ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ০২ মে ২০২৬

বাগেরহাট ২ আসনের প্রার্থী হতে চান মনিরুল ইসলাম খান  

ফকির গোলাম তাবরেজ, বাগেরহাট 
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:০২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫
  • / ১০৪ বার পঠিত
বাগেরহাট ২ (কচুয়া-বাগেরহাট সদর) আসনের প্রার্থী হতে চান জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার অন্যতম আসামি মনিরুল ইসলাম খান। তিনি ঢাকা মহানগর বিএনপি, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটি, বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সহ-সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। সামাজিক জীবনের তিনি মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেড এর আজীবন সদস্য, রিসেন্ট ক্লাব এর সভাপতি, ঢাকাস্থ কচুয়া ফাউন্ডেশন এর সাধারণ সম্পাদক এবং শহীদ আসাদ স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর সভাপতি হিসেবে তিনবার দায়িত্ব পালন করেছেন। উন্নয়ন কর্মকান্ড, মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অনাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার। শিক্ষাব্যতায় আমুল পরিবর্তন আনার জন্য বাগেরহাট এবং কচুয়ার স্কুল-কলেজের পাশাপাশি বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নেন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,  দলীয় প্রধানের জন্য আমার আত্মত্যাগ, দলের প্রতি আনুগত্য, সাংগঠনিক দক্ষতা যোগ্যতা বিবেচনায় এনে নির্বাচনের জন্য আমাকে প্রার্থী দিবেন বলে আশা রাখি।
তিনি আরো বলেন, বাগেরহাটের দুই যুগ ধরে চলা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক ব্যর্থতার কারণে ৬৪টি জেলার অবস্থান তলানিতে ঠেকেছে। “পরিবর্তনের অঙ্গীকার” এই স্লোগান বাস্তবে রূপ দিয়ে আধুনিক ও সুরভিত বাগেরহাট গড়ে তোলার জন্য আমার প্রচেষ্টা সব সময় অব্যাহত থাকবে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

বাগেরহাট ২ আসনের প্রার্থী হতে চান মনিরুল ইসলাম খান  

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:০২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫
বাগেরহাট ২ (কচুয়া-বাগেরহাট সদর) আসনের প্রার্থী হতে চান জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার অন্যতম আসামি মনিরুল ইসলাম খান। তিনি ঢাকা মহানগর বিএনপি, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটি, বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সহ-সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। সামাজিক জীবনের তিনি মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেড এর আজীবন সদস্য, রিসেন্ট ক্লাব এর সভাপতি, ঢাকাস্থ কচুয়া ফাউন্ডেশন এর সাধারণ সম্পাদক এবং শহীদ আসাদ স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর সভাপতি হিসেবে তিনবার দায়িত্ব পালন করেছেন। উন্নয়ন কর্মকান্ড, মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অনাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার। শিক্ষাব্যতায় আমুল পরিবর্তন আনার জন্য বাগেরহাট এবং কচুয়ার স্কুল-কলেজের পাশাপাশি বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নেন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,  দলীয় প্রধানের জন্য আমার আত্মত্যাগ, দলের প্রতি আনুগত্য, সাংগঠনিক দক্ষতা যোগ্যতা বিবেচনায় এনে নির্বাচনের জন্য আমাকে প্রার্থী দিবেন বলে আশা রাখি।
তিনি আরো বলেন, বাগেরহাটের দুই যুগ ধরে চলা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক ব্যর্থতার কারণে ৬৪টি জেলার অবস্থান তলানিতে ঠেকেছে। “পরিবর্তনের অঙ্গীকার” এই স্লোগান বাস্তবে রূপ দিয়ে আধুনিক ও সুরভিত বাগেরহাট গড়ে তোলার জন্য আমার প্রচেষ্টা সব সময় অব্যাহত থাকবে।