ঢাকা, বাংলাদেশ || সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

বাঘায় শিমুল হত্যা মামলার মূলহোতা ইসলাম আলী গ্রেপ্তার

  • অপু দাস, রাজশাহী
  • সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৬:০৫:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার পঠিত
অপু দাস, রাজশাহী:   রাজশাহীর বাঘা উপজেলার জোতকাদিরপুরে চাঞ্চল্যকর শিমুল হত্যা মামলায় তদন্তে মূলহোতা হিসেবে উঠে আসা মো. ইসলাম আলী (৩০)কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৫, রাজশাহী। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ২০ মিনিটের দিকে রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার সবজীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মো. ইসলাম আলী বাঘা উপজেলার জোতকাদিরপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের মো. আফসার মন্ডলের ছেলে। র‌্যাব জানিয়েছে, শিমুল হত্যা মামলার তদন্তে ইসলাম আলীকে মূলহোতা হিসেবে শনাক্ত করার পর তার অবস্থান সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে তথ্যের ভিত্তিতে নগরীর সবজীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
র‌্যাব-৫ সূত্রে জানা গেছে, অপরাধ দমন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সংস্থাটি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসছে। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, মাদক কারবারি, ছিনতাইকারী, অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাঘার শিমুল হত্যা মামলাটিও গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা চালানো হয়।
মামলার এজাহার ও র‌্যাবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৬ সেপ্টেম্বর সারাদিন কাজ শেষে বাড়িতে ফিরে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন মামলার বাদী ও নিহত শিমুলের বাবা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা (৫৭)। তিনি বাঘা উপজেলার জোতকাদিরপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় কৃষক।
পরদিন ৭ সেপ্টেম্বর ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে জোতকাদিরপুর মন্ডলপাড়া জামে মসজিদের দিকে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, গ্রামের ইয়ারুলের বাড়ির সামনে তার ছেলে মো. শিমুল (২৮) এবং মো. শমজানকে চোর সন্দেহে কয়েকজন ব্যক্তি আটক করেছে। তাদের সেখানে মারধর করা হচ্ছে বলেও তিনি জানতে পারেন।
এজাহারে নিহতের বাবা আরও উল্লেখ করেন, তার ছেলে শিমুল এর আগে একাধিকবার চুরির অভিযোগে ধরা পড়েছিল। প্রতিবারই জরিমানা দিয়ে তিনি ছেলেকে ছাড়িয়ে আনতেন। শিমুলের কর্মকাণ্ডে তিনি বিরক্ত ছিলেন। এ কারণে ওই সময় ঘটনাস্থলে না গিয়ে তিনি বাড়িতে অবস্থান করেন।
পরে সকালে মাঠে কাজের উদ্দেশ্যে বের হলে স্থানীয়দের কাছ থেকে তিনি আরও জানতে পারেন, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে জোতকাদিরপুর গ্রামের ইয়ারুলের বাড়ির সামনে ২০ থেকে ২৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি শিমুল ও শমজানকে চোর সন্দেহে আটক করে গণপিটুনি দেয়।
গণপিটুনিতে শিমুল গুরুতর আহত হন। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন তাকে এবং শমজানকে একটি ভ্যানে করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিমুলকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর জোতকাদিরপুরসহ আশপাশের এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে শিমুলের মৃত্যুর ঘটনা বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ঘটনাটি দেশব্যাপী আলোচনার সৃষ্টি করে।
ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে বাঘা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়। তার অভিযোগের ভিত্তিতে ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বাঘা থানায় মামলা নম্বর-০৯ হিসেবে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। মামলায় পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ৩০২/৩৪ ধারা উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলা হওয়ার পর ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। একই সঙ্গে আসামিদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। র‌্যাব-৫, রাজশাহীর সদর কোম্পানির একটি বিশেষ আভিযানিক দল মামলাটির বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও আসামিদের গতিবিধি নজরদারি করতে থাকে।
এরই ধারাবাহিকতায় রোববার রাতে র‌্যাবের দল জানতে পারে, মামলার তদন্তে মূলহোতা হিসেবে চিহ্নিত ইসলাম আলী রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন সবজীপাড়া এলাকায় অবস্থান করছেন। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে রাত ১০টা ২০ মিনিটের দিকে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে সবজীপাড়ায় জনৈক লাবনী বেগমের ভাড়া বাড়ি থেকে মো. ইসলাম আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাবের দাবি, শিমুল হত্যা মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে মামলার মূলহোতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ইসলাম আলী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে থাকার কথা স্বীকার করেছেন। ঘটনার পর তিনি নিজের অবস্থান গোপন রেখে পালিয়ে ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাকে রাজশাহী জেলার বাঘা থানায় হস্তান্তর করেছে র‌্যাব-৫। একই সঙ্গে মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

