ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

মোংলায় অবৈধ দখলদাররা এখনো সক্রীয়।

জিয়াউল ইসলাম মিঠু,মোংলা, (বাগেরহাট)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:০৪:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৭৫ বার পঠিত

oplus_32

বাংলাদেশের দ্বিতীয় সামুদ্রিক বন্দর মোংলা।এই বন্দরে বহির্বিশ্বের বিভিন্ন বন্দর থেকে বানিজ্যিক জাহাজ আসা যাওয়া করে।এরই ফলশ্রুতিতে মোংলা বন্দর জাতীয় অর্থনীতিতে ও দেশের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলছে।বিগত ফ্যাসীবাদ আমলে বিভিন্ন দেশের জাহাজ বন্দরে আসলেও কার্যত ভারত এই বন্দরকে একক ভাবে তার দেশের সার্থে ব্যাবহার করছে।মোংলা বন্দর কতৃপক্ষের নিজস্ব অনেক সম্পত্তি রয়েছে।মোংলা পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডে রিভার সাইড রোডের দুই পার্শ্বে মোংলা বন্দর কতৃপক্ষের অনুমোদন না নিয়ে অবৈধ ভাবে মার্কেট,বিভিন্ন প্রকারের দোকান ঘর,গোডাউন ঘর ও অফিস গড়ে উঠেছিলো।এর বেশীরভাগই সরকারী দলের লেকজনের নিয়ত্রনে ছিলো।
এবং এই সব অবৈধ স্হাপনা দিয়ে কোটি,কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে কিছু দুষ্কৃতকারী ফকির থেকে কোটিপতি হয়েছে।ডঃ ইউনুস সরকার গঠন করার পরে এই সকল অবৈধ স্হাপনা বন্দর কতৃপক্ষ নোটিশের মাধ্যমে ভেংগে দিয়েছ।কিন্তু এরপরপরই কিছু দুষ্কৃতকারীরা ভেংগে দেওয়া অবৈধ স্হাপনা পূনরায় দখলের পায়তারা চালাচ্ছে।ভেংগে দেওয়া স্হাপনা থেকে আর্বজনা পরিষ্কার করছে না,এবং এই সকল অবৈধ স্হাপনায় অবৈধ দখলদাররা তাদের ব্যাবসায়ীক বিভিন্ন মালামাল রেখে এখনও ব্যাবহার করছে।
অনেকে আবার ভেংগে দেওয়া প্লট ঘিরে ফেলেছে।এই সকল দখলদারদের বিরুদ্ধে এখনই প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহন করা নাহলে বন্দর কতৃপক্ষের হাজার,হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি পূনরায় গ্রাস করে ফেলবে এই অবৈধ দখলবাজরা।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

মোংলায় অবৈধ দখলদাররা এখনো সক্রীয়।

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:০৪:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫
বাংলাদেশের দ্বিতীয় সামুদ্রিক বন্দর মোংলা।এই বন্দরে বহির্বিশ্বের বিভিন্ন বন্দর থেকে বানিজ্যিক জাহাজ আসা যাওয়া করে।এরই ফলশ্রুতিতে মোংলা বন্দর জাতীয় অর্থনীতিতে ও দেশের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলছে।বিগত ফ্যাসীবাদ আমলে বিভিন্ন দেশের জাহাজ বন্দরে আসলেও কার্যত ভারত এই বন্দরকে একক ভাবে তার দেশের সার্থে ব্যাবহার করছে।মোংলা বন্দর কতৃপক্ষের নিজস্ব অনেক সম্পত্তি রয়েছে।মোংলা পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডে রিভার সাইড রোডের দুই পার্শ্বে মোংলা বন্দর কতৃপক্ষের অনুমোদন না নিয়ে অবৈধ ভাবে মার্কেট,বিভিন্ন প্রকারের দোকান ঘর,গোডাউন ঘর ও অফিস গড়ে উঠেছিলো।এর বেশীরভাগই সরকারী দলের লেকজনের নিয়ত্রনে ছিলো।
এবং এই সব অবৈধ স্হাপনা দিয়ে কোটি,কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে কিছু দুষ্কৃতকারী ফকির থেকে কোটিপতি হয়েছে।ডঃ ইউনুস সরকার গঠন করার পরে এই সকল অবৈধ স্হাপনা বন্দর কতৃপক্ষ নোটিশের মাধ্যমে ভেংগে দিয়েছ।কিন্তু এরপরপরই কিছু দুষ্কৃতকারীরা ভেংগে দেওয়া অবৈধ স্হাপনা পূনরায় দখলের পায়তারা চালাচ্ছে।ভেংগে দেওয়া স্হাপনা থেকে আর্বজনা পরিষ্কার করছে না,এবং এই সকল অবৈধ স্হাপনায় অবৈধ দখলদাররা তাদের ব্যাবসায়ীক বিভিন্ন মালামাল রেখে এখনও ব্যাবহার করছে।
অনেকে আবার ভেংগে দেওয়া প্লট ঘিরে ফেলেছে।এই সকল দখলদারদের বিরুদ্ধে এখনই প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহন করা নাহলে বন্দর কতৃপক্ষের হাজার,হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি পূনরায় গ্রাস করে ফেলবে এই অবৈধ দখলবাজরা।