রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী :
প্রায় দেড় যুগ ধরে রাজবাড়ীর ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের খানখানাপুর, গোয়ালন্দ মোড়,পদ্মার মোড় ও দৌলতদিয়ায় বাইপাশ সড়ক এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতি’সহ নানাবিধ অপরাধের অভয়ারণ্যে হিসেবে পরিচিত ছিল। রাতের বেলায় এই মহাসড়কের নাম শুনলে অদৃশ্য আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ত প্রতিটি যাত্রী ও যানবাহন চালকের মধ্যে। বিভিন্ন সময়ে একাধিক সংবদ্ধ চক্র অনেকটা প্রকাশ্যে দুর্বৃত্তরা যানবাহনের গতিরোধ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে যাত্রী ও চালকদের মূল্যবান মালামাল ও অর্থ লুটে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
তবে পুর্বের সেইচিত্র আজ পুরোপুরি বদলে দিয়েছে আহলাদীপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মাকসুদুর রহমান মুরাদ। তিনি, ওসি হিসেবে আওলাদীপুর হাইওয়ে থানায় ডিউটি শুরুর করার পর থেকে মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নিয়মিত টহল, চেকপোস্ট ও নজরদারি জোরদার করার কারণে সড়কে নিরাপত্তা বেড়েছে শতভাগ। ফলে দেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের যাত্রী ও যানবাহনের চালকের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।
এছাড়াও— মহাসড়কে অবৈধ তিন চাকার যান
থ্রি হলার, নসিমন,করিমন চলাচলের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করায় সড়ক দুর্ঘটনা নেমে এসেছে প্রায় শুন্যের কোঠায়। পাশাপাশি সড়কে রেজিষ্ট্রেশন বিহীন মোটরসাইকেল, লাইসেন্স বিহীন চালক ও ফিটনেস বিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলায় সরকারী খাতে জমা হচ্ছে মোটা অংকের রাজস্ব। তাছাড়াও,
দৌলতদিয়ার ৩ ও ৭ নম্বর ফেরীঘাটে পরপর দুইবার বাস ডুবির ঘটনায় নিরলস দায়িত্ব পালনে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকায় সর্বময় রীতিমতো প্রশংসা কুড়িয়েছে হাইওয়ে পুলিশ।
তবে,হাইওয়ে পুলিশের এত ভাল কাজের মাঝেও, কিছু ফেজবুক পোস্টে দেখা যায়, তার বিরুদ্ধে নানাবিধ অপ্রচার। এবার এবিষয়ে মুখ খুলেছে হাইওয়ে পুলিশ৷ পুলিশের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কিছু অসাধু স্বার্থেনেশি ফেজবুক সাংবাদিক, যাদের অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আওলাদীপুর হাইওয়ে পুলিশ রাজি না হওয়ায় এহেন অপপ্রচার চালিয়েছে৷ এজন্য আওলাদীপুর হাইওয়ে পুলিশ এমন অপ্রচারের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
এবিষয়ে,আওলাদীপুর হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মাকসুদুর রহমান মুরাদ এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, মহাসড়কের যাত্রী ও যানবাহনের নিরাপত্তা প্রহরী হলো হাইওয়ে পুলিশ। আমি সেই দায়িত্ব পালন করছি। এটা আমার দায়িত্ব। আমি জিরো টলারেন্স মহাসড়কের সবধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। যতদিন হাইওয়ে পুলিশে আছি,ততদিন কাজ করবো।

নাগরিক ডেস্ক রিপোর্ট 





















