ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

পাথরঘাটায় প্রবাসী স্ত্রীকে মারধর করে টাকা-স্বর্ণালংকার লুট, ১৮ লাখ চাঁদা দাবি 

নূরুজ্জামান
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:১৭:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৫২ বার পঠিত
পাথরঘাটা (বরগুনা) সংবাদদাতা
বরগুনার পাথরঘাটায় ওমান প্রবাসী শিরিন আক্তার নামের এক নারীকে মারধর করে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে সাবেক স্বামী সুজন সরদার সেলিমের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর আবারও সালিশ ডেকে ১৮ লাখ টাকা দাবি করেন ওই স্বামী। বুধবার দুপুর ১ টার দিকে লিখিতো অভিযোগের মাধ্যমে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ভুক্তভোগী প্রবাসী নারী।
লিখিত বক্তব্যে শিরিন আক্তার জানান, ২০০১ সালে কাকচিড়া ইউনিয়নের সিংড়া বুনিয়া গ্রামের আব্দুর রব সর্দারের ছেলে সুজন সর্দার সেলিমের সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সুজন সর্দার তার স্ত্রী শিরিন আক্তারের কোন খোঁজ খবর রাখেন না। এরমধ্যে তাদের সংসারে একটি ছেলে এবং একটি মেয়ের জন্ম হয়। সংসারের কোন খোঁজ-খবর না রাখার কারণে শিরীন আক্তার ২০১৬ সালে পাড়িদেন ওমান দেশে। সেখানে তার আয় করা টাকা স্বামীর কাছে পাঠান যাতে দেশে  থাকা দুই সন্তানের ঠিকমতো খোঁজখবর রাখেন। কিন্তু স্বামী সন্তানদের কোন খোঁজ খবর না রাখায় টাকা পাঠানো বন্ধ করে দিলে স্ত্রীর প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে স্বামী সুজন সরদার সেলিম সন্তানদের শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন শুরু করেন এবং স্ত্রী শিরিন আক্তারকে মুঠো ফোনে অশ্লীল ভাষায় গাল-মন্দ করেন ও বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিতে থাকেন। পরে গত ৪ এপ্রিল দেশে এসে স্বামীকে রেজিস্ট্রি করে তালাক দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১০ এপ্রিল রাতে সুজন সরদার সেলিম তার দলবল নিয়ে বাড়িতে হামলা করে ২ ভরি স্বর্ণালংকার এবং নগদ ৫০ হাজার লুট করে নিয়ে যান। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে সালিশ মীমাংসায় বসলে সেখানেও ১৮ লাখ টাকা দাবি করেন। এখানে আবারো মারধর করলে সরকারি পুলিশ সেবা ৯৯৯ কল করলে পাথরঘাটা থানা পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। এ ঘটনার পরে শিরীন আক্তার পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। বর্তমান সময়েও বিভিন্ন লোকজন দিয়ে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। এ থেকে বাঁচার জন্য এবং সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য তিনি সাংবাদিকদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
শিরিন আক্তারের মেয়ে রুমি আক্তার জানান, তার মা প্রবাসে যাওয়ার পর থেকেই তার বাবা তাদেরকে শারীরিক এবং মানসিক কষ্টের মধ্যে রাখত। বাবা খোঁজ খবর না নেয়ায় তাদেরকে নানার বাড়িতে থাকতে হয়েছে। এখন তার মা বিদেশ থেকে আসার পরেও তাকে বিভিন্ন রকমের হয়রানি করছে। আমরা এর একটি সুষ্ঠু সমাধান চাই।
স্থানীয় গ্রাম পুলিশ আল আমিন জানান, দুই পক্ষকে নিয়ে শালিসের মাধ্যমে মিটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে মারধরের ঘটনা ঘটছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুজন সরদার সেলিম সালিশের কথা স্বীকার করলেও টাকা এবং হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে মুঠোফোনে জানান, তিনি কোন চাঁদা দাবি করেননি, যখন প্রবাসে গেছে তখন যেই টাকা দিয়েছেন সেই টাকা ফেরত চেয়েছেন।
পাথরঘাটা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মেহেদী হাসান জানান, সম্প্রতি ৯৯৯ থেকে আমাদেরকে জানান এক নারীকে মারধর করছে। ঘটনা শোনার পরেই পাথরঘাটা থানা পুলিশ গিয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পাথরঘাটায় ইউএনওর বদলীর আদেশ প্রত্যাহারে মানববন্ধন
 পাথরঘাটা (বরগুনা) সংবাদদাতা
