ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
তাজা খবর
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
গ্রামীণ আবহ আর কারুপণ্যের সম্ভার নিয়ে চলছে বৈশাখী মেলা
কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে মারা গেছেন
বরেণ্য গীতিকবি,সুরকার,লেখক ও সংগীত গুরু ইউনুস আলী মোল্লার
তামাক চাষে অনিশ্চয়তা, বিপাকে লামা-আলীকদমের কৃষক

জাহিদ হাসান,বান্দরবান
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:৩৫:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
- / ১৩ বার পঠিত

জাহিদ হাসান,বান্দরবান: লামা-আলীকদমে বিপাকে পড়েছে তামাক চাষিরা জাপান টোব্যাকোর বিরুদ্ধে কৃষক হয়রানীর অভিযোগ। বিক্ষুব্ধ তামাক চাষিরা যে কোনো সময় প্রতিবাদে প্রতিবাদে ফুঁসে উঠতে পারে। শত শত কৃষকদেরকে চাষে উদ্বুদ্ধ করে এখন তামাক নিতে গড়িমসি করছেন টোব্যাকো কোম্পানিগুলো।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) আলীকদমের একটি ক্রয় কেন্দ্রে কৃষকদের সাথে জাপান টোব্যাকো কোম্পানির লোকদের উত্তেজনাকর বাকবিতন্ডা হয়। তামাকপাতার মান নির্ণয় (গ্রেডিংয়ে) এর ক্ষেত্রে কৃষকদেরকে ঠকানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অপরদিকে ব্রিটিশ আমেরিকা, আবুল টোব্যাকো কোম্পানি এখনো তামাক ক্রয় শুরু করেন নাই। জানাযায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে বহুজাতিক কোম্পানি তামাক ক্রয়ে দ্বিধাদ্বন্দে পড়েছেন। অপরদিকে জ্বালানি তেলের সংকট ও মুল্য বৃদ্ধির ফলে দেশীয় কোম্পানিগুলোও পরিবহন ব্যায় নিয়ে নানান শঙ্কায় রয়েছে।
এর ফলে উৎপাদিত তামাক নিয়ে হাজারো কৃষক হতাশায় ভোগছেন। জানাগেছে, কৃষকদের রোষাণলে পড়ার আশঙ্কায় ভোগছেন কোম্পানীর লোকেরা। তামাক চাষিরা অন্য ফসলের চেয়ে বেশি মুনাফার আশায় চড়া সুদে ঋণ নিয়ে এই ঝুঁকিপুর্ন চাষে বিনিয়োগ করে আসছেন। কিন্তু কোম্পানির খামখেয়ালিপনায় এসব তামাকের প্রকৃত মুল্যে না পেলে অনেক কৃষক দেউলিয়া হয়ে এলাকা ছাড়তে হবে। বিগত চার দশকে এই ধরণের ঘটনায় প্রান্তিক পর্যায়ের অনেক চাষি দেনা পরিশোধ করতে না পেরে আত্মহত্যা করার নজির রয়েছে।
সরকারের কৃষি বিভাগের অমনোযোগীতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে লামা-আলীকদমে প্রচুর পরিমান সেচযোগ্য কৃষি জমিতেও তামাকপাতা চাষ হয়ে আসছে। সরকারি ভর্তুকি মুল্যে বিদ্যুৎ, সার ইত্যাদি সুবিধা নিয়ে তামাক চাষের সুফল নেয় কোম্পানিগুলো। এর ফলে এই অঞ্চলে ধানসহ জীবন ঘনিষ্ট অনেক নিত্যপন্যের চাষ হতাশাজনকভাবে কমে গেছে। সবুজ গাছপালা উজাড়, বাতাশে বিষক্রিয়া মিশে শ্বাসকষ্ট, ক্যান্সারসহ প্রানঘাতি নানান রোগ ছড়াচ্ছে।
শুকিয়ে গেছে নদী, ঝিরি ঝর্ণা, জলাশয় এবং জীববৈচিত্র্য চরম হুমকির মুখে পড়েছে। কৃষকরা জানান, এত এত ক্ষতি স্বীকার করেও অর্থকরি বিকল্প চাষের সুযোগ না পেয়ে আমরা পরিবেশ ও জীবনঘাতি তামাক উৎপাদন করে সেই পন্য বিক্রি করতে না পারার যন্ত্রণাটা সকল কর্তৃপক্ষ অনুধ্যান করা দরকার।এ বিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও টোব্যাকো কোম্পানির কারো বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয় নাই।


