অপহরণ মামলায় আঃ লীগ নেতা শাহীনুজ্জামান গ্রেপ্তার

14 September 2026

মেয়েদের জন্য আরও নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির আহ্বান

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

বাঘায় শিমুল হত্যা মামলার মূলহোতা ইসলাম আলী গ্রেপ্তার

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৬:০৫:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অপু দাস, রাজশাহী:   রাজশাহীর বাঘা উপজেলার জোতকাদিরপুরে চাঞ্চল্যকর শিমুল হত্যা মামলায় তদন্তে মূলহোতা হিসেবে উঠে আসা মো. ইসলাম আলী (৩০)কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৫, রাজশাহী। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ২০ মিনিটের দিকে রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার সবজীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মো. ইসলাম আলী বাঘা উপজেলার জোতকাদিরপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের মো. আফসার মন্ডলের ছেলে। র‌্যাব জানিয়েছে, শিমুল হত্যা মামলার তদন্তে ইসলাম আলীকে মূলহোতা হিসেবে শনাক্ত করার পর তার অবস্থান সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে তথ্যের ভিত্তিতে নগরীর সবজীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
র‌্যাব-৫ সূত্রে জানা গেছে, অপরাধ দমন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সংস্থাটি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসছে। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, মাদক কারবারি, ছিনতাইকারী, অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাঘার শিমুল হত্যা মামলাটিও গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা চালানো হয়।
মামলার এজাহার ও র‌্যাবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৬ সেপ্টেম্বর সারাদিন কাজ শেষে বাড়িতে ফিরে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন মামলার বাদী ও নিহত শিমুলের বাবা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা (৫৭)। তিনি বাঘা উপজেলার জোতকাদিরপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় কৃষক।
পরদিন ৭ সেপ্টেম্বর ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে জোতকাদিরপুর মন্ডলপাড়া জামে মসজিদের দিকে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, গ্রামের ইয়ারুলের বাড়ির সামনে তার ছেলে মো. শিমুল (২৮) এবং মো. শমজানকে চোর সন্দেহে কয়েকজন ব্যক্তি আটক করেছে। তাদের সেখানে মারধর করা হচ্ছে বলেও তিনি জানতে পারেন।
এজাহারে নিহতের বাবা আরও উল্লেখ করেন, তার ছেলে শিমুল এর আগে একাধিকবার চুরির অভিযোগে ধরা পড়েছিল। প্রতিবারই জরিমানা দিয়ে তিনি ছেলেকে ছাড়িয়ে আনতেন। শিমুলের কর্মকাণ্ডে তিনি বিরক্ত ছিলেন। এ কারণে ওই সময় ঘটনাস্থলে না গিয়ে তিনি বাড়িতে অবস্থান করেন।
পরে সকালে মাঠে কাজের উদ্দেশ্যে বের হলে স্থানীয়দের কাছ থেকে তিনি আরও জানতে পারেন, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে জোতকাদিরপুর গ্রামের ইয়ারুলের বাড়ির সামনে ২০ থেকে ২৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি শিমুল ও শমজানকে চোর সন্দেহে আটক করে গণপিটুনি দেয়।
গণপিটুনিতে শিমুল গুরুতর আহত হন। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন তাকে এবং শমজানকে একটি ভ্যানে করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিমুলকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর জোতকাদিরপুরসহ আশপাশের এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে শিমুলের মৃত্যুর ঘটনা বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ঘটনাটি দেশব্যাপী আলোচনার সৃষ্টি করে।
ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে বাঘা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়। তার অভিযোগের ভিত্তিতে ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বাঘা থানায় মামলা নম্বর-০৯ হিসেবে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। মামলায় পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ৩০২/৩৪ ধারা উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলা হওয়ার পর ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। একই সঙ্গে আসামিদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। র‌্যাব-৫, রাজশাহীর সদর কোম্পানির একটি বিশেষ আভিযানিক দল মামলাটির বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও আসামিদের গতিবিধি নজরদারি করতে থাকে।
এরই ধারাবাহিকতায় রোববার রাতে র‌্যাবের দল জানতে পারে, মামলার তদন্তে মূলহোতা হিসেবে চিহ্নিত ইসলাম আলী রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন সবজীপাড়া এলাকায় অবস্থান করছেন। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে রাত ১০টা ২০ মিনিটের দিকে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে সবজীপাড়ায় জনৈক লাবনী বেগমের ভাড়া বাড়ি থেকে মো. ইসলাম আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাবের দাবি, শিমুল হত্যা মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে মামলার মূলহোতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ইসলাম আলী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে থাকার কথা স্বীকার করেছেন। ঘটনার পর তিনি নিজের অবস্থান গোপন রেখে পালিয়ে ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাকে রাজশাহী জেলার বাঘা থানায় হস্তান্তর করেছে র‌্যাব-৫। একই সঙ্গে মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

Share this news as a Photo Card