ঢাকা, বাংলাদেশ। , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান: হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

অপু দাস, স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:১৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৫৮ বার পঠিত
অপু দাস, স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী: দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে নিরবচ্ছিন্ন অভিযান পরিচালনা করে আসছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। হত্যা, সন্ত্রাস, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে সংস্থাটির ধারাবাহিক তৎপরতার অংশ হিসেবে রাজশাহীর একটি আলোচিত হত্যা মামলার চার এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাত ১২টা ১০ মিনিটে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানাধীন পূর্ব চান্দুরা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। র‍্যাব-৫ সিপিএসসি ও র‍্যাব-১ সিপিএসসি’র সমন্বয়ে গঠিত একটি আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযানে অংশ নেয়। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা সন্দেহভাজনদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন—মামলার ১ নম্বর আসামি মো. মিলন ওরফে মিলু (৫২), ২ নম্বর আসামি মো. সুমন (১৯), ৩ নম্বর আসামি মো. কাওছার হোসেন (২৫) এবং ৫ নম্বর আসামি মিল্টন (৩০)। তারা রাজশাহী মহানগরীর দামকুড়া থানার খোলাবোনা নিঝুমপল্লী এলাকায় সংঘটিত বাহারুল ইসলাম (৫০) হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটের দিকে পূর্ব শত্রুতার জেরে তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে নিহত বাহারুল ইসলামের নিজ বসতবাড়িতে প্রবেশ করে। সেখানে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরপরই অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়। পরে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করা হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে। র‍্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং প্রযুক্তিনির্ভর অনুসন্ধানের মাধ্যমে গাজীপুরে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অবশেষে আটক করতে সক্ষম হয়।
র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামিরা হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র‍্যাব-৫ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ দমনে সংস্থাটি আপসহীন। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান: হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:১৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
অপু দাস, স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী: দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে নিরবচ্ছিন্ন অভিযান পরিচালনা করে আসছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। হত্যা, সন্ত্রাস, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে সংস্থাটির ধারাবাহিক তৎপরতার অংশ হিসেবে রাজশাহীর একটি আলোচিত হত্যা মামলার চার এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাত ১২টা ১০ মিনিটে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানাধীন পূর্ব চান্দুরা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। র‍্যাব-৫ সিপিএসসি ও র‍্যাব-১ সিপিএসসি’র সমন্বয়ে গঠিত একটি আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযানে অংশ নেয়। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা সন্দেহভাজনদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন—মামলার ১ নম্বর আসামি মো. মিলন ওরফে মিলু (৫২), ২ নম্বর আসামি মো. সুমন (১৯), ৩ নম্বর আসামি মো. কাওছার হোসেন (২৫) এবং ৫ নম্বর আসামি মিল্টন (৩০)। তারা রাজশাহী মহানগরীর দামকুড়া থানার খোলাবোনা নিঝুমপল্লী এলাকায় সংঘটিত বাহারুল ইসলাম (৫০) হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটের দিকে পূর্ব শত্রুতার জেরে তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে নিহত বাহারুল ইসলামের নিজ বসতবাড়িতে প্রবেশ করে। সেখানে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরপরই অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়। পরে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করা হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে। র‍্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং প্রযুক্তিনির্ভর অনুসন্ধানের মাধ্যমে গাজীপুরে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অবশেষে আটক করতে সক্ষম হয়।
র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামিরা হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র‍্যাব-৫ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ দমনে সংস্থাটি আপসহীন। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।