ঢাকা, বাংলাদেশ। , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
মিলন ও সুরুজ আলীকে সাময়িক অব্যাহতি

রাজশাহী প্রেসক্লাবে জরুরি সভা: হামলার ঘটনায় তদন্ত কমিটি

অপু দাস, স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:২২:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
  • / ৪১ বার পঠিত
অপু দাস, স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী:  রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিমের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজশাহী প্রেসক্লাবে একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উপস্থিত সাংবাদিক নেতারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেন। একই সঙ্গে প্রেসক্লাবের দুই কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) রাজশাহী প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই জরুরি সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সরদার শরিফ উদ্দিন। সভা সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন। সভায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন এবং ঘটনার বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।
সভায় বক্তারা বলেন, একজন সাংবাদিক নেতার ওপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। এটি শুধু একজন ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়, বরং পুরো সাংবাদিক সমাজের মর্যাদা ও নিরাপত্তার ওপর আঘাত হিসেবে বিবেচিত। তাই ঘটনার সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দৈনিক আমাদের রাজশাহী পত্রিকার সম্পাদক আফজাল হোসেন, রাজশাহীর সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক আহসান হাবীব অপু এবং রাজশাহীর আলো পত্রিকার সম্পাদক আজিবর রহমানকে। কমিটিকে ঘটনাটি খতিয়ে দেখে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাজশাহী প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক নূরে ইসলাম মিলন এবং পাঠাগার সম্পাদক সুরুজ আলীকে সাময়িকভাবে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই অব্যাহতি বহাল থাকবে বলে জানানো হয়।
সভায় উপস্থিত সাংবাদিক নেতারা বলেন, সংবাদকর্মীরা সমাজের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন এবং জনগণের স্বার্থে কাজ করেন। তাই তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পেশাগত মর্যাদা রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সে জন্য প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

মিলন ও সুরুজ আলীকে সাময়িক অব্যাহতি

রাজশাহী প্রেসক্লাবে জরুরি সভা: হামলার ঘটনায় তদন্ত কমিটি

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:২২:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
অপু দাস, স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী:  রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিমের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজশাহী প্রেসক্লাবে একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উপস্থিত সাংবাদিক নেতারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেন। একই সঙ্গে প্রেসক্লাবের দুই কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) রাজশাহী প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই জরুরি সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সরদার শরিফ উদ্দিন। সভা সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন। সভায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন এবং ঘটনার বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।
সভায় বক্তারা বলেন, একজন সাংবাদিক নেতার ওপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। এটি শুধু একজন ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়, বরং পুরো সাংবাদিক সমাজের মর্যাদা ও নিরাপত্তার ওপর আঘাত হিসেবে বিবেচিত। তাই ঘটনার সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দৈনিক আমাদের রাজশাহী পত্রিকার সম্পাদক আফজাল হোসেন, রাজশাহীর সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক আহসান হাবীব অপু এবং রাজশাহীর আলো পত্রিকার সম্পাদক আজিবর রহমানকে। কমিটিকে ঘটনাটি খতিয়ে দেখে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাজশাহী প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক নূরে ইসলাম মিলন এবং পাঠাগার সম্পাদক সুরুজ আলীকে সাময়িকভাবে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই অব্যাহতি বহাল থাকবে বলে জানানো হয়।
সভায় উপস্থিত সাংবাদিক নেতারা বলেন, সংবাদকর্মীরা সমাজের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন এবং জনগণের স্বার্থে কাজ করেন। তাই তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পেশাগত মর্যাদা রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সে জন্য প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।