ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
তাজা খবর
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
গ্রামীণ আবহ আর কারুপণ্যের সম্ভার নিয়ে চলছে বৈশাখী মেলা
কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে মারা গেছেন
বরেণ্য গীতিকবি,সুরকার,লেখক ও সংগীত গুরু ইউনুস আলী মোল্লার
স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে মাদারীপুরে ৩০ শিক্ষার্থী অসুস্থ
গণধর্ষেণের শিকার ৬-বছরের শিশু ও ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী: গ্রেফতার-১
জাল টাকার কারখানায় অভিযান, আটক-১
জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মসূচিতে রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ

জাহাঙ্গীর আলম, ফুলবাড়ী প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:২৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
- / ৪৯ বার পঠিত

জাহাঙ্গীর আলম, ফুলবাড়ী প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র উদ্যোগে আয়োজিত শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য ও রাজনৈতিক বিতর্ক। অভিযোগ উঠেছে, নির্বাচনকালীন সময়ে আচরণবিধি উপেক্ষা করে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা এ কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
গত ১৮ জানুয়ারি (রবিবার) সকালে ফুলবাড়ী উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের পশ্চিম ধনীরাম গ্রামে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র রংপুর সার্কেলের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ব্যানারে প্রধান অতিথি হিসেবে উল্লেখ ছিল মহাব্যবস্থাপক জনাব সুধীর রঞ্জন বিশ্বাস এবং সভাপতিত্ব করেন সহকারী মহাব্যবস্থাপক ও অঞ্চল প্রধান এস. এম আহসান হাবীব সরকার।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের একাধিক নেতাকর্মীর উপস্থিতি ও সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। অভিযোগ রয়েছে, কম্বল বিতরণ কার্যক্রমে রাজনৈতিক নেতারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন, যা অনেকের কাছে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের প্রয়াস হিসেবে প্রতীয়মান হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন গ্রামবাসী জানান, সরকারি মালিকানাধীন একটি ব্যাংকের মানবিক কর্মসূচিতে রাজনৈতিক দলের এমন দৃশ্যমান উপস্থিতি সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।
এ বিষয়ে অগ্রণী ব্যাংকের স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, এটি ব্যাংকের নিয়মিত সামাজিক দায়বদ্ধতা (CSR) কর্মসূচির অংশ। তবে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তারা স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
এদিকে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আব্দুল মালেক ও উপজেলা সেক্রেটারি আব্দুর রহমান পৃথক বিবৃতিতে ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তারা দাবি করেন, নির্বাচনকালীন সময়ে এ ধরনের কার্যক্রম স্পষ্টভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল এবং এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কমিশনের কার্যকর ভূমিকা না থাকায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি ব্যাংক বা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সামাজিক কার্যক্রম যেন কোনোভাবেই রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহৃত না হয়—সে বিষয়ে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।


















