
পিরোজপুর অফিস: পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি এ কে এম ফয়সাল আলমের বিরুদ্ধে পাঠানো অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে সংগঠনটিতে বিরোধ দেখা দিয়েছে। প্রস্তাবে স্বাক্ষর জাল, বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে স্বাক্ষর গ্রহণ ও চাপ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন কয়েকজন শিক্ষক নেতা ও সদস্য। সংশ্লিষ্টদের দেওয়া লিখিত বক্তব্য সূত্রে জানা যায়, গত ১১ অক্টোবর সভাপতির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির কাছে অনাস্থা প্রস্তাব পাঠানো হয়।
পরে সমিতির কয়েকজন শিক্ষক নেতা ও সদস্য দাবি করেন, তাঁদের কারও স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে, আবার কারও কাছ থেকে সমিতির সভার কথা বলে বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সহ-মহিলা সম্পাদক শিল্পী কর্মকারসহ কয়েকজন কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, অনাস্থা প্রস্তাবের পাশাপাশি নতুন কমিটি গঠন নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন জানিয়েছেন, নতুন কমিটি গঠনের কথা শুনলেও তিনি তাতে স্বাক্ষর করেননি।
কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্টদের যোগ্যতা যাচাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। সভাপতি এ কে এম ফয়সাল আলম তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে বিধি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক। এ ঘটনায় অনাস্থা প্রস্তাবে স্বাক্ষর গ্রহণের প্রক্রিয়া ও নতুন কমিটি গঠনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত ও কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

পিরোজপুর অফিস 













