ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
জনদুর্ভোগ চরমে---

পৌর এলাকায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে মশার উপদ্রব 

ইসলামপুর, জামালপুর প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:৩৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৫৮ বার পঠিত
ইসলামপুর, জামালপুর প্রতিনিধি: ইসলামপুর পৌর এলাকায় দিন দিন আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে মশার উপদ্রব। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পৌরবাসী। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে না। ফলে পরিস্থিতি ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ড্রেনেজ ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনা প্রকট আকার ধারণ করেছে। অনেক স্থানে ড্রেনে জমে আছে নোংরা পানি, অপরিষ্কার নর্দমা ও দূষিত জলাশয়। এসব স্থানে সৃষ্টি হয়েছে মশার প্রজননের আদর্শ পরিবেশ। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর মশার উপদ্রব এতটাই বেড়ে যায় যে সাধারণ মানুষ ঘরের বাইরে বের হতে পারছেন না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগে নিয়মিত ফগিং ও লার্ভিসাইড ছিটানো হলেও বর্তমানে তা চোখে পড়ে না। ফলে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও ম্যালেরিয়ার মতো রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।
পৌরবাসীর দাবি, দ্রুত নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম চালু, ড্রেন পরিষ্কার এবং জমে থাকা পানি অপসারণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি সচেতনতামূলক প্রচারণা বাড়ানোরও আহ্বান জানান তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পৌর কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা যায়নি। তবে স্থানীয়রা অবিলম্বে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

জনদুর্ভোগ চরমে---

পৌর এলাকায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে মশার উপদ্রব 

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:৩৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ইসলামপুর, জামালপুর প্রতিনিধি: ইসলামপুর পৌর এলাকায় দিন দিন আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে মশার উপদ্রব। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পৌরবাসী। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে না। ফলে পরিস্থিতি ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ড্রেনেজ ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনা প্রকট আকার ধারণ করেছে। অনেক স্থানে ড্রেনে জমে আছে নোংরা পানি, অপরিষ্কার নর্দমা ও দূষিত জলাশয়। এসব স্থানে সৃষ্টি হয়েছে মশার প্রজননের আদর্শ পরিবেশ। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর মশার উপদ্রব এতটাই বেড়ে যায় যে সাধারণ মানুষ ঘরের বাইরে বের হতে পারছেন না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগে নিয়মিত ফগিং ও লার্ভিসাইড ছিটানো হলেও বর্তমানে তা চোখে পড়ে না। ফলে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও ম্যালেরিয়ার মতো রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।
পৌরবাসীর দাবি, দ্রুত নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম চালু, ড্রেন পরিষ্কার এবং জমে থাকা পানি অপসারণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি সচেতনতামূলক প্রচারণা বাড়ানোরও আহ্বান জানান তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পৌর কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা যায়নি। তবে স্থানীয়রা অবিলম্বে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।