ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

লামা ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ১১ রমজান পর্যন্ত ইফতার বিতরণ

জাহিদ হাসান,বান্দরবান প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৩৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • / ৬৯ বার পঠিত
জাহিদ হাসান,বান্দরবান প্রতিনিধি।। লামা উপজেলার ২ নং লামা সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মানবিক এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেন মোঃ আব্দুর রহিম। আজ ১১ রমজান পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে জানা গেছে। উদ্যোক্তা মোঃ আব্দুর রহিম ব্যক্তিগত অর্থায়নে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারকে তালিকাভুক্ত করে ইফতার সামগ্রী প্যাকেট বিতরণ করছেন। প্রতিটি প্যাকেটে ছিল খেজুর, চিনি, ছোলা, মুড়ি, ডালসহ রমজানে প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্য। সহায়তা পেয়ে উপকারভোগীদের মুখে ছিল আনন্দের হাসি। অনেক পরিবার জানায়, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে এমন সহায়তা তাদের জন্য অনেক স্বস্তির। সহায়তা নিতে আসা একাধিক অভিভাবক জানান, রমজান মাসে সংসারের খরচ বাড়ে, কিন্তু আয় বাড়ে না। ফলে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য রোজা রাখা ও ইফতার প্রস্তুত করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এমন সময়ে একজন মানুষের ব্যক্তিগত উদ্যোগে সহযোগিতা পাওয়া সত্যিই প্রশংসনীয়। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।উদ্যোক্তা মোঃ আব্দুর রহিম বলেন, “রমজান হলো সহমর্মিতা, আত্মসংযম ও ত্যাগের মাস। সমাজের সামর্থ্যবানদের উচিত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে প্রায় ২০০টি পরিবারের হাতে ইফতার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, পুরো রমজান মাসজুড়ে এই কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা থাকবে।”উল্লেখ্য, মোঃ আব্দুর রহিম লামা সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) লামা সদর ইউনিয়ন শাখার সাবেক আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা একজন nত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা হিসেবেও এলাকায় পরিচিত। নানা প্রতিকূলতা ও রাজনৈতিক নির্যাতনের মধ্য দিয়েও তিনি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন।স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, ব্যক্তিগত উদ্যোগে এমন সহায়তা সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেয় এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা বাড়ায়। রমজানকে সামনে রেখে বিত্তবান ও সামর্থ্যবানদের এগিয়ে এসে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তারা। এই ধরনের উদ্যোগ সমাজে মানবিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতার সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

লামা ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ১১ রমজান পর্যন্ত ইফতার বিতরণ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৩৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
জাহিদ হাসান,বান্দরবান প্রতিনিধি।। লামা উপজেলার ২ নং লামা সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মানবিক এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেন মোঃ আব্দুর রহিম। আজ ১১ রমজান পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে জানা গেছে। উদ্যোক্তা মোঃ আব্দুর রহিম ব্যক্তিগত অর্থায়নে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারকে তালিকাভুক্ত করে ইফতার সামগ্রী প্যাকেট বিতরণ করছেন। প্রতিটি প্যাকেটে ছিল খেজুর, চিনি, ছোলা, মুড়ি, ডালসহ রমজানে প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্য। সহায়তা পেয়ে উপকারভোগীদের মুখে ছিল আনন্দের হাসি। অনেক পরিবার জানায়, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে এমন সহায়তা তাদের জন্য অনেক স্বস্তির। সহায়তা নিতে আসা একাধিক অভিভাবক জানান, রমজান মাসে সংসারের খরচ বাড়ে, কিন্তু আয় বাড়ে না। ফলে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য রোজা রাখা ও ইফতার প্রস্তুত করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এমন সময়ে একজন মানুষের ব্যক্তিগত উদ্যোগে সহযোগিতা পাওয়া সত্যিই প্রশংসনীয়। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।উদ্যোক্তা মোঃ আব্দুর রহিম বলেন, “রমজান হলো সহমর্মিতা, আত্মসংযম ও ত্যাগের মাস। সমাজের সামর্থ্যবানদের উচিত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে প্রায় ২০০টি পরিবারের হাতে ইফতার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, পুরো রমজান মাসজুড়ে এই কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা থাকবে।”উল্লেখ্য, মোঃ আব্দুর রহিম লামা সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) লামা সদর ইউনিয়ন শাখার সাবেক আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা একজন nত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা হিসেবেও এলাকায় পরিচিত। নানা প্রতিকূলতা ও রাজনৈতিক নির্যাতনের মধ্য দিয়েও তিনি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন।স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, ব্যক্তিগত উদ্যোগে এমন সহায়তা সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেয় এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা বাড়ায়। রমজানকে সামনে রেখে বিত্তবান ও সামর্থ্যবানদের এগিয়ে এসে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তারা। এই ধরনের উদ্যোগ সমাজে মানবিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতার সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।