ঢাকা, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

তীব্র গরমে লোডশেডিং, অতিষ্ঠ জনজীবন

বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো:   একদিকে যেমন প্রকৃতির অবলীলায় তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন অপরদিকে ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুতের লোডশেডিং এ দিশেহারা খুলনাবাসী, মহানগরীসহ আশেপাশের এলাকাগুলোতে আকস্মিক ও তীব্র বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। দিন কিংবা রাত- ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। বিশেষ করে এই প্রচণ্ড গরমে শিশু ও বৃদ্ধদের স্বাস্থ্যঝুঁকি যেমন বাড়ছে, তেমনই ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কম থাকায় এই লোডশেডিংয়ের মাত্রা কিছুটা বেড়েছে। একই সাথে ওজোপাডিকো’র সূত্রে জানা গেছে, ওজোপাডিকোর আওতাধীন খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলায় গতকাল রবিবার রাত ৮টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৭৭৩ মেগাওয়াট। সেখানে বরাদ্দ পাওয়া যায় ৬৭৩ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি ছিল ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের। এরমধ্যে খুলনা অঞ্চলে ৭১ মেগাওয়াট এবং বরিশালে ২৯ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল। খুলনা মহানগরী ও জেলায় বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল সর্বোচ্চ ৩৬ মেগাওয়াট। এর আগে এদিন দুপুর ১টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৮১২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। সেখানে বরাদ্দ পাওয়া গেছে ৭৪৪ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি ৬৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। সম্পূর্ণ ঘাটতি ছিল খুলনা অঞ্চলে। বরিশালে এ সময় কোনো লোডশেডিং ছিল না। আর শুধুমাত্র খুলনায় সর্বোচ্চ ২১ মেগাওয়াট বিদ্যুতের লোডশেডিং ছিল।
স্থানীয়রা বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। লোডশেডিংয়ের এই ভয়াবহ প্রভাবে বাসা-বাড়িতে থাকা যাচ্ছে না। ফ্রিজে রাখা খাবার নষ্ট হচ্ছে। ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট আর তীব্র গরমে আইপিএস বা চার্জার ফ্যানগুলোও ঠিকমতো চার্জ হতে পারছে না। যার ফলে সাধারণ মানুষের কষ্ট আরও কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।
খুলনা অফিস গ্রিড সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (অতিঃ দায়িত্ব) মোঃ আরিফুর রহমান বলেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় বিদ্যুতের কিছুটা লোডশেডিং হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card

12 October 2026

জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

বিস্তারিত লিংক কমেন্টে |
nagorikbhabna.com
nagorikbhabna

তীব্র গরমে লোডশেডিং, অতিষ্ঠ জনজীবন

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৫:১১:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো:   একদিকে যেমন প্রকৃতির অবলীলায় তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন অপরদিকে ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুতের লোডশেডিং এ দিশেহারা খুলনাবাসী, মহানগরীসহ আশেপাশের এলাকাগুলোতে আকস্মিক ও তীব্র বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। দিন কিংবা রাত- ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। বিশেষ করে এই প্রচণ্ড গরমে শিশু ও বৃদ্ধদের স্বাস্থ্যঝুঁকি যেমন বাড়ছে, তেমনই ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কম থাকায় এই লোডশেডিংয়ের মাত্রা কিছুটা বেড়েছে। একই সাথে ওজোপাডিকো’র সূত্রে জানা গেছে, ওজোপাডিকোর আওতাধীন খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলায় গতকাল রবিবার রাত ৮টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৭৭৩ মেগাওয়াট। সেখানে বরাদ্দ পাওয়া যায় ৬৭৩ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি ছিল ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের। এরমধ্যে খুলনা অঞ্চলে ৭১ মেগাওয়াট এবং বরিশালে ২৯ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল। খুলনা মহানগরী ও জেলায় বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল সর্বোচ্চ ৩৬ মেগাওয়াট। এর আগে এদিন দুপুর ১টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৮১২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। সেখানে বরাদ্দ পাওয়া গেছে ৭৪৪ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি ৬৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। সম্পূর্ণ ঘাটতি ছিল খুলনা অঞ্চলে। বরিশালে এ সময় কোনো লোডশেডিং ছিল না। আর শুধুমাত্র খুলনায় সর্বোচ্চ ২১ মেগাওয়াট বিদ্যুতের লোডশেডিং ছিল।
স্থানীয়রা বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। লোডশেডিংয়ের এই ভয়াবহ প্রভাবে বাসা-বাড়িতে থাকা যাচ্ছে না। ফ্রিজে রাখা খাবার নষ্ট হচ্ছে। ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট আর তীব্র গরমে আইপিএস বা চার্জার ফ্যানগুলোও ঠিকমতো চার্জ হতে পারছে না। যার ফলে সাধারণ মানুষের কষ্ট আরও কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।
খুলনা অফিস গ্রিড সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (অতিঃ দায়িত্ব) মোঃ আরিফুর রহমান বলেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় বিদ্যুতের কিছুটা লোডশেডিং হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card