ঢাকা, বাংলাদেশ। , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

নির্বাচনের আগের দিনেও “গণভোটের” সাথে পরিচিত না সাধারণ মানুষ

‎মো: আব্দুল হান্নান  শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:৫৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৯৯ বার পঠিত
‎২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাথে আয়োজিতব্য গণভোটের খুঁটিনাটি বিষয়, যেমন-জুলাই সনদ বা সংবিধান সংস্কারের সুনির্দিষ্ট দিকগুলো সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক অস্পষ্টতা ও ধারণার অভাব রয়েছে। যদিও এটি সাংবিধানিক সংস্কারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া, কিন্তু ভোটারদের অনেকেই এটি কেন এবং কীভাবে হবে, তা নিয়ে খুব একটা পরিচিত নন।
‎গণভোট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনের একটি আলাদা ব্যালটে “হ্যাঁ” বা “না” ভোটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে। তবে গণভোট কি ও কেন এবং এর কার্যকারিতা কি? এ সম্পর্কে তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ মানুষ পুরোপুরি অবগত নয়, যার ফলে জনমতে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। শাজাহানপুর উপজেলার কচুয়াদহ গ্রামের রাজা মিয়া বলেন, “হ্যাঁ দিলে কি হবে আর না দিলে কি হবে, সেটা তো জানি না!” উপজেলার বামুনিয়া তালপুকুর গ্রামের সেকেন্দার আলী বলেন, “হ্যাঁ-না ভোট দিতে হবে কি না? বা কিভাবে দিব? সে-সম্পর্কে এখনো জানি না।” বড়পাথার গ্রামের মুন্টু মিয়া বলেন, “হ্যাঁ জয়যুক্ত হলে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে, না জয়যুক্ত হলে আওয়ামী লীগ জয়যুক্ত হবে। তবে হ্যাঁ জয়যুক্ত হলে ৭১ কিছুটা পরাজিত হবে। আমি নিজেও গণভোট নিয়ে ধুম্রজালে রয়েছি।” মাদলা ইউনিয়নের লক্ষ্মীকোলা গ্রামের আব্দুল মাজীদ বলেন, “হ্যাঁ ভোটে কিছুটা ভালো দিক রয়েছে, কিছুটা খারাপ দিক রয়েছে। এ বিষয়ে আমি ধুম্রজালে রয়েছি।”
‎এ বিষয়ে, বগুড়া জেলার শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (UNO) এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসার হলেন মোঃ তাইফুর রহমান জানান, তৃর্ণমূল পর্যায়ে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারাভিযান চালাতে সরকারি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন ফলে সকলেই হ্যাঁ-না ভোট সম্পর্কে অবগত হয়েছে।
‎উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। ওই দিন আলাদা গোলাপি রঙের ব্যালটে ভোটাররা গণভোটে ভোট দেবেন, যেখানে সুনির্দিষ্ট করে খুব অল্প করে মাত্র চারটি বিষয় লেখা থাকবে। কিন্তু এই চারটির মধ্যে অসংখ্য জরুরি বিষয় রয়েছে সেগুলো কী, তা আরও সুস্পষ্ট করে তুলতে যে প্রচারণা দরকার ছিল, সেটি না করে কেবল ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার প্রচারণাই বেশি হয়েছে এমন সমালোচনা বাড়ছে এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

নির্বাচনের আগের দিনেও “গণভোটের” সাথে পরিচিত না সাধারণ মানুষ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:৫৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
‎২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাথে আয়োজিতব্য গণভোটের খুঁটিনাটি বিষয়, যেমন-জুলাই সনদ বা সংবিধান সংস্কারের সুনির্দিষ্ট দিকগুলো সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক অস্পষ্টতা ও ধারণার অভাব রয়েছে। যদিও এটি সাংবিধানিক সংস্কারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া, কিন্তু ভোটারদের অনেকেই এটি কেন এবং কীভাবে হবে, তা নিয়ে খুব একটা পরিচিত নন।
‎গণভোট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনের একটি আলাদা ব্যালটে “হ্যাঁ” বা “না” ভোটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে। তবে গণভোট কি ও কেন এবং এর কার্যকারিতা কি? এ সম্পর্কে তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ মানুষ পুরোপুরি অবগত নয়, যার ফলে জনমতে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। শাজাহানপুর উপজেলার কচুয়াদহ গ্রামের রাজা মিয়া বলেন, “হ্যাঁ দিলে কি হবে আর না দিলে কি হবে, সেটা তো জানি না!” উপজেলার বামুনিয়া তালপুকুর গ্রামের সেকেন্দার আলী বলেন, “হ্যাঁ-না ভোট দিতে হবে কি না? বা কিভাবে দিব? সে-সম্পর্কে এখনো জানি না।” বড়পাথার গ্রামের মুন্টু মিয়া বলেন, “হ্যাঁ জয়যুক্ত হলে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে, না জয়যুক্ত হলে আওয়ামী লীগ জয়যুক্ত হবে। তবে হ্যাঁ জয়যুক্ত হলে ৭১ কিছুটা পরাজিত হবে। আমি নিজেও গণভোট নিয়ে ধুম্রজালে রয়েছি।” মাদলা ইউনিয়নের লক্ষ্মীকোলা গ্রামের আব্দুল মাজীদ বলেন, “হ্যাঁ ভোটে কিছুটা ভালো দিক রয়েছে, কিছুটা খারাপ দিক রয়েছে। এ বিষয়ে আমি ধুম্রজালে রয়েছি।”
‎এ বিষয়ে, বগুড়া জেলার শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (UNO) এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসার হলেন মোঃ তাইফুর রহমান জানান, তৃর্ণমূল পর্যায়ে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারাভিযান চালাতে সরকারি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন ফলে সকলেই হ্যাঁ-না ভোট সম্পর্কে অবগত হয়েছে।
‎উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। ওই দিন আলাদা গোলাপি রঙের ব্যালটে ভোটাররা গণভোটে ভোট দেবেন, যেখানে সুনির্দিষ্ট করে খুব অল্প করে মাত্র চারটি বিষয় লেখা থাকবে। কিন্তু এই চারটির মধ্যে অসংখ্য জরুরি বিষয় রয়েছে সেগুলো কী, তা আরও সুস্পষ্ট করে তুলতে যে প্রচারণা দরকার ছিল, সেটি না করে কেবল ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার প্রচারণাই বেশি হয়েছে এমন সমালোচনা বাড়ছে এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।