এখন হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছে জীবনের তীব্র যন্ত্রণায়। ঢাকার আশুলিয়ার নারী ও শিশু হাসপাতালে তার কচি শরীরটা যন্ত্রে জর্জরিত—ট্রাকচাপায় চূর্ণ হয়ে গেছে কোমর, পা, এমনকি প্রস্রাবের থলিও ফেটে গেছে। অপারেশন ছাড়া বাঁচার কোনো পথ নেই। কিন্তু সেই টাকার সন্ধান কে দেবে?
শিশুটি তার মা জ্যোৎস্না বেগমের সঙ্গে ঢাকায় এসেছিলো একটু ভালো থাকার আশায়। মা কাজ নিয়েছিলেন একটি গার্মেন্টসে—মাত্র দুইদিন আগে। সেই গার্মেন্টসেই খোঁজ নিতে গিয়ে, পেছন থেকে সেই কারখানারই একটি ট্রাক এসে পিষে দেয় ছোট্ট হামিদাকে।
পৃথিবীর সবচেয়ে নিষ্ঠুর দৃশ্য হতে পারে হয়তো, নিজের সন্তানকে রক্তাক্ত অবস্থায় কোলে তুলে হাসপাতালে দৌঁড়ানো। কিন্তু এই দৃশ্যটাই এখন হামিদার মায়ের জীবনের বাস্তবতা।
হামিদার বাবা বছর চারেক আগে পরিবারের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করে নিখোঁজ। হামিদা তখনও জন্মায়নি। এখন তিন সন্তান নিয়ে জ্যোৎস্নার কাঁধেই সব দায়িত্ব। নেই ভাই, নেই স্বামী, নেই কোনো ভরসার মানুষ। শুধু দুই হাতে বুক চাপড়ে মেয়ের জন্য সহায়তা চেয়ে যাচ্ছেন।
চিকিৎসার ব্যয় হাজারে নয়, লাখে। অথচ দায়িত্ব পালানোর জন্য গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষ ড্রাইভারের হাতে ধরিয়ে দিয়েছে মাত্র ১৫০০ টাকা। এরপর আর কেউ খোঁজ নেয়নি। এখন এক হাতে হাসপাতালে মেয়েকে আগলে রাখছেন মা, আর দুই ভাই—রমজান (৭) ও রবিউল (৬)—পাশের বাসা থেকে খাবার এনে ছোট বোন আর মায়ের মুখে তুলে দিচ্ছে। তারাও পথ হারানোর ঝুঁকিতে।
এই শিশুদের জীবন রক্ষা করা এখন আমাদের সকলের দায়িত্ব। একটা পা ভেঙেছে ঠিকই, কিন্তু একটা জীবন যেন না ভেঙে যায়! একটু মানবতা, সামান্য সহানুভূতিই পারে ছোট্ট হামিদার জীবন ফিরিয়ে দিতে।
 সাহায্য পাঠাতে ও খোঁজ নিতে যোগাযোগ করুন:
 জ্যোৎস্না বেগম (মা): 01319-609703 (নগদ একাউন্ট সহ)
 সার্বিক তথ্য: 01715-763140