ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
তাজা খবর
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
দুপচাঁচিয়াতে আম গাছে মুকুলের ছড়াছড়ি মৌ মৌ গন্ধ ভরপুর

সুশান্ত মালাকার, দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:১০:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
- / ৬০ বার পঠিত

সুশান্ত মালাকার, দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় বাড়ির উঠান, সড়কের পাশ এবং বাণিজ্যিক আম বাগানের সারি সারি আম গাছে এখন শোভা পাচ্ছে সোনালি মুকুল। গাছের প্রতিটি ডালপালা মুকুলে ছেয়ে গেছে। বাতাসে ভাসছে আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধ। যেদিকে চোখ যায় গাছে গাছে এখন শুধু দৃশ্যমান সোনালী মুকুলের আভা। মুকুলের ভারে নুইয়ে পড়ার উপক্রম প্রতিটি গাছ। মৌমাছিরাও আসতে শুরু করেছে মধু আহরণে। শীতের জড়তা কাটিয়ে কোকিলের সেই সুমধুর কুহুতানে মাতাল করতে আবারও ফিরে আসছে ঋতুরাজ বসন্ত। প্রায় ৮০ শতাংশ গাছেই এসেছে মুকুল। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মৌসুমের শুরুতেই অনুকূল আবহাওয়ার কারণে বাগান ও ব্যক্তি উদ্যোগে লাগানো অধিকাংশ আমগাছে এসেছে প্রচুর মুকুল। বড় গাছের তুলনায় ছোট ও মাঝারি আকারের গাছে মুকুলের উপস্থিতি বেশি লক্ষ্য করা গেছে। মুকুলের ভারে অনেক গাছ নুইয়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে। মৌমাছিরা মধু আহরণে বাগানে ভিড় করছে, আর কোকিলের কুহুতানে মুখর হয়ে উঠছে চারপাশ।
দুপচাঁচিয়া উপজেলায় দেশি জাতের আমের পাশাপাশি গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ফজলি, খিরসা, মোহনা, রাজভোগ ও বারী-৪সহ বিভিন্ন জাতের আম চাষ হচ্ছে। এসব জাতের চাষ উপযোগী হওয়ায় স্থানীয় চাষিরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে চারা সংগ্রহ করে বাগান গড়ে তুলেছেন। এই উপজেলায় ৬টি ইউনিয়ন ও দুইটি পৌরসভার ব্যক্তিমালিকানাধীন আমগাছ, পুকুরপাড়ের গাছ এবং বাণিজ্যিকভাবে লাগানো আমগাছ রয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আম চাষিরা জানান, তাদের আম বাগানের প্রায় সব গাছে মুকুল এসেছে। ক্ষতিকারক পোকার আক্রমণ তুলনামূলক কম থাকায় এ বছর কাঙ্ক্ষিত ফলনের আশা করছেন তারা। উৎপাদিত আমের মান ভালো হওয়ায় বাজারে চাহিদাও বাড়বে বলে আশা করছেন চাষিরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা য়ায এ উপজেলায় বর্তমানে ৬০ হেক্টর জমিতে আমবাগান রয়েছে। সেই সঙ্গে এ বছর অনুকূল আবহাওয়ার কারণে বিগত বছরের তুলনায় বেশি উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে গাছে কীটনাশক প্রয়োগের প্রয়োজন খুব একটা নেই। তবে ছত্রাকজনিত রোগ প্রতিরোধে কৃষি অফিস থেকে চাষীদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
বাগান মালিক, কৃষি কর্মকর্তা ও আমচাষিরা আশা করছেন, বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর দুপচাঁচিয়াতে আমের বাম্পার ফলন হবে। বর্তমানে চাষিরা বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।


















