ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
তাজা খবর
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
গ্রামীণ আবহ আর কারুপণ্যের সম্ভার নিয়ে চলছে বৈশাখী মেলা
কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে মারা গেছেন
বরেণ্য গীতিকবি,সুরকার,লেখক ও সংগীত গুরু ইউনুস আলী মোল্লার
স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে মাদারীপুরে ৩০ শিক্ষার্থী অসুস্থ
গণধর্ষেণের শিকার ৬-বছরের শিশু ও ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী: গ্রেফতার-১
জাল টাকার কারখানায় অভিযান, আটক-১
জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ
ভাইয়ের হাতে ভাই খুন, ঘাতক ভাই গ্রেফতার

রুবেল আহমেদ, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:৫৯:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
- / ৬৭ বার পঠিত

রুবেল আহমেদ, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ফাটাবিল এলাকায় ছোট ভাইকে হত্যার ঘটনায় বড় ভাই হানিফ মিয়া (৩৫) কে গ্রেফতার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। গতকাল (১৫ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে কুমিল্লা সদর কোতোয়ালী থানাধীন সংরাইশ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গত ১১ মার্চ ২০২৬ খ্রি. বিকাল আনুমানিক ৫টা ৪০ মিনিটে সদর উপজেলার ফাটাবিল এলাকায় সরকারি রাস্তার ব্রিজের উপর তুচ্ছ পারিবারিক বিরোধের জেরে তামিম মিয়া (১৮) কে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। নিহত তামিম মিয়া একই এলাকার বাসিন্দা শাহেদ আলীর ছেলে।
মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, নিহত তামিম মিয়া তার ভাই হানিফ মিয়ার ছেলে সাইদুল (১০) কে শাসন করা (থাপ্পড়) নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে বড় ভাই হানিফ মিয়া ঘটনাস্থলে এসে তামিম মিয়ার সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে এবং এক পর্যায়ে ধারালো চাকু দিয়ে গলার নিচে আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর ঘাতক হানিফ মিয়া হত্যকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকুটি ব্রিজের নিচে ফেলে দিয়ে এলাকা ছেড়ে অজ্ঞাত স্থানে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় নিহতের বোন সাথী আক্তার (২৩) বাদী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-২২/৬৩, তারিখ-১১/০৩/২০২৬ খ্রি., ধারা-৩০২ পেনাল কোড ১৮৬০)।
ঘটনার সংবাদ প্রাপ্তির পরই পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন এর নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল খয়ের এর নেতৃত্বে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম, এসআই হীরণ কুমার বিশ্বাস, এসআই উৎপল কুমার সাহা, এসআই জয়ন্ত সরকার, এসআই আশরাফুল আলম চৌধুরী, এএসআই রানা মিয়া, এএসআই সাইদুর রহমান এবং কনস্টেবল পিন্টু চন্দ্র শীলসহ একটি বিশেষ টিম গঠন করে অভিযান পরিচালনা করা হয়। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অবশেষে আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামী হানিফ মিয়া ঘটনার দায় স্বীকার করেছে। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ঘটনাস্থলের ব্রিজের নিচ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকু এবং ঘটনার সময় পরিহিত পোশাক উদ্ধার করা হয়েছে।


















