ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

নবীনগরে সেচ সংকট কাটিয়ে গম আবাদে নতুন সম্ভাবনা

আবু হাসান আপন, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৫৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
  • / ৩৬ বার পঠিত

আবু হাসান আপন, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া): ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় সেচ সুবিধার সীমাবদ্ধতার কারণে আগের বছরগুলোতে অনেক ইউনিয়নে জমি অনাবাদি থাকত বা বোরো আবাদ তুলনামূলক কম হতো। তবে চলতি মৌসুমে কৃষি বিভাগের উদ্যোগ, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়মিত মাঠপর্যায়ের তদারকি এবং কৃষকদের আগ্রহে গম চাষে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা গেছে।

উপজেলার শ্রীরামপুর, শিবপুর, ইব্রাহিমপুর, রছুল্লাবাদ, বড়িকান্দি, সাতমোড়া ও জিনদপুর ইউনিয়নে নতুন করে প্রায় ৫৫ হেক্টর জমিতে গম আবাদ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে বর্তমানে উপজেলায় মোট প্রায় ৪০৫ হেক্টর জমিতে গমের চাষ হচ্ছে। এর মধ্যে শাহপুর ও রতনপুর ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি গম আবাদ হয়েছে। শুধু একটি মাঠেই প্রায় ৫০ হেক্টরের বেশি জমিতে গম চাষ করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন জানান, সেচ সংকট থাকা সত্ত্বেও সময়মতো কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া, বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মাঠপর্যায়ে নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে নতুন জমি গম আবাদে আনা সম্ভব হয়েছে। ফলে কৃষকদের মধ্যেও গম চাষের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।

তিনি আরও বলেন, উচ্চফলনশীল ও রোগ সহনশীল জাত হিসেবে বারি গম-৩৩ এবং WMRI-২ ভালো ফলন দিচ্ছে। আগামী মৌসুমে উন্নত জাত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বড়িকান্দি, রতনপুর, ইব্রাহিমপুর ও শ্রীরামপুর ইউনিয়নে প্রায় ৪ টন গমের বীজ সংরক্ষণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

কৃষি কর্মকর্তারা আশা করছেন, গম চাষের এই সম্প্রসারণ কৃষকদের আয় বৃদ্ধি করবে এবং স্থানীয় খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

নবীনগরে সেচ সংকট কাটিয়ে গম আবাদে নতুন সম্ভাবনা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৫৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

আবু হাসান আপন, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া): ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় সেচ সুবিধার সীমাবদ্ধতার কারণে আগের বছরগুলোতে অনেক ইউনিয়নে জমি অনাবাদি থাকত বা বোরো আবাদ তুলনামূলক কম হতো। তবে চলতি মৌসুমে কৃষি বিভাগের উদ্যোগ, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়মিত মাঠপর্যায়ের তদারকি এবং কৃষকদের আগ্রহে গম চাষে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা গেছে।

উপজেলার শ্রীরামপুর, শিবপুর, ইব্রাহিমপুর, রছুল্লাবাদ, বড়িকান্দি, সাতমোড়া ও জিনদপুর ইউনিয়নে নতুন করে প্রায় ৫৫ হেক্টর জমিতে গম আবাদ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে বর্তমানে উপজেলায় মোট প্রায় ৪০৫ হেক্টর জমিতে গমের চাষ হচ্ছে। এর মধ্যে শাহপুর ও রতনপুর ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি গম আবাদ হয়েছে। শুধু একটি মাঠেই প্রায় ৫০ হেক্টরের বেশি জমিতে গম চাষ করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন জানান, সেচ সংকট থাকা সত্ত্বেও সময়মতো কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া, বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মাঠপর্যায়ে নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে নতুন জমি গম আবাদে আনা সম্ভব হয়েছে। ফলে কৃষকদের মধ্যেও গম চাষের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।

তিনি আরও বলেন, উচ্চফলনশীল ও রোগ সহনশীল জাত হিসেবে বারি গম-৩৩ এবং WMRI-২ ভালো ফলন দিচ্ছে। আগামী মৌসুমে উন্নত জাত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বড়িকান্দি, রতনপুর, ইব্রাহিমপুর ও শ্রীরামপুর ইউনিয়নে প্রায় ৪ টন গমের বীজ সংরক্ষণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

কৃষি কর্মকর্তারা আশা করছেন, গম চাষের এই সম্প্রসারণ কৃষকদের আয় বৃদ্ধি করবে এবং স্থানীয় খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করবে।