ঢাকা, বাংলাদেশ। , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

পোল্ট্রি শিল্প রক্ষায় উদ্যোগ নিতে হবে

জেমস আব্দুর রহিম রানা
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:২৩:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৫৮ বার পঠিত
পোল্ট্রি শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির চলমান গতিকে আরও শক্তিশালী করতে বিশাল ভূমিকা রাখে। পোল্ট্রিশিল্প একদিকে দেশের বিশাল বেকার জনগোষ্ঠিকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছে, অন্যদিকে দেশবাসীর পুষ্টিচাহিদা মেটাচ্ছে। বিশেষ করে এই শিল্প, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আত্মকর্মসংস্থানে সবচেয়ে কার্যকর ও টেকসই খাতগুলোর একটি হয়ে উঠেছে।
কিন্তু আজ দেশের চলমান বিভিন্ন সমস্যার কারণে খামারীরা আজ দেউলিয়া হওয়ার দ্বারপ্রান্তে। এর পেছনে রয়েছে সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের কারসাজি এবং রাষ্ট্রীয় নজরদারির অভাব। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে খামারীরা হয় ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হবেন, নয়তো বা সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের শর্ত মেনে নামমাত্র পারিশ্রমিকে উৎপাদন করে টিকে থাকার অভিনয় করতে হবে।
দেশের খামারীরা প্রায় সময় হুমকি দিয়ে থাকেন, তারা খামারে উৎপাদন বন্ধ করে দেবেন। খামারীদের এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে দেশের বাজারে পোল্ট্রি সরবরাহে মারাত্মক ঘাটতি তৈরি হবে। খাদ্য নিরাপত্তা যেমন হুমকির মুখে পড়বে, তেমনি ডিম ও মুরগির মূল্যবৃদ্ধি ভোক্তার জন্য দুঃসহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে।
সরকারের দায়িত্ব এই খাতে ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা, উৎপাদকদের স্বার্থ রক্ষা করা এবং সিন্ডিকেট ভাঙতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। সংকট মোকাবিলায় দ্রুত কার্যকর ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

পোল্ট্রি শিল্প রক্ষায় উদ্যোগ নিতে হবে

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:২৩:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫
পোল্ট্রি শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির চলমান গতিকে আরও শক্তিশালী করতে বিশাল ভূমিকা রাখে। পোল্ট্রিশিল্প একদিকে দেশের বিশাল বেকার জনগোষ্ঠিকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছে, অন্যদিকে দেশবাসীর পুষ্টিচাহিদা মেটাচ্ছে। বিশেষ করে এই শিল্প, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আত্মকর্মসংস্থানে সবচেয়ে কার্যকর ও টেকসই খাতগুলোর একটি হয়ে উঠেছে।
কিন্তু আজ দেশের চলমান বিভিন্ন সমস্যার কারণে খামারীরা আজ দেউলিয়া হওয়ার দ্বারপ্রান্তে। এর পেছনে রয়েছে সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের কারসাজি এবং রাষ্ট্রীয় নজরদারির অভাব। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে খামারীরা হয় ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হবেন, নয়তো বা সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের শর্ত মেনে নামমাত্র পারিশ্রমিকে উৎপাদন করে টিকে থাকার অভিনয় করতে হবে।
দেশের খামারীরা প্রায় সময় হুমকি দিয়ে থাকেন, তারা খামারে উৎপাদন বন্ধ করে দেবেন। খামারীদের এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে দেশের বাজারে পোল্ট্রি সরবরাহে মারাত্মক ঘাটতি তৈরি হবে। খাদ্য নিরাপত্তা যেমন হুমকির মুখে পড়বে, তেমনি ডিম ও মুরগির মূল্যবৃদ্ধি ভোক্তার জন্য দুঃসহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে।
সরকারের দায়িত্ব এই খাতে ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা, উৎপাদকদের স্বার্থ রক্ষা করা এবং সিন্ডিকেট ভাঙতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। সংকট মোকাবিলায় দ্রুত কার্যকর ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।