ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

“সংস্কার করে তারপরেই নির্বাচন দিতে হবে”-পিরোজপুরে এনসিপি’র শীর্ষ নেতা নাহিদ ইসলাম

পিরোজপুর অফিস
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:০১:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • / ৭০ বার পঠিত

পিরোজপুর অফিস :: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহবায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘বিচার সংস্কার ছাড়া নির্বাচন জনগণ মেনে নেবে না। যারা বিচার সংস্কার ছাড়া নির্বাচনের পরিকল্পনা করে তারাই নির্বাচনকে পিছিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। রবিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে পিরোজপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্তরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। নাহিদ ইসলাম বলেন, চাঁদার জন্য ঢাকায় একজনকে পাথর দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। দখল, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, কমিশনের রাজনীতি করতে চায়, বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে হাসিনাকে বিদায় করেছে সেভাবে তাদেরও বিদায় করবে। তিনি বলেছেন, একটি দল মনে করে শুধু নির্বাচন হলেই সব সংস্কার হয়ে যাবে। হাসিনাও তাই মনে করত। বাংলাদেশ থেকে হাসিনা পালিয়েছে কিন্তু তার সিস্টেম রয়ে গেছে। এর আগে জাতীয় নাগরিক পার্টির দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৩ তম দিনে পিরোজপুর এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ১১ টায় সার্কিট হাউজ-সিও অফিম হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। সেখানেই অনুষ্ঠিত হয় সমাবেশ। অনুষ্ঠিত সমাবেশে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, এনসিপি‘র সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখপাত্র ডেপুটি সামান্তা শারমিন, ডা. তাসনিম জারা, পিরোজপুর জেলা প্রধান সমন্বয়কারী মশিউর রহমান, যুগ্ম সমন্বয়কারী নাজমুল ইসলাম সোহাগসহ জাতীয় নাগরিক পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটি, বরিশাল ও পিরোজপুর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বক্তারা আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যূত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী একটা ফ্যাসিস্ট সরকার শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটেছিল। স্বৈরাচার সরকার জোর করে ১৬ বছর ক্ষমতায় টিকে ছিল। মানুষের প্রতি এমন কোন নির্যাতন নাই করে নাই। গুম, খুন, নির্যাতন, দুর্নীতি, লুটপাট ভোটাধিকার হরণ, সন্ত্রাস এমন কোন অপকর্ম নাই যে ফ্যাসিস্ট সরকার করে নাই। তিন তিনবার দেশের মানুষ ভোট দিতে পারে নাই। ফলে মানুষ রাজপথে নেমে এসেছে। সীমাহীন জুলুম, নির্যাতন, অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল। সামনে বাংলাদেশে যেন কোন গুম খুন না হয় সে জন্য সব ক্ষেত্রে সংস্কার দরকার। যদি প্রতিষ্ঠানগুলো সংস্কার করা না হয়, পুলিশকে যদি নিরপেক্ষ না করা যায়, শুধুমাত্র নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র সম্বভ নয়। সংস্কার করে তারপরেই নির্বাচন দিতে হবে।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

“সংস্কার করে তারপরেই নির্বাচন দিতে হবে”-পিরোজপুরে এনসিপি’র শীর্ষ নেতা নাহিদ ইসলাম

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:০১:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

পিরোজপুর অফিস :: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহবায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘বিচার সংস্কার ছাড়া নির্বাচন জনগণ মেনে নেবে না। যারা বিচার সংস্কার ছাড়া নির্বাচনের পরিকল্পনা করে তারাই নির্বাচনকে পিছিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। রবিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে পিরোজপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্তরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। নাহিদ ইসলাম বলেন, চাঁদার জন্য ঢাকায় একজনকে পাথর দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। দখল, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, কমিশনের রাজনীতি করতে চায়, বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে হাসিনাকে বিদায় করেছে সেভাবে তাদেরও বিদায় করবে। তিনি বলেছেন, একটি দল মনে করে শুধু নির্বাচন হলেই সব সংস্কার হয়ে যাবে। হাসিনাও তাই মনে করত। বাংলাদেশ থেকে হাসিনা পালিয়েছে কিন্তু তার সিস্টেম রয়ে গেছে। এর আগে জাতীয় নাগরিক পার্টির দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৩ তম দিনে পিরোজপুর এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ১১ টায় সার্কিট হাউজ-সিও অফিম হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। সেখানেই অনুষ্ঠিত হয় সমাবেশ। অনুষ্ঠিত সমাবেশে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, এনসিপি‘র সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখপাত্র ডেপুটি সামান্তা শারমিন, ডা. তাসনিম জারা, পিরোজপুর জেলা প্রধান সমন্বয়কারী মশিউর রহমান, যুগ্ম সমন্বয়কারী নাজমুল ইসলাম সোহাগসহ জাতীয় নাগরিক পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটি, বরিশাল ও পিরোজপুর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বক্তারা আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যূত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী একটা ফ্যাসিস্ট সরকার শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটেছিল। স্বৈরাচার সরকার জোর করে ১৬ বছর ক্ষমতায় টিকে ছিল। মানুষের প্রতি এমন কোন নির্যাতন নাই করে নাই। গুম, খুন, নির্যাতন, দুর্নীতি, লুটপাট ভোটাধিকার হরণ, সন্ত্রাস এমন কোন অপকর্ম নাই যে ফ্যাসিস্ট সরকার করে নাই। তিন তিনবার দেশের মানুষ ভোট দিতে পারে নাই। ফলে মানুষ রাজপথে নেমে এসেছে। সীমাহীন জুলুম, নির্যাতন, অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল। সামনে বাংলাদেশে যেন কোন গুম খুন না হয় সে জন্য সব ক্ষেত্রে সংস্কার দরকার। যদি প্রতিষ্ঠানগুলো সংস্কার করা না হয়, পুলিশকে যদি নিরপেক্ষ না করা যায়, শুধুমাত্র নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র সম্বভ নয়। সংস্কার করে তারপরেই নির্বাচন দিতে হবে।