ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
শনিবার, ০২ মে ২০২৬
তাজা খবর
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
পানি নিষ্কাশনের অভাবে ডুবতে বসেছে বেনাপোল স্থলবন্দর

জেমস আব্দুর রহিম রানা, যশোর
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৩৪:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
- / ৫৫ বার পঠিত

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে দীর্ঘদিনের পানি নিষ্কাশন সমস্যার কারণে জলাবদ্ধতা চরম আকার ধারণ করেছে। সামান্য বৃষ্টিতেই বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ড ও সড়কে হাঁটুপানি জমে থাকায় মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে পণ্য খালাস কার্যক্রম। ফলে নিরাপত্তাকর্মী ও শ্রমিকদের চলাচল দুরূহ হয়ে পড়েছে।
বন্দরের একাধিক গেট দিয়ে পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশ অনুপযোগী হয়ে পড়ায় কয়েকটি গেট বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। চ্যাটিজ টার্মিনালে গিয়ে দেখে গেছে, পুরো এলাকা একটি জলাশয়ের রূপ নিয়েছে—যেখানে স্বাভাবিকভাবে ট্রাক পার্কিং ও পণ্য খালাসের কাজ হতো।
বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানান, ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। প্রতি বছরই বৃষ্টির মৌসুমে এ দুর্ভোগ দেখা দিলেও সমস্যার সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই। বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, রেল বিভাগের একাধিক স্থানে কালভার্ট না রেখে মাটি ফেলে দেওয়ায় পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে।
বেনাপোল বন্দর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শহীদ আলী জানান, শ্রমিকদের হাটুপানি পেরিয়ে পণ্য খালাস করতে হচ্ছে, এতে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে সবাইকে। ট্রাক চালক ও সহকারীরা জানান, বৃষ্টির পানিতে পড়ে থাকা কেমিকেল মিশ্রিত পানিতে চলাফেরার কারণে অনেকেই চর্মরোগ ও চুলকানিতে আক্রান্ত হচ্ছেন।
বন্দরের অভ্যন্তরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা কেমিকেলজাতীয় বর্জ্য এবং ব্যবহৃত রাসায়নিকের কারণে পানির সঙ্গে ক্ষতিকর পদার্থ মিশে যাচ্ছে, যা পরিবেশ ও শ্রমিকদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
আমদানি-রফতানি সমিতির সহসভাপতি উজ্জ্বল বিশ্বাস বলেন, বেনাপোল বন্দর থেকে প্রতিবছর প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হলেও জলাবদ্ধতার মতো সমস্যা বছরের পর বছর থেকে যাচ্ছে। ফলে ব্যবসায়ীদের কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে এবং আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন তারা।
বেনাপোল বন্দর পরিচালক শামিম হোসেন জানান, বন্দরে প্রতিবছর জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। রেল কর্তৃপক্ষ কালভার্ট না রেখে মাটি ভরাট করায় পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি মোকাবেলায় দ্রুত ড্রেন নির্মাণ করে পাশ্ববর্তী হাওড়ের সঙ্গে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি অর্থনৈতিক কেন্দ্রের দীর্ঘমেয়াদি ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের জন্যই চিন্তার বিষয় হয়ে উঠেছে।
আরও পড়ুন:





















