ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ফয়জুননেছা মহিলাদাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

চাটখিল (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:১৮:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৬৩ বার পঠিত

চাটখিল (নোয়াখালী) প্রতিনিধি: নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার নাহারখিল ফয়জুন নেছা মহিলা দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার ওমর ফারুক এর বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, অনিয়ম, শিক্ষক-কর্মচারীদের সাথে অসদাচরণসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। তিনি প্রশাসন ও পরিচালনা কমিটির কাউকেই তোয়াক্কা না করে নিজের ইচ্ছেমত মাদ্রাসাটি পরিচালনা করছেন। কেউ তার এসব কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কথা বললে তাদেরকে মামলা-হামলা করে ফাসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন মাদ্রাসাটির সাথে জড়িতদের। এই ব্যাপারে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মুনছুর আলম পাটোয়ারী বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডে এ বিষয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
মাদ্রাসা বোর্ড চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য গত ১২ জানুয়ারি চিঠি প্রদান করেন। এ বিষয়ে এখনো কোনো তদন্ত হয়নি। গত মঙ্গলবার দুপুরে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মুনছুর আলম পাটোয়ারী চাটখিল প্রেসক্লাবে এসে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগের কপিসহ বোর্ডের তদন্ত নির্দেশের কপি সরবরাহ করেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, তার বাড়ির সামনে ৭৬ শতাংশ জমিতে এ মাদ্রাসাটি তার মায়ের নামে প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর ২৬ বছর পর্যন্ত তিনি এ প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করে সুনামের সাথে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে আসছেন। ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভূক্ত হয়। এমপিওভূক্তির পরও তিনি এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বর্তমানে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার এর দায়িত্ব পালন করছেন ওমর ফারুক এবং এডহক কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন আবুল কালাম। ভারপ্রাপ্ত সুপার কমিটির কাউকে তোয়াক্কা না করে নিজের ইচ্ছেমতো মাদ্রাসায় আসা-যাওয়া করে। মাদ্রাসায় না এসেও হাজিরা খাতায় দস্তখত করে। তিনি ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে মাদ্রাসার অর্থ আত্মসাৎ করে সে টাকা দিয়ে তার নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। তার আচার-আচরণের কারণে স্থানীয় অভিভাবকেরা তাদের সন্তানদের এ প্রতিষ্ঠানে দিচ্ছে না। এছাড়াও মাদ্রাসার একটি কক্ষে তিনি কোচিং বাণিজ্য করে আসছেন, যা প্রতিষ্ঠানের কাজে আসছেনা। মুনছুর আলম বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জোর দাবি জানান।
এই বিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত সুপার ওমর ফারুক এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো সঠিক নয় বলে দাবি করেন।
এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি নির্বাচনসহ বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকায় এই বিষয়ে তদন্ত করা সম্ভব হয়নি বলে জানান। তবে তিনি আশ্বাস দেন খুব দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

ফয়জুননেছা মহিলাদাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:১৮:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

চাটখিল (নোয়াখালী) প্রতিনিধি: নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার নাহারখিল ফয়জুন নেছা মহিলা দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার ওমর ফারুক এর বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, অনিয়ম, শিক্ষক-কর্মচারীদের সাথে অসদাচরণসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। তিনি প্রশাসন ও পরিচালনা কমিটির কাউকেই তোয়াক্কা না করে নিজের ইচ্ছেমত মাদ্রাসাটি পরিচালনা করছেন। কেউ তার এসব কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কথা বললে তাদেরকে মামলা-হামলা করে ফাসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন মাদ্রাসাটির সাথে জড়িতদের। এই ব্যাপারে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মুনছুর আলম পাটোয়ারী বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডে এ বিষয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
মাদ্রাসা বোর্ড চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য গত ১২ জানুয়ারি চিঠি প্রদান করেন। এ বিষয়ে এখনো কোনো তদন্ত হয়নি। গত মঙ্গলবার দুপুরে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মুনছুর আলম পাটোয়ারী চাটখিল প্রেসক্লাবে এসে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগের কপিসহ বোর্ডের তদন্ত নির্দেশের কপি সরবরাহ করেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, তার বাড়ির সামনে ৭৬ শতাংশ জমিতে এ মাদ্রাসাটি তার মায়ের নামে প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর ২৬ বছর পর্যন্ত তিনি এ প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করে সুনামের সাথে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে আসছেন। ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভূক্ত হয়। এমপিওভূক্তির পরও তিনি এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বর্তমানে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার এর দায়িত্ব পালন করছেন ওমর ফারুক এবং এডহক কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন আবুল কালাম। ভারপ্রাপ্ত সুপার কমিটির কাউকে তোয়াক্কা না করে নিজের ইচ্ছেমতো মাদ্রাসায় আসা-যাওয়া করে। মাদ্রাসায় না এসেও হাজিরা খাতায় দস্তখত করে। তিনি ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে মাদ্রাসার অর্থ আত্মসাৎ করে সে টাকা দিয়ে তার নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। তার আচার-আচরণের কারণে স্থানীয় অভিভাবকেরা তাদের সন্তানদের এ প্রতিষ্ঠানে দিচ্ছে না। এছাড়াও মাদ্রাসার একটি কক্ষে তিনি কোচিং বাণিজ্য করে আসছেন, যা প্রতিষ্ঠানের কাজে আসছেনা। মুনছুর আলম বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জোর দাবি জানান।
এই বিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত সুপার ওমর ফারুক এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো সঠিক নয় বলে দাবি করেন।
এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি নির্বাচনসহ বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকায় এই বিষয়ে তদন্ত করা সম্ভব হয়নি বলে জানান। তবে তিনি আশ্বাস দেন খুব দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।