ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
তাজা খবর
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
গ্রামীণ আবহ আর কারুপণ্যের সম্ভার নিয়ে চলছে বৈশাখী মেলা
কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে মারা গেছেন
বরেণ্য গীতিকবি,সুরকার,লেখক ও সংগীত গুরু ইউনুস আলী মোল্লার
মৎস অফিসের হিসাব রক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়

প্রতিবেদক
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৪০:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫
- / ৪৭ বার পঠিত

মো: ফয়সাল আকন, পিরোজপুর সদর উপজেলা প্রতিনিধি : বিভিন্ন ধরণের দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে পিরোজপুর জেলা মৎস অধিদপ্তরের হিসাব রক্ষক মোঃ ফিরোজ হোসেন এর বিরুদ্ধে। সুকৌশলে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে মা ইলিশ রক্ষায় অবরোধ চলাকালীন সময় কিছু জেলেদের নদীতে মাছ ধরার সুযোগ দেওয়া, অর্থের বিনিময়ে জেলেদের অবৈধ জাল দিয়ে মাছ ধরতে সুযোগ দেওয়া এবং ঊর্ধ্বতন অফিসারদের দেওয়ার কথা বলে জেলেদের কাছ থেকে মাছ সংগ্রহ করার অভিযোগে মৎস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সহ বিভিন্ন দপ্তরে ফিরোজের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে মনির হোসেন নামের এক ব্যক্তি। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি পিরোজপুরের বিভিন্ন উপজেলায় মৎস অধিদপ্তর থেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। ভূয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে অন্যকে ঠিকাদার দেখিয়ে সে নিজেই নিম্নমানের রোগা পাতলা মাছের পোনাগুলো মৎসা অফিসের মাধ্যমে সরবরাহ করেন। এর মধ্যে অনেক মাছ অবমুক্ত করার পর পরই মারা গেছে। এছাড়া গত বছরের ১৩ অক্টোবর থেকে ২২ দিনের জন্য মা ইলিশ সংরক্ষণ জন্য মাছ ধরার উপর অবরোধ চলাকালীন সময়ে জেলেদের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে অনেক জেলেকেই মাছ ধরার সুযোগ করে দেয় ফিরোজ। এমনকি অবৈধ বেহুন্দি এবং চরগড়া সহ বিভিন্ন অবৈধ জাল দিয়ে জেলেদের মাছ শিকারে সহযোগীতা করে বলে ফিরোজের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়। এজন্য সে জেলেদের কাছ থেকে অনৈতিক আর্থিক সুবিধা গ্রহন করেন। পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দেওয়ার কথা বলে জেলেদের কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মাছ সংগ্রহ করার অভিযোগও করা হয় ফিরোজের বিরুদ্ধে। এছাড়াও রাতে ঠিকাদারদের নিয়ে জেলা মৎস অফিসে মিটিং করার বিষয়ে ফিরোজের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। ফিরোজের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ করা হয় যে, দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ প্রকল্প পরিচালকের অফিসে ঠিকাদার নিয়ে গিয়ে তদবির করেছেন ফিরোজ। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ফিরোজ দাবি করেন, সে কোন ঠিকাদারি কাজের সাথে জড়িত নয়। একটি পক্ষ তার কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা না পেয়েই তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ এনেছে।
আরও পড়ুন:


















