ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

বগুড়া জেলার প্রশাসক সোনাতলার সন্তান এ.কে.এম.আহসানুল তৈয়ব জাকির

হারুন অর রশিদ, সোনাতল,(বগুড়া)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:২১:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
  • / ৯৮ বার পঠিত
হারুন অর রশিদ, সোনাতল,(বগুড়া):  দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে বগুড়া জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বগুড়া জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সোনাতলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সন্তোষ প্রকাশের সৃষ্টি হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির একজন অভিজ্ঞ, পরিশ্রমী ও দক্ষ সংগঠক হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত। এর আগে তিনি সোনাতলা উপজেলা পরিষদের দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি সোনাতলা পৌরসভার পৌর প্রশাসক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে প্রশাসনিক দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন বলে স্থানীয়রা জানান।
জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, “আমার ওপর যে আস্থা ও দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে, তা সঠিকভাবে পালন করতে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। বগুড়া জেলার সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।”
এদিকে তার এই নিয়োগের খবরে বগুড়া জেলার বিশেষ করে সোনাতলা উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আনন্দ ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ সাধারণ মানুষ আশা প্রকাশ করেছেন, তাঁর নেতৃত্বে বগুড়া জেলা পরিষদের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও বেগবান হবে এবং জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার হবে।
স্থানীয়রা মনে করছেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও জনসম্পৃক্ততার কারণে এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির বগুড়া জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন। তাঁর নেতৃত্বে জেলার উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে বলেও প্রত্যাশা করছেন তারা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

বগুড়া জেলার প্রশাসক সোনাতলার সন্তান এ.কে.এম.আহসানুল তৈয়ব জাকির

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:২১:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
হারুন অর রশিদ, সোনাতল,(বগুড়া):  দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে বগুড়া জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বগুড়া জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সোনাতলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সন্তোষ প্রকাশের সৃষ্টি হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির একজন অভিজ্ঞ, পরিশ্রমী ও দক্ষ সংগঠক হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত। এর আগে তিনি সোনাতলা উপজেলা পরিষদের দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি সোনাতলা পৌরসভার পৌর প্রশাসক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে প্রশাসনিক দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন বলে স্থানীয়রা জানান।
জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, “আমার ওপর যে আস্থা ও দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে, তা সঠিকভাবে পালন করতে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। বগুড়া জেলার সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।”
এদিকে তার এই নিয়োগের খবরে বগুড়া জেলার বিশেষ করে সোনাতলা উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আনন্দ ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ সাধারণ মানুষ আশা প্রকাশ করেছেন, তাঁর নেতৃত্বে বগুড়া জেলা পরিষদের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও বেগবান হবে এবং জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার হবে।
স্থানীয়রা মনে করছেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও জনসম্পৃক্ততার কারণে এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির বগুড়া জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন। তাঁর নেতৃত্বে জেলার উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে বলেও প্রত্যাশা করছেন তারা।