ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
শনিবার, ০২ মে ২০২৬
তাজা খবর
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
প্রার্থীদের হলফনামায় শিক্ষা, সম্পদ ও মামলার ভিন্ন চিত্র

নিজস্ব প্রতিনিধি:
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:২৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
- / ৭৩ বার পঠিত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার–২ (কুলাউড়া) আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, আয়–সম্পদ এবং মামলার অবস্থান একে অপরের থেকে ভিন্ন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী নওয়াব আলী আব্বাছ খান একজন এলএলবি ডিগ্রিধারী। তিনি কৃষিখাত থেকে বছরে আয় করেন ১৯ হাজার ৯৫০ টাকা এবং পেশাগত আয় দেখিয়েছেন ৩ লাখ ৯ হাজার ৯৫০ টাকা।
বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী শওকতুল ইসলাম শকু শিক্ষাগত যোগ্যতায় এইচএসসি পাস এবং পেশায় একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। হলফনামা অনুযায়ী তার নগদ অর্থ ২২ হাজার ৪২২ টাকা, ব্যাংকে ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা এবং আবাসিক বাড়ির মূল্য ৮ লাখ টাকা।
আল ইসলাহ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ফজলুল হক খান সাহেদ শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে কামিল উল্লেখ করেছেন। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী এবং বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার (কাজী)। তার নগদ অর্থ ৭৫ হাজার ৫৫৭ টাকা, ব্যাংকে ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং মোট সম্পত্তির পরিমাণ ২৫ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ টাকা। তিনি এর আগে কুলাউড়া উপজেলার ভাইস-চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সায়েদ আলী হলফনামায় পেশা হিসেবে ব্যবসা উল্লেখ করেছেন। তার বিরুদ্ধে মোট তিনটি ফৌজদারি মামলা রয়েছে—একটিতে তিনি অব্যাহতিপ্রাপ্ত, একটিতে খালাসপ্রাপ্ত এবং একটি মামলা বর্তমানে বিচারাধীন। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং। আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং মোট সম্পদ ৩৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া তিনি ১২ লাখ ৩০ হাজার টাকা মূল্যের মোটরযান থাকার তথ্য দিয়েছেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুস হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, তিনি দাওরায়ে হাদিস পাস। তার বার্ষিক আয় ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং নগদ সম্পদ রয়েছে ২ লাখ টাকা।
স্বতন্ত্র প্রার্থী এম. জিমিউর রহমান চৌধুরী নিজেকে স্বশিক্ষিত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার নগদ অর্থের পরিমাণ ৩২ লাখ ৫৭ হাজার ২০৮ টাকা, ব্যাংক আমানত ১১ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং স্ত্রীর ব্যাংক হিসাবে জমা রয়েছে ১৩ লাখ ৬৩ হাজার ৭৫০ টাকা।
জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল মালিক শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে অষ্টম শ্রেণি উল্লেখ করেছেন। তার বার্ষিক আয় ৪ লাখ ১৪ হাজার টাকা এবং নগদ সম্পদ ১ লাখ টাকা।
বাসদ মনোনীত প্রার্থী সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী হলফনামায় তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএসসি উল্লেখ করেছেন। তিনি নগদ অর্থ হিসেবে ৬ লাখ ৩ হাজার ৭৫৩ টাকা এবং ব্যাংকে ৪১ হাজার ২৬৮ টাকা জমা থাকার কথা জানিয়েছেন।
হলফনামায় দেওয়া এসব তথ্য কুলাউড়া আসনের ভোটারদের সামনে প্রার্থীদের শিক্ষা, আর্থিক সক্ষমতা ও আইনগত অবস্থানের একটি সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে নির্বাচন কমিশন কতৃক।
আরও পড়ুন:



















