ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
তাজা খবর
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
সাতকানিয়া–লোহাগাড়ায় নির্বাচনের হাওয়া
ফেব্রুয়ারির ভোট ঘিরে জনমনে নানা হিসাব-নিকাশ

মুন্সি শাহাব উদ্দীন
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:২৭:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
- / ৬৮ বার পঠিত

মুন্সি শাহাব উদ্দীন : চট্টগ্রাম ১৫ আসনে সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া উপজেলায় এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন। কে পাবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব, আর সাতকানিয়া–লোহাগাড়া আসনের পরবর্তী সংসদ সদস্য (এমপি) কে হচ্ছেন—এই প্রশ্নই এখন এলাকার মানুষের মুখে মুখে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে আলোচনা, বিশ্লেষণ আর প্রত্যাশার পারদ।
গ্রাম থেকে শহর সবখানেই নির্বাচনী হাওয়া স্পষ্ট। চায়ের দোকান, হাট-বাজার, সড়কের পাশে কিংবা সামাজিক ও পারিবারিক আড্ডায় ভোট ও প্রার্থী নিয়েই চলছে সরব আলোচনা। অনেক ভোটারই সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যক্তিগত ইমেজ, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, অতীত কর্মকাণ্ড ও এলাকায় উন্নয়নে ভূমিকা নিয়ে নিজেদের মতামত প্রকাশ করছেন।
এলাকার ভোটারদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন কে নির্বাচিত হলে বাস্তব উন্নয়ন হবে? শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন, চিকিৎসাসেবার সহজপ্রাপ্যতা, সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এসব বিষয়কে সামনে রেখেই ভোটাররা যোগ্য প্রার্থী খুঁজছেন। অনেকেই মনে করছেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে প্রয়োজন এলাকার মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত একজন জনপ্রতিনিধি।
তরুণ ভোটারদের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে বিশেষ আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়ভাবে সম্ভাব্য প্রার্থী, দলীয় অবস্থান নিয়ে আলোচনা করছেন। তরুণরা বলছেন, তাদের ভোট ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখবে এই উপলব্ধি থেকেই তারা সচেতনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে চান।
অন্যদিকে, প্রবীণ ও অভিজ্ঞ ভোটাররা তাদের অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে প্রার্থী মূল্যায়ন করছেন। তারা উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও এলাকার শান্তি বজায় রাখাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। অনেক প্রবীণ ভোটারের মতে, শুধু নির্বাচনের সময় নয়, নির্বাচনের পরেও যিনি জনগণের পাশে থাকবেন তাকেই দায়িত্ব দেওয়া উচিত।
স্থানীয় সচেতন মহলের ধারণা, এবারের নির্বাচন সাতকানিয়া–লোহাগাড়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই আসনের ফলাফল শুধু একজন এমপি নির্ধারণ করবে না, বরং আগামী দিনের উন্নয়ন পরিকল্পনা, রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা এবং জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাবে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ায় এখন নির্বাচনী আলোচনা তুঙ্গে। তরুণ থেকে বয়স্ক—কেউই পিছিয়ে নেই মতামত দেওয়া ও হিসাব-নিকাশে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে কার হাতে উঠবে এই আসনের নেতৃত্ব—তা নিয়ে এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।
গ্রাম থেকে শহর সবখানেই নির্বাচনী হাওয়া স্পষ্ট। চায়ের দোকান, হাট-বাজার, সড়কের পাশে কিংবা সামাজিক ও পারিবারিক আড্ডায় ভোট ও প্রার্থী নিয়েই চলছে সরব আলোচনা। অনেক ভোটারই সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যক্তিগত ইমেজ, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, অতীত কর্মকাণ্ড ও এলাকায় উন্নয়নে ভূমিকা নিয়ে নিজেদের মতামত প্রকাশ করছেন।
এলাকার ভোটারদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন কে নির্বাচিত হলে বাস্তব উন্নয়ন হবে? শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন, চিকিৎসাসেবার সহজপ্রাপ্যতা, সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এসব বিষয়কে সামনে রেখেই ভোটাররা যোগ্য প্রার্থী খুঁজছেন। অনেকেই মনে করছেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে প্রয়োজন এলাকার মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত একজন জনপ্রতিনিধি।
তরুণ ভোটারদের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে বিশেষ আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়ভাবে সম্ভাব্য প্রার্থী, দলীয় অবস্থান নিয়ে আলোচনা করছেন। তরুণরা বলছেন, তাদের ভোট ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখবে এই উপলব্ধি থেকেই তারা সচেতনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে চান।
অন্যদিকে, প্রবীণ ও অভিজ্ঞ ভোটাররা তাদের অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে প্রার্থী মূল্যায়ন করছেন। তারা উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও এলাকার শান্তি বজায় রাখাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। অনেক প্রবীণ ভোটারের মতে, শুধু নির্বাচনের সময় নয়, নির্বাচনের পরেও যিনি জনগণের পাশে থাকবেন তাকেই দায়িত্ব দেওয়া উচিত।
স্থানীয় সচেতন মহলের ধারণা, এবারের নির্বাচন সাতকানিয়া–লোহাগাড়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই আসনের ফলাফল শুধু একজন এমপি নির্ধারণ করবে না, বরং আগামী দিনের উন্নয়ন পরিকল্পনা, রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা এবং জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাবে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ায় এখন নির্বাচনী আলোচনা তুঙ্গে। তরুণ থেকে বয়স্ক—কেউই পিছিয়ে নেই মতামত দেওয়া ও হিসাব-নিকাশে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে কার হাতে উঠবে এই আসনের নেতৃত্ব—তা নিয়ে এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।
আরও পড়ুন:
মুন্সি শাহাব উদ্দীন


