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রোকনুজ্জামান খানের বদলির আদেশ প্রত্যাহার ও কর্মস্থলে পুনর্বহালের দাবিতে তৃতীয় দিনেরমতো মানববন্ধন করেছে রাজণীতিদি, জেলে, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ উপজেলার সাধারন জনগন। বুধবার সকাল ১১ টার সময় পাথরঘাটা আবুসাইদ চত্তরে (গোল চত্তর) এ কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় তাঁরা ইউএনওর বদলির আদেশ প্রত্যাহার করে পুনর্বহালের দাবি জানান এবং যদি না করা হয় তাহলে এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, জেলে শ্রমিক, শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীসহ বিভিন্ন সামাজিক সংস্থার কর্মীরা।
বক্তারা বলেন, বর্তমান ইউএনও মো. রোকনুজ্জামান খান পাথরঘাটা উপজেলায় আসার পর থেকে উপজেলা পরিষদের অন্তর্গত নানামুখী কাজ স্বচ্ছভাবে হয়েছে। দুর্নীতি এবং চাদাবাজী বন্দ করতে সক্ষম হয়েছে এবং তার অফিসরুমে সবসময় যেকোনো সাধারণ মানুষ ঢুকে কথা বলার সুযোগ পেয়েছে। তারা বলেন, আমরা জানি তিনি চিরকাল এই উপজেলায় থাকবেন না। তার পরেও যে সকল প্রকল্প তিনি হাতে নিয়েছেন তা বাস্তবায়ন করার জন্য আরো কিছু দিন এ উপজেলায় তার থাকা উচিৎ বলে তারা মনে করেন। তাই তার বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান। অন্যথায় মহাসড়ক অবরোধসহ আরও কঠিন কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন বলে হুশিয়ারি দেন।
উল্লেখ্য, গত ১০ এপ্রিল বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. সোহরাব হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান খানকে পাশ^বর্তী জেলা পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই ইউএনওর বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে পাথরঘাটা উপজেলার বাসিন্ধাদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। ইতমধ্যে তারা সামাজিক যোগাযোগরে মাধ্যম ফেসবুকে তার বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে ঝড় তুলেছেন।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

পাথরঘাটায় প্রবাসী স্ত্রীকে মারধর করে টাকা-স্বর্ণালংকার লুট, ১৮ লাখ চাঁদা দাবি 

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:১৭:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫
পাথরঘাটা (বরগুনা) সংবাদদাতা
বরগুনার পাথরঘাটায় ওমান প্রবাসী শিরিন আক্তার নামের এক নারীকে মারধর করে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে সাবেক স্বামী সুজন সরদার সেলিমের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর আবারও সালিশ ডেকে ১৮ লাখ টাকা দাবি করেন ওই স্বামী। বুধবার দুপুর ১ টার দিকে লিখিতো অভিযোগের মাধ্যমে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ভুক্তভোগী প্রবাসী নারী।
লিখিত বক্তব্যে শিরিন আক্তার জানান, ২০০১ সালে কাকচিড়া ইউনিয়নের সিংড়া বুনিয়া গ্রামের আব্দুর রব সর্দারের ছেলে সুজন সর্দার সেলিমের সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সুজন সর্দার তার স্ত্রী শিরিন আক্তারের কোন খোঁজ খবর রাখেন না। এরমধ্যে তাদের সংসারে একটি ছেলে এবং একটি মেয়ের জন্ম হয়। সংসারের কোন খোঁজ-খবর না রাখার কারণে শিরীন আক্তার ২০১৬ সালে পাড়িদেন ওমান দেশে। সেখানে তার আয় করা টাকা স্বামীর কাছে পাঠান যাতে দেশে  থাকা দুই সন্তানের ঠিকমতো খোঁজখবর রাখেন। কিন্তু স্বামী সন্তানদের কোন খোঁজ খবর না রাখায় টাকা পাঠানো বন্ধ করে দিলে স্ত্রীর প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে স্বামী সুজন সরদার সেলিম সন্তানদের শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন শুরু করেন এবং স্ত্রী শিরিন আক্তারকে মুঠো ফোনে অশ্লীল ভাষায় গাল-মন্দ করেন ও বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিতে থাকেন। পরে গত ৪ এপ্রিল দেশে এসে স্বামীকে রেজিস্ট্রি করে তালাক দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১০ এপ্রিল রাতে সুজন সরদার সেলিম তার দলবল নিয়ে বাড়িতে হামলা করে ২ ভরি স্বর্ণালংকার এবং নগদ ৫০ হাজার লুট করে নিয়ে যান। