ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
তাজা খবর
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
নলছিটিতে শহীদ মিনার সংলগ্ন পরিত্যক্ত ডোপা বাড়ি মাদকসেবীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল!

মোঃ মাহবুব তালুকদার
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৫৩:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
- / ৭৮ বার পঠিত

নলছিটি পৌর শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত শহীদ মিনারের পাশের পরিত্যক্ত ডোপা বাড়িটি এখন মাদকসেবীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। দীর্ঘ এক যুগ ধরে এই পরিত্যক্ত ভবনটি গাঁজা ও ইয়াবা সেবনের আখড়ায় রূপ নিয়েছে। অথচ প্রশাসনের তেমন কোনো নজরদারি না থাকায় বিষয়টি দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।
প্রতিদিন দুপুর এবং সন্ধ্যার পর এই স্থানে জড়ো হয় একদল মধ্যবয়সী মাদকাসক্ত ও উঠতি বয়সী তরুণ, যাদের অনেকে আবার স্কুল-কলেজের ইউনিফর্ম পরিহিত থাকে। স্থানীয়দের দাবি, এসব তরুণ কেবল মাদক সেবনেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং তারা এলাকায় ভয়ভীতি প্রদর্শন, মারামারি এবং ছিনতাইয়ের মতো অপরাধেও জড়িয়ে পড়ছে।বিশেষ করে ৫ আগস্টের আগের ও পরের সময়গুলোতে এই স্থানটিতে মাদক কেনাবেচা ও বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড বেড়ে যায়।
লোকমুখে জানা যায়, অতীতে এই এলাকায় পথচারীদের মোবাইল ফোন, মানিব্যাগসহ অন্যান্য মূল্যবান জিনিস ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে, যা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, “বাড়িটির অবস্থান শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় হলেও দীর্ঘদিন ধরে এটি মাদকসেবীদের নিরাপদ ঘাঁটি হয়ে আছে। প্রশাসন যদি এখনই পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।”
এ প্রসঙ্গে নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুস সালাম মুঠোফোনে বলেন,
“মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। মাদকসেবীদের এই স্পটের বিষয়ে আমাদের কেউ আগে কখনো জানায়নি। আমরা যখন অভিযান পরিচালনার জন্য পৌঁছাই, তারা আগেভাগেই কৌশলে পালিয়ে যায়। তবে আমাদের অভিযান পূর্বেও ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে।”
স্থানীয়দের মতে, তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে হলে প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ জরুরি। তা না হলে সমাজে এর নেতিবাচক প্রভাব আরও গভীর হবে এবং তরুণ প্রজন্ম ধ্বংসের পথে চলে যাবে।
আরও পড়ুন:


















