ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
তাজা খবর
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
সাদামাটির দেশে নীলিম রৌদ্দুর

------ লেখিকা, ফারাবী
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:০০:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
- / ৬৭ বার পঠিত

—— লেখিকা, ফারাবী
নীলিম আর রোদ্দুর দুজন মিলে ঠিক করল নেত্রকোনার দুর্গাপুরের সেই বিখ্যাত সাদামাটি পাহাড় দেখতে যাবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী দুজন মিলে একদিন সকাল সকাল একটি সুদৃশ্য “লাল স্কুটি” নিয়ে যাত্রা শুরু করল। দুজনে গল্প করতে করতে সুসংদূর্গাপুরের দুই পাশের সবুজ ফসলের মাঠ ঘাট অপূর্ব শিমুল ফুলে বসে থাকা কাক’টাও যেন প্রকৃতির সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে। ঝড়া ফুলের গন্ধ আর রৌদ্রময় আলো এ যেন প্রকৃতির লিলাভূমি স্বপ্নের অভিভূত।
মাঝপথে পেটে টান পড়তেই রাস্তার ধারে গাড়ি থামালেন। সেখানে রোদ্দুর চোখে পড়ল গরম গরম রুটি তৈরি। রুটি আর মিষ্টি দিয়ে পেট আর মন দুটোই ভরিয়ে নিলো, নীলিম আর রোদ্দুর। নাস্তা সেরে দুজন আবারও রওনা দিলো গন্তব্যের পানে।
কাছাকাছি যেতেই সামনে পড়লো সোমেশ্বরী নদীর রূপ। ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা এই নদীর পানি যেন কাঁচের মতো স্বচ্ছ আর আকাশের রঙে নীল হয়ে আছে। এমন মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখে নীলিম আর রোদ্দুর আর স্থির থাকতে পারল না। গাড়ি থামিয়ে সোমেশ্বরী নদীর নীল পানির ভিডিও এবং ছবি তোলায় ব্যস্ত হয়ে পড়লো দুজনেই। ক্যামেরার লেন্সে বন্দি হলো নদীর অপূর্ব সব ফ্রেম। ছবি তোলা শেষ করে দুজন পৌঁছালেন স্বপ্নের সাদামাটি পাহাড়ের নিচে। পাহাড়ের পাদদেশেই তারা দুপুরের লাঞ্চ সেরে নিলাম।
সেখানে সাদা আর গোলাপী মাটির পাহাড়ে মিতালি দেখে নীলিম আর রোদ্দুর অভিভূত হয়ে গেলো। পরে আবারও চলল ছবি তোলার ধুম। পাহাড়ের ওপরে উঠলে ভারতের পাহাড়গুলোও স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল, যা দুজনের ছবিগুলোকে আরও সুন্দর করে তুললো। সাদামাটি পাহাড় থেকে ছবি তোলা শেষ করে।
বিকেলের মিঠে রোদে নীলিম আর রোদ্দুর রওনা দিলো বিজয়পুর সীমান্তের দিকে। সীমান্ত এলাকার জিরো পয়েন্টের আর চারপাশের পাহাড়-নদীর সৌন্দর্য দুজনকে মুগ্ধ করল। সেখানেও মনভরে ছবি তোলার কাজ শেষ করে, সন্ধ্যার আলো যখন ফিকে হয়ে আসছে, তখন নীলিম আর রোদ্দুর পাহাড় আর নদীর মায়াবী স্মৃতি সাথে নিয়ে বাসার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করল। দিনটি নীলিম আর রোদ্দুর কাছে হয়ে থাকল এক অবিস্মরণীয় ভ্রমণের গল্প।


















