ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ০২ মে ২০২৬

৭ বছরের শিশুকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিল শাজাহানপুর থানা পুলিশ

মো: আব্দুল হান্নান, শাজাহানপুর (বগুড়া)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:০৩:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫
  • / ৪৫ বার পঠিত

স্কুল বইয়ের পাতায় লেখা বিদ্যালয়ের শিক্ষকের মোবাইল নাম্বারের সূত্র ধরে হারিয়ে যাওয়া সাত (৭) বছরের শিশু কন্যা মেঘনাকে তার পরিবারের নিকট ফিরিয়ে দিল বগুড়া শাজাহানপুর থানা পুলিশ।

শনিবার (২১ জুন) ঢাকা থেকে রংপুর গামী এস,কে স্পেশাল পরিবহনে চড়ে সাত বছরের শিশু কন্যা মেঘনাকে নিয়ে তার পিতা মোহাম্মদ মিরু (৩৫), নিজ বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর যাচ্ছিলেন। যমুনা সেতুর পূর্ব প্রান্তের কিছু আগে বাসটি থামলে মিরু মিয়া তার কন্যাকে বাসে বসে রেখে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে যান। ইতোমধ্যেই বাসটি তার পিতাকে ছেড়েই রওনা দেয় গন্তব্যের উদ্দেশ্যে, বাসের সুপারভাইজার শিশু মেঘনার পিতাকে না পেয়ে শাজাহানপুর থানার ডিউটি অফিসারের নিকট জমা দিয়ে যান।
মেঘনার কাছে থাকা ব্যাগের ভিতর রাখা তার পড়ার বইয়ের পাতায় তার বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের মোবাইল নাম্বার খুঁজে পান শাজাহানপুর থানার ডিউটি অফিসার এসআই তহুরা বেগম। উক্ত নাম্বারের সূত্র ধরে শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করলে উক্ত শিক্ষক তার পরিবারকে খবর দেন।
এদিকে মেঘনার পিতা বিভিন্নভাবে খোঁজাখুঁজি করে একেবারেই হয়রান হয়ে যান। পরিবারের মাধ্যমে অবগত হয় মেঘনা বগুড়া শাজাহানপুর থানায় রয়েছে। মেঘনার পিতা শাজাহানপুর থানায় আসলে যাচাই-বাছাই অন্তে শিশু মেঘনাকে তার পিতার নিকট হস্তান্তর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, শাজাহানপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

৭ বছরের শিশুকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিল শাজাহানপুর থানা পুলিশ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:০৩:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫

স্কুল বইয়ের পাতায় লেখা বিদ্যালয়ের শিক্ষকের মোবাইল নাম্বারের সূত্র ধরে হারিয়ে যাওয়া সাত (৭) বছরের শিশু কন্যা মেঘনাকে তার পরিবারের নিকট ফিরিয়ে দিল বগুড়া শাজাহানপুর থানা পুলিশ।

শনিবার (২১ জুন) ঢাকা থেকে রংপুর গামী এস,কে স্পেশাল পরিবহনে চড়ে সাত বছরের শিশু কন্যা মেঘনাকে নিয়ে তার পিতা মোহাম্মদ মিরু (৩৫), নিজ বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর যাচ্ছিলেন। যমুনা সেতুর পূর্ব প্রান্তের কিছু আগে বাসটি থামলে মিরু মিয়া তার কন্যাকে বাসে বসে রেখে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে যান। ইতোমধ্যেই বাসটি তার পিতাকে ছেড়েই রওনা দেয় গন্তব্যের উদ্দেশ্যে, বাসের সুপারভাইজার শিশু মেঘনার পিতাকে না পেয়ে শাজাহানপুর থানার ডিউটি অফিসারের নিকট জমা দিয়ে যান।
মেঘনার কাছে থাকা ব্যাগের ভিতর রাখা তার পড়ার বইয়ের পাতায় তার বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের মোবাইল নাম্বার খুঁজে পান শাজাহানপুর থানার ডিউটি অফিসার এসআই তহুরা বেগম। উক্ত নাম্বারের সূত্র ধরে শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করলে উক্ত শিক্ষক তার পরিবারকে খবর দেন।
এদিকে মেঘনার পিতা বিভিন্নভাবে খোঁজাখুঁজি করে একেবারেই হয়রান হয়ে যান। পরিবারের মাধ্যমে অবগত হয় মেঘনা বগুড়া শাজাহানপুর থানায় রয়েছে। মেঘনার পিতা শাজাহানপুর থানায় আসলে যাচাই-বাছাই অন্তে শিশু মেঘনাকে তার পিতার নিকট হস্তান্তর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, শাজাহানপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম।