ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে ২০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনএসআই মাঠ কর্মকর্তা বিরুদ্ধে

ফকির গোলাম তাবরেজ
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:১২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৩৯ বার পঠিত

জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মাঠ কর্মকর্তা অহিদুল ইসলাম দুর্জয়ের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া ও প্রতারনার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক নারী। শনিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে লিখিত অভিযোগে হাফিজা আক্তার ঝুমুর জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মাঠ কর্মকর্তা অহিদুল ইসলাম দুর্জয়ের বিরুদ্ধে ওই অভিযোগ তুলে ধরেন। হাফিজা আক্তার ঝুমুর শরনখোলা উপজেলার নলবুনিয়া গ্রামের মৃত সিদ্দিক সরদারের কন্যা।

লিখিত অভিযোগে ঝুমুর বলেন, শরনখোলা উপজেলার ছোট নলবুনিয়া গ্রামের আবু হানিফ মাওলানার ছেলে অহিদুল ইসলাম দুর্জয়ের সাথে ২০২০ সালে কোডেক এনজিওতে চাকুরী করার সুবাদে তার সাথে আমার পরিচয় হয়। সেই থেকে আমাদের মধ্যে ভাল সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তখন আনেক আপত্তিকর ছবিও তুলেছে সেই ছবিগুলি আমার আত্মীয় স্বজন ও আমার স্বামীকে পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আমাকে বিয়ের কথা বলে শারিরীক সম্পর্ক গড়ে তোলে। সেই থেকে অহিদুল বিভিন্ন সময় চাকুরীর ও ব্যবসাসহ বিভিন্ন অজুহাতে আমার কাছ থেকে নগদ টাকা নেয়।

পরে গত ২৫ নভেম্বর ২০২৩ সালে তার জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মাঠ কর্মকর্তা হিসাবে চাকুরি হলে আমি আমার পাওনা টাকা চাইলে অহিদুল ইসলাম দুর্জয় আমাকে একটা ২০ লক্ষ টাকার চেক প্রদার করে চেক নিয়ে ব্যাংকে টাকা তুলতে গেলে জানতে পারি ঐ চেকের মালিক তার সেজ ভাই মোঃ এনামূল হাওলাদার।

আমি এ ঘটনায় ৯ এপ্রিল ২০২৪ ইং তারিখে চেক জালিয়াতির একটি প্রতারনা অভিযোগে আদালতে মামলা দ্বায়ের করি। এ মামলায় গত ১৬মার্চ ২০২৫ তারিখে কোট জেল হাজতে প্রেরন করে এখনো সে বাগেরহাট জেলা কারাগারে আছে। আমি এই প্রতারক জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মাঠ কর্মকর্তা অহিদুল ইসলাম দুর্জয়ের দ্বারা আমি মারাত্মকভাবে প্রতারিত হয়েছি। তার বিচার ও শাস্তির দাবি জানাই।’

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে ২০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনএসআই মাঠ কর্মকর্তা বিরুদ্ধে

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:১২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মাঠ কর্মকর্তা অহিদুল ইসলাম দুর্জয়ের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া ও প্রতারনার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক নারী। শনিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে লিখিত অভিযোগে হাফিজা আক্তার ঝুমুর জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মাঠ কর্মকর্তা অহিদুল ইসলাম দুর্জয়ের বিরুদ্ধে ওই অভিযোগ তুলে ধরেন। হাফিজা আক্তার ঝুমুর শরনখোলা উপজেলার নলবুনিয়া গ্রামের মৃত সিদ্দিক সরদারের কন্যা।

লিখিত অভিযোগে ঝুমুর বলেন, শরনখোলা উপজেলার ছোট নলবুনিয়া গ্রামের আবু হানিফ মাওলানার ছেলে অহিদুল ইসলাম দুর্জয়ের সাথে ২০২০ সালে কোডেক এনজিওতে চাকুরী করার সুবাদে তার সাথে আমার পরিচয় হয়। সেই থেকে আমাদের মধ্যে ভাল সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তখন আনেক আপত্তিকর ছবিও তুলেছে সেই ছবিগুলি আমার আত্মীয় স্বজন ও আমার স্বামীকে পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আমাকে বিয়ের কথা বলে শারিরীক সম্পর্ক গড়ে তোলে। সেই থেকে অহিদুল বিভিন্ন সময় চাকুরীর ও ব্যবসাসহ বিভিন্ন অজুহাতে আমার কাছ থেকে নগদ টাকা নেয়।

পরে গত ২৫ নভেম্বর ২০২৩ সালে তার জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মাঠ কর্মকর্তা হিসাবে চাকুরি হলে আমি আমার পাওনা টাকা চাইলে অহিদুল ইসলাম দুর্জয় আমাকে একটা ২০ লক্ষ টাকার চেক প্রদার করে চেক নিয়ে ব্যাংকে টাকা তুলতে গেলে জানতে পারি ঐ চেকের মালিক তার সেজ ভাই মোঃ এনামূল হাওলাদার।

আমি এ ঘটনায় ৯ এপ্রিল ২০২৪ ইং তারিখে চেক জালিয়াতির একটি প্রতারনা অভিযোগে আদালতে মামলা দ্বায়ের করি। এ মামলায় গত ১৬মার্চ ২০২৫ তারিখে কোট জেল হাজতে প্রেরন করে এখনো সে বাগেরহাট জেলা কারাগারে আছে। আমি এই প্রতারক জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মাঠ কর্মকর্তা অহিদুল ইসলাম দুর্জয়ের দ্বারা আমি মারাত্মকভাবে প্রতারিত হয়েছি। তার বিচার ও শাস্তির দাবি জানাই।’