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে সালিশ মীমাংসায় বসলে সেখানেও ১৮ লাখ টাকা দাবি করেন। এখানে আবারো মারধর করলে সরকারি পুলিশ সেবা ৯৯৯ কল করলে পাথরঘাটা থানা পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। এ ঘটনার পরে শিরীন আক্তার পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। বর্তমান সময়েও বিভিন্ন লোকজন দিয়ে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। এ থেকে বাঁচার জন্য এবং সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য তিনি সাংবাদিকদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
শিরিন আক্তারের মেয়ে রুমি আক্তার জানান, তার মা প্রবাসে যাওয়ার পর থেকেই তার বাবা তাদেরকে শারীরিক এবং মানসিক কষ্টের মধ্যে রাখত। বাবা খোঁজ খবর না নেয়ায় তাদেরকে নানার বাড়িতে থাকতে হয়েছে। এখন তার মা বিদেশ থেকে আসার পরেও তাকে বিভিন্ন রকমের হয়রানি করছে। আমরা এর একটি সুষ্ঠু সমাধান চাই।
স্থানীয় গ্রাম পুলিশ আল আমিন জানান, দুই পক্ষকে নিয়ে শালিসের মাধ্যমে মিটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে মারধরের ঘটনা ঘটছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুজন সরদার সেলিম সালিশের কথা স্বীকার করলেও টাকা এবং হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে মুঠোফোনে জানান, তিনি কোন চাঁদা দাবি করেননি, যখন প্রবাসে গেছে তখন যেই টাকা দিয়েছেন সেই টাকা ফেরত চেয়েছেন।
পাথরঘাটা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মেহেদী হাসান জানান, সম্প্রতি ৯৯৯ থেকে আমাদেরকে জানান এক নারীকে মারধর করছে। ঘটনা শোনার পরেই পাথরঘাটা থানা পুলিশ গিয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পাথরঘাটায় ইউএনওর বদলীর আদেশ প্রত্যাহারে মানববন্ধন
 পাথরঘাটা (বরগুনা) সংবাদদাতা
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রোকনুজ্জামান খানের বদলির আদেশ প্রত্যাহার ও কর্মস্থলে পুনর্বহালের দাবিতে তৃতীয় দিনেরমতো মানববন্ধন করেছে রাজণীতিদি, জেলে, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ উপজেলার সাধারন জনগন। বুধবার সকাল ১১ টার সময় পাথরঘাটা আবুসাইদ চত্তরে (গোল চত্তর) এ কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় তাঁরা ইউএনওর বদলির আদেশ প্রত্যাহার করে পুনর্বহালের দাবি জানান এবং যদি না করা হয় তাহলে এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, জেলে শ্রমিক, শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীসহ বিভিন্ন সামাজিক সংস্থার কর্মীরা।
বক্তারা বলেন, বর্তমান ইউএনও মো. রোকনুজ্জামান খান পাথরঘাটা উপজেলায় আসার পর থেকে উপজেলা পরিষদের অন্তর্গত নানামুখী কাজ স্বচ্ছভাবে হয়েছে। দুর্নীতি এবং চাদাবাজী বন্দ করতে সক্ষম হয়েছে এবং তার অফিসরুমে সবসময় যেকোনো সাধারণ মানুষ ঢুকে কথা বলার সুযোগ পেয়েছে। তারা বলেন, আমরা জানি তিনি চিরকাল এই উপজেলায় থাকবেন না। তার পরেও যে সকল প্রকল্প তিনি হাতে নিয়েছেন তা বাস্তবায়ন করার জন্য আরো কিছু দিন এ উপজেলায় তার থাকা উচিৎ বলে তারা মনে করেন। তাই তার বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান। অন্যথায় মহাসড়ক অবরোধসহ আরও কঠিন কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন বলে হুশিয়ারি দেন।
উল্লেখ্য, গত ১০ এপ্রিল বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. সোহরাব হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান খানকে পাশ^বর্তী জেলা পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই ইউএনওর বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে পাথরঘাটা উপজেলার বাসিন্ধাদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। ইতমধ্যে তারা সামাজিক যোগাযোগরে মাধ্যম ফেসবুকে তার বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে ঝড় তুলেছেন।