ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
তাজা খবর
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
গ্রামীণ আবহ আর কারুপণ্যের সম্ভার নিয়ে চলছে বৈশাখী মেলা
কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে মারা গেছেন
বরেণ্য গীতিকবি,সুরকার,লেখক ও সংগীত গুরু ইউনুস আলী মোল্লার
স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে মাদারীপুরে ৩০ শিক্ষার্থী অসুস্থ
গণধর্ষেণের শিকার ৬-বছরের শিশু ও ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী: গ্রেফতার-১
জাল টাকার কারখানায় অভিযান, আটক-১
জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ
লামায় ব্লক নির্মাণে সড়ক ক্ষতি: সহিদ ব্রাদার্সের বিরুদ্ধে অভিযোগ

জাহিদ হাসান,বান্দরবান প্রতিনিধি
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:১২:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ৬১ বার পঠিত

জাহিদ হাসান,বান্দরবান প্রতিনিধি।। বান্দরবানের লামা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের চাম্পাতলী এলাকায় নদীভাঙনরোধ প্রকল্পের ব্লক নির্মাণকে কেন্দ্র করে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্লক নির্মাণকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘সহিদ ব্রাদার্স’-এর কার্যক্রমের কারণে ধুলাবালি, শব্দদূষণ ও সড়ক ক্ষতির ফলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।জানা গেছে, মাতামুহুরি নদী ভাঙনরোধে ব্লক নির্মাণ কাজের জন্য খোয়া, বালু ও কংক্রিট পরিবহনে প্রতিদিন ভারী যানবাহন চলাচল করছে। শুষ্ক মৌসুমে পানি ছিটানোর নিয়ম থাকলেও তা মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। ফলে ধুলাবালির মাত্রা বেড়ে গিয়ে শ্বাসকষ্ট, এলার্জি ও চোখের সমস্যায় ভুগছেন অনেকে। বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুরা বেশি ঝুঁকিতে পড়েছে।চাম্পাতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও এই দুর্ভোগের শিকার। অতিরিক্ত ধুলাবালির কারণে বিদ্যালয়গামী শিশুদের চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। রাস্তার পাশের বাসিন্দাদের দিনের বেশিরভাগ সময় দরজা-জানালা বন্ধ রাখতে হচ্ছে, যা তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রায় তিন মাস আগে চাম্পাতলী গ্রামের বাংলাদেশ পুলিশের মালিকানাধীন একটি মাঠে বান্দরবান পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদার ব্লক তৈরির কাজ শুরু করে। মাঠটি মূলত সবজি চাষের জন্য ইজারা দেওয়া হলেও ইজারাদার সেটি ব্লক নির্মাণের কাজে ভাড়া দেন। সেখানে ১০ চাকার ট্রাক লরি দিয়ে কংক্রিট ও বালু আনা-নেওয়া করা হচ্ছে এবং নির্মিত ব্লক ট্রলি-ট্রাক্টরে করে প্রকল্প এলাকায় নেওয়া হচ্ছে।স্থানীয়দের দাবি, লামা পৌরসভা কর্তৃক নির্মিত সড়কটি সর্বোচ্চ ৫ টন ধারণক্ষমতার উপযোগী। কিন্তু ১০ চাকার ট্রাকে ৪০ টনের অধিক মালামাল পরিবহনের ফলে চাম্পাতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে গেছে এবং দুই পাশ দেবে গেছে। আসন্ন বর্ষায় পুরো রাস্তা ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।এ অবস্থার প্রতিকার চেয়ে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি গ্রামবাসীরা জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। তারা দ্রুত পানি ছিটানো, বেষ্টনী স্থাপন এবং ভারী যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে গত নভেম্বর মাসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে মৌখিক অভিযোগ করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বান্দরবান নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারী জানান, কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং পানি ছিটিয়ে জনদুর্ভোগ কমানোর বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ না হলে জনস্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত ক্ষতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।



















