মঠবাড়িয়ায় বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন আজ, নেতৃত্বে আসছেন কারা?

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:৩৩:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫
- / ৫১ বার পঠিত

মঠবাড়িয়ায় বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন আজ, নেতৃত্বে আসছেন কারা?
বহু প্রতীক্ষিত মঠবাড়িয়া উপজেলা পৌর বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন আজ (৮ জুলাই) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ সম্মেলন ঘিরে পৌরজুড়ে বইছে উৎসবমুখর পরিবেশ। পুরো শহরজুড়ে নির্মাণ করা হয়েছে বর্ণাঢ্য প্যান্ডেল, টানানো হয়েছে ব্যানার-ফেস্টুন, এবং নেতাকর্মীদের মাঝে বিরাজ করছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।
সংঘর্ষ ও উত্তেজনা:
সম্মেলন উপলক্ষে চলমান সদস্যপদ যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়ায় গত কয়েকদিনে একাধিকবার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সদস্য তালিকা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে কয়েক দফা সংঘর্ষে অন্তত সাতজন আহত হন। এছাড়া বিএনপির একটি অংশের কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে, যা সম্মেলনকে ঘিরে নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রতি প্রশ্ন তুলেছে।
উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় নেতা:
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু। এতে পৌর বিএনপির শত শত নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতি প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
প্রার্থীদের তালিকা:
এবারের সম্মেলনে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সভাপতি পদে:
১. নাজমুল হাসান কামাল মুন্সি
২. মোঃ জসিম উদ্দিন করাজীসাধারণ সম্পাদক পদে:
১. অহিদুজ্জামান খান মিল্টন
২. আবুল কালাম আজাদ আবু
৩. মোঃ মিজানুর রহমান মিজানসাংগঠনিক সম্পাদক পদে:
১. ছগির মল্লিক
২. জুমান ফরাজী
৩. ডা. রিয়াজুল হক
৪. রিয়াজুল হক (মাম)
৫. মন্টু মিয়া
৬. হারুন অর রশিদ
নেতাদের বক্তব্য:
সম্মেলন সফল করতে নেওয়া প্রস্তুতি প্রসঙ্গে পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কে এম হুমায়ুন কবির বলেন,
“সম্মেলন সফল করতে আমরা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছি। এটি পৌর বিএনপির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ও সুশৃঙ্খল সম্মেলন হবে। এতে শত শত নেতা-কর্মীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে। ত্যাগী নেতাদের সম্মান জানিয়ে তাদের নেতৃত্বে আনা হবে।”
উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শামীম মৃধা বলেন,
“মাঠপর্যায়ের নেতাদের মতামতের ভিত্তিতেই নতুন নেতা নির্বাচন করা হবে। সম্মেলনকে ঘিরে সকল সাংগঠনিক প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।”
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট:
এই সম্মেলনের মাধ্যমে পৌর বিএনপির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নির্ধারণ হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা। সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ, ও অভ্যন্তরীণ উত্তেজনা সত্ত্বেও সম্মেলনটি স্থানীয় রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিতে যাচ্ছে।



















