ঢাকা , বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

ডিজিটাল নিরাপত্তা ও নাগরিক সচেতনতার গুরুত্ব

শেখ রিফান আহমেদ : ডিজিটাল প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে সহজ করেছে। ব্যাংকিং, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে দৈনন্দিন যোগাযোগ—সবখানেই ডিজিটাল মাধ্যমের ব্যবহার বেড়েছে। কিন্তু এই অগ্রগতির সঙ্গে সাইবার ঝুঁকিও দ্রুত বাড়ছে।

ফিশিং, মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণা, ভুয়া লিংক, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্যচুরি এবং পরিচয় জালিয়াতি এখন উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রযুক্তি যত বিস্তৃত হচ্ছে, ততই প্রয়োজন ডিজিটাল সচেতনতা।

প্রথমত, ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার, দ্বি-স্তর নিরাপত্তা চালু করা এবং অপরিচিত লিংকে ক্লিক না করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দ্বিতীয়ত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল নিরাপত্তা শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। শিশু-কিশোরদের অনলাইন আচরণ, গোপনীয়তা সুরক্ষা এবং সাইবার বুলিং সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।

তৃতীয়ত, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে হবে। প্রতারণার অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাইবার সক্ষমতা বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করাও সময়ের দাবি। একই সঙ্গে ডিজিটাল অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে।

ডিজিটাল বাংলাদেশকে নিরাপদ বাংলাদেশে পরিণত করতে হলে প্রযুক্তির পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। নিরাপদ ডিজিটাল সংস্কৃতি গড়ে তুলতে রাষ্ট্র, প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক—সবার সম্মিলিত দায়িত্ব রয়েছে।

লেখক : সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা

 

 

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয়

গাজীপুরের টঙ্গীতে ময়লার ভাগাড় স্থাপনের বিরুদ্ধে সুধী সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

04 August 2026

উদয়নিধিকে ‘ভালগার-নিধি’ বলে আক্রমণ টিভিকে’র

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

ডিজিটাল নিরাপত্তা ও নাগরিক সচেতনতার গুরুত্ব

সর্বশেষ পরিমার্জন : ১২:০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

শেখ রিফান আহমেদ : ডিজিটাল প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে সহজ করেছে। ব্যাংকিং, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে দৈনন্দিন যোগাযোগ—সবখানেই ডিজিটাল মাধ্যমের ব্যবহার বেড়েছে। কিন্তু এই অগ্রগতির সঙ্গে সাইবার ঝুঁকিও দ্রুত বাড়ছে।

ফিশিং, মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণা, ভুয়া লিংক, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্যচুরি এবং পরিচয় জালিয়াতি এখন উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রযুক্তি যত বিস্তৃত হচ্ছে, ততই প্রয়োজন ডিজিটাল সচেতনতা।

প্রথমত, ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার, দ্বি-স্তর নিরাপত্তা চালু করা এবং অপরিচিত লিংকে ক্লিক না করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দ্বিতীয়ত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল নিরাপত্তা শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। শিশু-কিশোরদের অনলাইন আচরণ, গোপনীয়তা সুরক্ষা এবং সাইবার বুলিং সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।

তৃতীয়ত, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে হবে। প্রতারণার অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাইবার সক্ষমতা বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করাও সময়ের দাবি। একই সঙ্গে ডিজিটাল অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে।

ডিজিটাল বাংলাদেশকে নিরাপদ বাংলাদেশে পরিণত করতে হলে প্রযুক্তির পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। নিরাপদ ডিজিটাল সংস্কৃতি গড়ে তুলতে রাষ্ট্র, প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক—সবার সম্মিলিত দায়িত্ব রয়েছে।

লেখক : সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা

 

 

Share this news as a Photo Card