ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

নাচোলে বসন্তের ছোঁয়ায় উঁকি দিচ্ছে আমের মুকুল

মোঃ আরিফুল  ইসলাম,নাচোল (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:১৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ৯৫ বার পঠিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ঋতুরাজ বসন্তের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতিতে নেমে এসেছে এক মোহনীয় পরিবর্তন।‌ এবং উঁকি দিচ্ছে মূকুলগুলো। শীতের জড়তা কাটিয়ে চারদিকে বইছে আমের মুকুলের সুবাস। উপজেলার আম গাছগুলোতে ইতোমধ্যে দেখা দিয়েছে সোনালী মুকুল, যা আম চাষীদের মনে এনে দিয়েছে আশার আলো।
নাচোল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, গত বছরের তুলনায় এবার আমগাছে আশানুরূপ মুকুল এসেছে। সবুজের কিনারায় উঁকি মারছে স্বর্ণালী আভা। চাষিরা আগাম পরিচর্যা ও ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে মুকুল রক্ষার চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে গাছের সুস্থতা বজায় রাখছেন তারা।
নাচোল উপজেলার আম চাষী সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি একজন আম ব্যবসায়ী। ভালো ফলনের জন্য গাছের পরিচর্যা করছি এবং মুকুল সতেজ রাখতে কীটনাশক ব্যবহার করছি।
উপজেলার কালইর গ্রামের আমচাষি তাজামুল হক জানান, “মুকুল আসতে শুরু করেছে, তাই কীটনাশক ব্যবহার করছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলনের আশা করছি।”
উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের গ্রামের আম চাষি আব্দুল আলিম বলেন, “বাগানের গাছগুলোর অবস্থা বেশ ভালো আছে। একটু গরম পড়লেই মুকুল আরও বাড়বে এবং আমের ফলন দ্বিগুণ হবে বলে আশা করছি।”
নাচোল উপজেলা কৃষি অফিসার সলেহ্ আকরাম বলেন, “আমের রাজধানী হিসেবে পরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা”
এবছর জেলার নাচোল উপজেলায় ৪৩৫০ হেক্টর জমিতে হচ্ছে আম চাষ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবছরও ভালো ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।  তিনি আরো জানান, কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে, কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। মুকুলের সুরক্ষায় কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক প্রয়োগের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ জেলায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সব জাতের আমি চাষ হচ্ছে। এখানকার মাটি গুনেই হিমসাগর, ল্যাংড়া, আমরুপালি, বোম্বাই ইত্যাদি যাতের আম খুব সুস্বাদু। বিশেষ করে নিয়মিত জাত ল্যাংড়া, গোপালভোগ, ফজলি, আশ্বিনা, জাতের বাগান বেশি থাকলেও গবেষণাকৃত কাটিমন, বারি-৪ তৈরি ক্ষেত্রে আগ্রহী হয়ে উঠেছে অনেকেই। সেই সঙ্গে নতুন নতুন বাগান গুলো তৈরি হচ্ছে হাইব্রিড জাতের। বারো মাস ধরে এমন বাগানো  তৈরি করছেন চাষীরা।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

নাচোলে বসন্তের ছোঁয়ায় উঁকি দিচ্ছে আমের মুকুল

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:১৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ঋতুরাজ বসন্তের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতিতে নেমে এসেছে এক মোহনীয় পরিবর্তন।‌ এবং উঁকি দিচ্ছে মূকুলগুলো। শীতের জড়তা কাটিয়ে চারদিকে বইছে আমের মুকুলের সুবাস। উপজেলার আম গাছগুলোতে ইতোমধ্যে দেখা দিয়েছে সোনালী মুকুল, যা আম চাষীদের মনে এনে দিয়েছে আশার আলো।
নাচোল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, গত বছরের তুলনায় এবার আমগাছে আশানুরূপ মুকুল এসেছে। সবুজের কিনারায় উঁকি মারছে স্বর্ণালী আভা। চাষিরা আগাম পরিচর্যা ও ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে মুকুল রক্ষার চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে গাছের সুস্থতা বজায় রাখছেন তারা।
নাচোল উপজেলার আম চাষী সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি একজন আম ব্যবসায়ী। ভালো ফলনের জন্য গাছের পরিচর্যা করছি এবং মুকুল সতেজ রাখতে কীটনাশক ব্যবহার করছি।
উপজেলার কালইর গ্রামের আমচাষি তাজামুল হক জানান, “মুকুল আসতে শুরু করেছে, তাই কীটনাশক ব্যবহার করছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলনের আশা করছি।”
উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের গ্রামের আম চাষি আব্দুল আলিম বলেন, “বাগানের গাছগুলোর অবস্থা বেশ ভালো আছে। একটু গরম পড়লেই মুকুল আরও বাড়বে এবং আমের ফলন দ্বিগুণ হবে বলে আশা করছি।”
নাচোল উপজেলা কৃষি অফিসার সলেহ্ আকরাম বলেন, “আমের রাজধানী হিসেবে পরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা”
এবছর জেলার নাচোল উপজেলায় ৪৩৫০ হেক্টর জমিতে হচ্ছে আম চাষ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবছরও ভালো ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।  তিনি আরো জানান, কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে, কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। মুকুলের সুরক্ষায় কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক প্রয়োগের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ জেলায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সব জাতের আমি চাষ হচ্ছে। এখানকার মাটি গুনেই হিমসাগর, ল্যাংড়া, আমরুপালি, বোম্বাই ইত্যাদি যাতের আম খুব সুস্বাদু। বিশেষ করে নিয়মিত জাত ল্যাংড়া, গোপালভোগ, ফজলি, আশ্বিনা, জাতের বাগান বেশি থাকলেও গবেষণাকৃত কাটিমন, বারি-৪ তৈরি ক্ষেত্রে আগ্রহী হয়ে উঠেছে অনেকেই। সেই সঙ্গে নতুন নতুন বাগান গুলো তৈরি হচ্ছে হাইব্রিড জাতের। বারো মাস ধরে এমন বাগানো  তৈরি করছেন চাষীরা।