
রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী: রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি থেকে মধুখালী পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন জায়গায় খানাখন্দে অনুপযোগী হয়েছে যানবাহন চলাচল ।
রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলা থেকে ফরিদপুর জেলার মধুখালীতে চলাচলের সড়কটিতে বিরাজ করছে বেহাল দশা। সড়কে সৃষ্ট গর্তগুলো বৃষ্টির পানিতে ডুবে থাকায় যানবাহনের চাকা আটকে যাচ্ছে।
বালিয়াকান্দি স্টেডিয়াম মাঠ থেকে সাধু মোল্যার মোড়, ওয়াপদা মোড়, তালপট্টি, বালিয়াকান্দি চৌরাস্তা থেকে ঘিকমলা পর্যন্ত সড়কটির দৈর্ঘ্য প্রায় প্রায় ১৪ কিলোমিটার। বালিয়াকান্দি থানা গেট থেকে চন্দনা ব্রিজ পর্যন্ত ভাঙাচোরা সড়কের বেশির ভাগ জায়গায় সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের । বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে সড়কটি যানবাহন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন যাবত এ অবস্থা বিরাজ করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে।
ট্রাকচালক বলেন, ‘ বালিয়াকান্দি সদরের ওয়াপদায় এসে আমার ট্রাকটি সড়কের মাঝখানে আটকে যায়। সড়কে পানি থাকায় বুঝতে পারিনি যে, গর্তটি বড় ছিল। উপজেলা সদরে সড়কের এই হাল হতে পারে চিন্তাই করা যায় না। আগেই সড়কটি হলো এখনই কার্পেটিং উঠে গেল। কি দিয়ে সড়ক বানালো। ইঞ্জিনিয়াররা কি দেখে না এগুলো।
মোটরসাইকেল বলেন, ‘এই রাস্তার বেহাল দশা অনেক দিনের। এপথে বর্তমানে চলাচল অসম্ভব হয়ে গেছে।’ ভ্যানচালক বলেন, ‘এপথে যাত্রী বা পণ্য নিয়ে যাওয়ার কথা শুনলেই ভয় হয় কখন যেন গর্তে পড়ে যাই।’
পুরো সড়কজুড়ে রয়েছে এরকম অসংখ্য গর্তবালিয়াকান্দি উপজেলা প্রকৌশলী রেজওয়ান খান নাফিজ জানান, বালিয়াকান্দি থেকে নারুয়া এবং বালিয়াকান্দির ওয়াপদা থেকে মধুখালী সড়কটি দীর্ঘদিন খানাখন্দ সৃষ্টি হওয়ায় এ পথে চলাচলকারী মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিষয়টি বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রকৌশল দফতর থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হচ্ছে। আরসিআইপি নামে প্রকল্পে সড়কগুলো অন্তর্ভুক্ত কার্পেটিং এর কাজ হয়েছিল।ওভার লোডিং এর কারণে সড়কের বেহাল অবস্থা হয়েছে। আশা করছি,শিগগিরই সড়কগুলো মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী 













