ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাবা ও স্বামীর পাল্টাপাল্টি অভিযোগ স্বর্ণালংকার নিয়ে প্রেমিকার সাথে পালালেন স্ত্রী

মো: ফরহাদ, কয়রা (খুলনা)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৫৬:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫
  • / ৫৮ বার পঠিত
খুলনার কয়রা উপজেলায় অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে প্রেমিকার সাথে এক গৃহবধূ পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্বামী রাসেল আহমেদ। লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেছেন,গত ৫ বছর পূর্বে মোকলেছুর রহমান লিটনের মেয়ে মিমের সাথে তার বিবাহ হয়।বিবাহের পর হতে কিছুদিন  ঘর সংসার করাকালীন অবস্থায় জীবিকার তাগিদে বাইরে থাকার সুযোগে মোবাইলে পর-পুরুষের সাথে তার স্ত্রী পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে সংসারের প্রতি উদাসিন ভাব দেখায় এবং এক পর্যায়ে তার  সাথে ঘর সংসার করবে না বলে জানায়। তিনি লিখিত অভিযোগে আরও বলেন,আমার ও আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে স্ত্রী মিমের পরকিয়া প্রেমের বিষয় নিয়া মনোমালিন্য সৃষ্টি করে সংসারে প্রায় সময় ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি করতে। আমার স্ত্রী  তার পরকিয়া প্রেমিক রাকিবের সাথে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে এলাকাবাসীর কাছে ধরা পড়ে।বিষয়টি সুরহা করতে শশুর মোকলেছুর রহমান লিটনকে জানায়। এমতাবস্থায় বিগত ইং ৫মার্চ  ভোর ৫টার  সময় আমি ফজরের নামাজ পড়িতে মসজিদে গেলে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পরকিয়া প্রেমিক রাকিবের সাথে পালিয়ে যায়।আমি প্রতিবেশী ও আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে শশুর মোকলেছুর রহমান লিটনকে মুঠোফোনে জানায়। এছাড়া তার ব্যবহৃত ব্যক্তিগত মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ রয়েছে। তবে এ ঘটনায়,৭মার্চ   মেয়ের বাবা মোখলেছুর রহমান লিটন বাদী হয়ে কয়রা থানায় মেয়ে জামাই রাসেল আহমেদ ও তার মা-বাবার বিরুদ্ধে মেয়েকে মারধর ও যৌতুক  অভিযোগ দায়ের করে।মিমের  পিতা মোকলেছুর রহমান লিটন বলেন,আমার সাথে মেয়ের কোন যোগাযোগ হয়নি, ফুফাতো ভাই বলতে পারবে। আমার ছোট ভাই ইউনুস আলী একটি লিখিত অভিযোগ নিয়ে থানায় জমা দিয়েছেন।তবে মেয়ের পরকিয়া প্রেমের বিষয়টি নিয়ে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এর আগে ৭মার্চ মেয়ে হারিয়ে যাওয়ায় থানায় অভিযোগ করার সময় মিমের বাবা মোকলেছুর রহমান  লিটনকে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ অপমান করেছে বলে দাবি  করেন তিনি। বিষয়টি বিষয়ে জানতে চাইলে কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)জিএম  ইমদাদুল হক বলেন, মেয়ের পিতা ও স্বামী উভয় পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।আমরা মেয়েকে উদ্ধারের চেষ্টা করছি‌।  তবে মেয়ের বাবাকে অপমান করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এ ধরণের কোন ঘটনা ঘটেনি। মেয়ের বাবা থানাতে আমার কাছে আসেনি, তাহলে তো অপমানের মতো ঘটনা কিভাবে ঘটলো আমার বোধগম্য নয়।মেয়ের চাচা জনৈক ইউনুস আলী একটি লিখিত অভিযোগ নিয়ে আসলে তার কাছে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার কথা বলেছি।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বাবা ও স্বামীর পাল্টাপাল্টি অভিযোগ স্বর্ণালংকার নিয়ে প্রেমিকার সাথে পালালেন স্ত্রী

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৫৬:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫
খুলনার কয়রা উপজেলায় অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে প্রেমিকার সাথে এক গৃহবধূ পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্বামী রাসেল আহমেদ। লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেছেন,গত ৫ বছর পূর্বে মোকলেছুর রহমান লিটনের মেয়ে মিমের সাথে তার বিবাহ হয়।বিবাহের পর হতে কিছুদিন  ঘর সংসার করাকালীন অবস্থায় জীবিকার তাগিদে বাইরে থাকার সুযোগে মোবাইলে পর-পুরুষের সাথে তার স্ত্রী পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে সংসারের প্রতি উদাসিন ভাব দেখায় এবং এক পর্যায়ে তার  সাথে ঘর সংসার করবে না বলে জানায়। তিনি লিখিত অভিযোগে আরও বলেন,আমার ও আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে স্ত্রী মিমের পরকিয়া প্রেমের বিষয় নিয়া মনোমালিন্য সৃষ্টি করে সংসারে প্রায় সময় ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি করতে। আমার স্ত্রী  তার পরকিয়া প্রেমিক রাকিবের সাথে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে এলাকাবাসীর কাছে ধরা পড়ে।বিষয়টি সুরহা করতে শশুর মোকলেছুর রহমান লিটনকে জানায়। এমতাবস্থায় বিগত ইং ৫মার্চ  ভোর ৫টার  সময় আমি ফজরের নামাজ পড়িতে মসজিদে গেলে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পরকিয়া প্রেমিক রাকিবের সাথে পালিয়ে যায়।আমি প্রতিবেশী ও আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে শশুর মোকলেছুর রহমান লিটনকে মুঠোফোনে জানায়। এছাড়া তার ব্যবহৃত ব্যক্তিগত মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ রয়েছে। তবে এ ঘটনায়,৭মার্চ   মেয়ের বাবা মোখলেছুর রহমান লিটন বাদী হয়ে কয়রা থানায় মেয়ে জামাই রাসেল আহমেদ ও তার মা-বাবার বিরুদ্ধে মেয়েকে মারধর ও যৌতুক  অভিযোগ দায়ের করে।মিমের  পিতা মোকলেছুর রহমান লিটন বলেন,আমার সাথে মেয়ের কোন যোগাযোগ হয়নি, ফুফাতো ভাই বলতে পারবে। আমার ছোট ভাই ইউনুস আলী একটি লিখিত অভিযোগ নিয়ে থানায় জমা দিয়েছেন।তবে মেয়ের পরকিয়া প্রেমের বিষয়টি নিয়ে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এর আগে ৭মার্চ মেয়ে হারিয়ে যাওয়ায় থানায় অভিযোগ করার সময় মিমের বাবা মোকলেছুর রহমান  লিটনকে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ অপমান করেছে বলে দাবি  করেন তিনি। বিষয়টি বিষয়ে জানতে চাইলে কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)জিএম  ইমদাদুল হক বলেন, মেয়ের পিতা ও স্বামী উভয় পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।আমরা মেয়েকে উদ্ধারের চেষ্টা করছি‌।  তবে মেয়ের বাবাকে অপমান করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এ ধরণের কোন ঘটনা ঘটেনি। মেয়ের বাবা থানাতে আমার কাছে আসেনি, তাহলে তো অপমানের মতো ঘটনা কিভাবে ঘটলো আমার বোধগম্য নয়।মেয়ের চাচা জনৈক ইউনুস আলী একটি লিখিত অভিযোগ নিয়ে আসলে তার কাছে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার কথা বলেছি।