ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

পাকুন্দিয়া থানায় ডায়রির পরেও প্রশাসনের গুরুত্ব নেই

মাহ্ফুজুল হক খান (জিকু), কিশোরগঞ্জ
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৪৫:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৩৭ বার পঠিত
মাহ্ফুজুল হক খান (জিকু), কিশোরগঞ্জ: সরাসরি সরেজমিনে গেলে নাসিমা সিদ্দিক অভিযোগ করেন আমার শশুর মৃত আব্দুল হাই এর কাছ থেকে ছোট আজলদী উচ্চ বিদ্যালয়ের হেড মাস্টার মোঃ মইনুউদ্দিন ১০০ শতাংশ জায়গা বুঝিয়ে বিদ্যালয়ের নামে রেজিস্ট্রার করে নেন, তা নাহলে স্কুল মঞ্জুর হবেনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে তাই নাসিমা খানের সহজ সরল শশুর রাজি হয়ে যান, কাগজ করে একশত শতাংশ দিয়ে দেন, তখন মাস্টার আশ্বাস দেন আমরা স্কুল মঞ্জুর হলেই আপনাদের ১০০ শতাংশ জায়গা ফেরত দিয়ে দিবো আমার উপর বিশ্বাস রাখেন। কারণ ছিল স্কুলের বর্তমান জমি ৪৬ শতাংশ হওয়াতে সরকারি নিবন্ধন হয়না, জমি নিজস্ব একশত শতাংশ জায়গা দেখাতে তার জন্য এমন চালাকি করে আমার শশুর সঙ্গে উনি বুঝতে পারেনি।
আমার শশুর জীবিত থাকতে ৫০ শতাংশ জায়গা  স্কুল কতৃপক্ষ ফেরত দেন, আমার শশুর মারা যাওয়ার পড়ে বাকী ৫০ শতাংশ জায়গা আমরা ফিসারী খনন করতে গেলে স্কুল কতৃপক্ষ বিরোধ সৃষ্টি করে এবং সন্ত্রাসী বাহিনী কয়েকজন আনোয়ার হোসেন (৩৭), লৎফর রহমান শাহানশাহ্ (৩৬). আনন্দ (২০), আরও অজ্ঞাত কয়েকজন ছিল জমিনে গেলে আমাদের উপর হামলা করে,আমাদের ছেলেদের মারধর ও জখম করে হাসপাতালে পাঠায় এই সন্ত্রাসীরা। এলাকায় বিচার সালিশ করে চেয়ারম্যান ও মেম্বার সমাধান দিতে পারিনি। নাসিমা সিদ্দিক বলেন ছেলেদের নিয়ে নিরাপত্তা হীনতাই ভোগছেন তাই সরকার ও প্রশাসনের কাছে জোর দাবি। প্রয়োজনীয় সুষ্ঠু সমাধান করে যেন দেন অচিরেই আকুতি নাছিমা খানের আকুতি।

 

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

পাকুন্দিয়া থানায় ডায়রির পরেও প্রশাসনের গুরুত্ব নেই

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৪৫:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
মাহ্ফুজুল হক খান (জিকু), কিশোরগঞ্জ: সরাসরি সরেজমিনে গেলে নাসিমা সিদ্দিক অভিযোগ করেন আমার শশুর মৃত আব্দুল হাই এর কাছ থেকে ছোট আজলদী উচ্চ বিদ্যালয়ের হেড মাস্টার মোঃ মইনুউদ্দিন ১০০ শতাংশ জায়গা বুঝিয়ে বিদ্যালয়ের নামে রেজিস্ট্রার করে নেন, তা নাহলে স্কুল মঞ্জুর হবেনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে তাই নাসিমা খানের সহজ সরল শশুর রাজি হয়ে যান, কাগজ করে একশত শতাংশ দিয়ে দেন, তখন মাস্টার আশ্বাস দেন আমরা স্কুল মঞ্জুর হলেই আপনাদের ১০০ শতাংশ জায়গা ফেরত দিয়ে দিবো আমার উপর বিশ্বাস রাখেন। কারণ ছিল স্কুলের বর্তমান জমি ৪৬ শতাংশ হওয়াতে সরকারি নিবন্ধন হয়না, জমি নিজস্ব একশত শতাংশ জায়গা দেখাতে তার জন্য এমন চালাকি করে আমার শশুর সঙ্গে উনি বুঝতে পারেনি।
আমার শশুর জীবিত থাকতে ৫০ শতাংশ জায়গা  স্কুল কতৃপক্ষ ফেরত দেন, আমার শশুর মারা যাওয়ার পড়ে বাকী ৫০ শতাংশ জায়গা আমরা ফিসারী খনন করতে গেলে স্কুল কতৃপক্ষ বিরোধ সৃষ্টি করে এবং সন্ত্রাসী বাহিনী কয়েকজন আনোয়ার হোসেন (৩৭), লৎফর রহমান শাহানশাহ্ (৩৬). আনন্দ (২০), আরও অজ্ঞাত কয়েকজন ছিল জমিনে গেলে আমাদের উপর হামলা করে,আমাদের ছেলেদের মারধর ও জখম করে হাসপাতালে পাঠায় এই সন্ত্রাসীরা। এলাকায় বিচার সালিশ করে চেয়ারম্যান ও মেম্বার সমাধান দিতে পারিনি। নাসিমা সিদ্দিক বলেন ছেলেদের নিয়ে নিরাপত্তা হীনতাই ভোগছেন তাই সরকার ও প্রশাসনের কাছে জোর দাবি। প্রয়োজনীয় সুষ্ঠু সমাধান করে যেন দেন অচিরেই আকুতি নাছিমা খানের আকুতি।