ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

রাজনগরে দৈনিক ষোল ঘন্টা লোডশেডিং অব্যাহত,হতাশায় পরীক্ষার্থীরা

সঞ্জয় মালাকার, মৌলভীবাজার
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৫ বার পঠিত
Print News

সঞ্জয় মালাকার, মৌলভীবাজার:   মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। বিদ্যুতের এই সংকট শুধু পড়াশোনাতেই নয়, পুরো জনজীবনকেই বিপর্যস্ত করে তুলেছে। রাতের বেলা যখন পড়াশোনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়, ঠিক তখনই চলে যায় বিদ্যুৎ।

মোমবাতি বা হারিকেনের আলোয় পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। তীব্র গরম আর অপর্যাপ্ত আলোয় মনোযোগ ধরে রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
এই সংকট শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, সাধারণ মানুষের জীবনও থমকে গেছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেমে এসেছে স্থবিরতা।
রাজনগরে বর্তমানে দিনের ২৪ ঘন্টার মধ্যে  লোডশেডিং হয় ১৬ ঘন্টা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে দেখা গেছে সকল এলাকায় একই অবস্থা।
অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে সাধারণ মানুষ।তাদের দাবি, অন্তত পরীক্ষার সময়টুকুতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা হোক।
এরই মধ্যে মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি এটাকে জ্বালানি সংকটের কারনে ঘটমান দূর্ঘটনা বলে মাইকিং করছে এলাকায় এলাকায়। প্রশাসনের জরুরি পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

রাজনগরে দৈনিক ষোল ঘন্টা লোডশেডিং অব্যাহত,হতাশায় পরীক্ষার্থীরা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
Print News

সঞ্জয় মালাকার, মৌলভীবাজার:   মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। বিদ্যুতের এই সংকট শুধু পড়াশোনাতেই নয়, পুরো জনজীবনকেই বিপর্যস্ত করে তুলেছে। রাতের বেলা যখন পড়াশোনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়, ঠিক তখনই চলে যায় বিদ্যুৎ।

মোমবাতি বা হারিকেনের আলোয় পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। তীব্র গরম আর অপর্যাপ্ত আলোয় মনোযোগ ধরে রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
এই সংকট শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, সাধারণ মানুষের জীবনও থমকে গেছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেমে এসেছে স্থবিরতা।
রাজনগরে বর্তমানে দিনের ২৪ ঘন্টার মধ্যে  লোডশেডিং হয় ১৬ ঘন্টা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে দেখা গেছে সকল এলাকায় একই অবস্থা।
অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে সাধারণ মানুষ।তাদের দাবি, অন্তত পরীক্ষার সময়টুকুতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা হোক।
এরই মধ্যে মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি এটাকে জ্বালানি সংকটের কারনে ঘটমান দূর্ঘটনা বলে মাইকিং করছে এলাকায় এলাকায়। প্রশাসনের জরুরি পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।