ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ভান্ডারিয়ায় জমিজমা ও ব্যবসা নিয়ে দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বে নিহত-১: আটক-১

আঞ্চলিক প্রতিনিধি (পিরোজপুর)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৩৯:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫
  • / ৫৫ বার পঠিত

ভান্ডারিয়ায় জমিজমা সংক্রান্ত ও বিভিন্ন ব্যবসা (বালু ও মাদক) নিয়ে দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বের জেরে আবু সালেহ (৩৭) নামের এক যুবক নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত আরও একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে উপজেলার ৭নম্বর গৌরীপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের পাতলাখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবু সালেহ পাতলাখালী গ্রামের মৃত আব্দুল খালেক হাওলাদারের ছেলে। আপন ছোট ভাই আবুল বাশার রুবেল‘র (২৭) একটি পা কুপিয়ে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় রেক্সোনা বেগম নামের এক নারীকে আটক করা হয়েছে। নিহতের স্ত্রী লাভনী আক্তার জানান, আমরা ঘরে ঘুমে ছিলাম, রাতে আমার দেবরের রুবেলের ডাক চিৎকার শুনে আমার স্বামী আবু সালেহ ও আমি ঘরে থেকে বেড় হয়ে তার ঘরে গিয়ে দেখি সুমন ও আরো লোকজনে রুবেলকে কুপিয়ে ফেলে রেখেছে। আমারা যাওয়ার সাথে সাথে আমার স্বামী আবু সালেহকে ধারালো অস্র দিয়ে কোপাতে শুরু করে। আমার পায়ে হাতুরি দিয়ে আঘাত করে, আমাদের ঘরে ডুকে সুকেচ ভেঙ্গে সম্প্রতি সুপারি বিক্রির ১ লক্ষ টাকা ও দুই ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। আমরা ৯৯৯ ফোন দিলে ভাÐারিয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে ভাÐারিয়া উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আবু সালেহ এবং আবুল বাশার রুবেলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। পথিমধ্যে আবু সালেহ মারা যায়। আবুল বাশার রুবেল গুরুত্বর অবস্থায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। নিহত আবু সালেহ এর বোন জানান, রাত আড়াইটার দিকে আমার চাচাতে ভাই মো. শহিদুল ইসলাম সুমন, মো. রুম্মানসহ তাদের সাথে মো. নজরুল ইসলাম বাবুল চৌকিদার, মো. নান্না, মো. লিটন, মো. মিরাজ,  মো. সবুজ, মো. মাসুম শরিফসহ অনুমান ১০-১৫ জনের একটি দল আমার ভাই আবুল বাশার রুবেলের ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। তার ডাক চিৎকারে তার বড় ভাই আবু সালেহ, তার স্ত্রী মোসাম্মৎ সোনালী আক্তার ঘর থেকে বের হয়ে রুবেলের ঘরের কাছে গেলে আবু সালেহকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পাশর্^বর্তী একটি ডোবায় ফেলে রেখে যায়। এ ব্যাপারে ভাÐারিয়া থানার ওসি আহমদ আনওয়ার জানান, এ ঘটনায় রেক্সোনা নামের এক নারীকে আটক করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন। যদি মামলার এজাহারে ওই নারীর নাম থাকে তাহলে তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে কোর্টে প্রেরণ করা হবে।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ভান্ডারিয়ায় জমিজমা ও ব্যবসা নিয়ে দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বে নিহত-১: আটক-১

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৩৯:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫

ভান্ডারিয়ায় জমিজমা সংক্রান্ত ও বিভিন্ন ব্যবসা (বালু ও মাদক) নিয়ে দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বের জেরে আবু সালেহ (৩৭) নামের এক যুবক নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত আরও একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে উপজেলার ৭নম্বর গৌরীপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের পাতলাখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবু সালেহ পাতলাখালী গ্রামের মৃত আব্দুল খালেক হাওলাদারের ছেলে। আপন ছোট ভাই আবুল বাশার রুবেল‘র (২৭) একটি পা কুপিয়ে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় রেক্সোনা বেগম নামের এক নারীকে আটক করা হয়েছে। নিহতের স্ত্রী লাভনী আক্তার জানান, আমরা ঘরে ঘুমে ছিলাম, রাতে আমার দেবরের রুবেলের ডাক চিৎকার শুনে আমার স্বামী আবু সালেহ ও আমি ঘরে থেকে বেড় হয়ে তার ঘরে গিয়ে দেখি সুমন ও আরো লোকজনে রুবেলকে কুপিয়ে ফেলে রেখেছে। আমারা যাওয়ার সাথে সাথে আমার স্বামী আবু সালেহকে ধারালো অস্র দিয়ে কোপাতে শুরু করে। আমার পায়ে হাতুরি দিয়ে আঘাত করে, আমাদের ঘরে ডুকে সুকেচ ভেঙ্গে সম্প্রতি সুপারি বিক্রির ১ লক্ষ টাকা ও দুই ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। আমরা ৯৯৯ ফোন দিলে ভাÐারিয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে ভাÐারিয়া উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আবু সালেহ এবং আবুল বাশার রুবেলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। পথিমধ্যে আবু সালেহ মারা যায়। আবুল বাশার রুবেল গুরুত্বর অবস্থায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। নিহত আবু সালেহ এর বোন জানান, রাত আড়াইটার দিকে আমার চাচাতে ভাই মো. শহিদুল ইসলাম সুমন, মো. রুম্মানসহ তাদের সাথে মো. নজরুল ইসলাম বাবুল চৌকিদার, মো. নান্না, মো. লিটন, মো. মিরাজ,  মো. সবুজ, মো. মাসুম শরিফসহ অনুমান ১০-১৫ জনের একটি দল আমার ভাই আবুল বাশার রুবেলের ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। তার ডাক চিৎকারে তার বড় ভাই আবু সালেহ, তার স্ত্রী মোসাম্মৎ সোনালী আক্তার ঘর থেকে বের হয়ে রুবেলের ঘরের কাছে গেলে আবু সালেহকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পাশর্^বর্তী একটি ডোবায় ফেলে রেখে যায়। এ ব্যাপারে ভাÐারিয়া থানার ওসি আহমদ আনওয়ার জানান, এ ঘটনায় রেক্সোনা নামের এক নারীকে আটক করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন। যদি মামলার এজাহারে ওই নারীর নাম থাকে তাহলে তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে কোর্টে প্রেরণ করা হবে।